বৃহস্পতিবার, ০৭ নভেম্বর ২০১৯, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন

পটুয়াখালীতে স্বামীর নির্যাতনে মাস্টার্স পরীক্ষার্থী স্ত্রী হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে …

All-focus

খবরের আলো :

 

 

হাবিবুর রহমান মাসুদ,পটুয়াখালী প্রতিনিধি :পটুয়াখালীতে যৌতুক লোভী স্বামীর নির্যাতনের শিকার মাস্টার্স পরীক্ষার্থী স্ত্রী নাদিরা আক্তার মুন্নি হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলা কালিকাপুর ইউনিয়নের পূর্ব হেতালিয়া গ্রামে।

নির্যাতনের শিকার পটুয়াখালী সরকারী কলেজের মাস্টার্স পরীক্ষার্থী নাদিরা আক্তার মুন্নির বাবা ধরান্দী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক নুরুল আমিন জানান, ৬ বছর আগে পূর্ব হেতালিয়া গ্রামের আঃ হক হাওলাদারের ছেলে ব্যবসায়ী তারেক মাহমুদ এর সাথে মেয়ে মুন্নির বিবাহ হয়। বিবাহের সময় সাধ্যমত যৌতুক’র মালামাল দেয়া হলেও তারেক মাহমুদ সন্তোষ্ট হয় নাই। কয়েক বছর তাদের ( মুন্নি-তারেক) দাম্পত্য জীবনে একটি পুত্র সন্তান হয়। বর্তমানে পুত্র সন্তান আবদুল্লাহ নাবিব’র বয়স সাড়ে ৩ বছর। পাঁচ মাস আগে স্বামী তারেক মাহমুদ স্ত্রী নাদিরা আক্তার মুন্নির কাছে ব্যবসার জন্য ৫০ লক্ষ যৌতুক টাকা দাবী করে আসছিল। এ দাবীকৃত টাকা না দেয়ায় স্বামী তারেক স্ত্রী মুন্নিকে মারধর করে ফুলা জখম করায় মুন্নি আমার বাড়িতে আসে। কিছুদিন পর তারেক আমাদের বাড়িতে এসে ক্ষমা চেয়ে হাত পা ধরে মুন্নিকে নিয়ে যায়। ঘটনার দিন আজ বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুর ১২.৫১ মিনিট সময় মুন্নির স্বামী তারেক আমার মোবাইলে ফোন দিয়ে বলে আপনার মেয়েকে নিয়ে যান, আমি আপনার মেয়েকে রাখবো না। এতে সন্দেহ হওয়ায় প্রফেসর নুরুল আলম জামাই তারেক মাহমুদের বাড়িতে গিয়ে দেখে তার মেয়ে মুন্নি ঘরের ফ্লোরে অজ্ঞান অবস্থায় পরে আছে। মেয়ের অবস্থা খারাপ দেখে হাসপাতালে আনার জন্য উদ্যোগ নিলে জামাই তারেক বাধা দেয় এবং তর্কবিতর্ক করে। মেয়ের অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে পিতা নুরুল আলম জোর করে মেয়ে মুন্নিকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিস্ট পটুয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি করে। এ সময় জামাই তারেক সাড়ে তিন বছরের নাবিবকে জোর করে রেখে দেয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মুন্নির জ্ঞান ফিরে নাই। এ ব্যাপারে মেয়ে মুন্নি একটু সুস্থ হলে বিস্তারিত জেনে মামলা করা হবে বলে পিতা নুরুল আলম জানান।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com