শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২০, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন

‌ভোলায় নানা বা‌ড়ি বেড়া‌তে এ‌সে ধর্ষ‌নের শিকার ৭ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী

‌খবরের আলো :
মোঃ ওমর ফারুক,  ভোলা  থে‌কেঃভোলায়  নানা বা‌ড়ি‌তে  ব‌েড়া‌তে  এ‌সে ধর্ষ‌নের
শিকার হ‌য়ে‌ছে  ৭ম  শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী। তা‌কে  মুখ বেধে তুলে নিয়ে গি‌য়ে রাতভর আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে তাদেরকে বাধা দেয়ার  অ‌ভি‌যোগ ক‌রে‌ছে প‌রিবার । কিন্তু এ ঘটনার ৫ দিন পেরিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত পুলিশ কোন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি। বিভিন্ন ধরনের হুমকিতে ভিগটিম পরিবারটি এখন আতংকে রয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে ভোলা হাসপাতালে নির্যাতিত ছাত্রীর পিতা জানান, ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার সম্ভুপুর ইউনিয়নের কোড়ালমারা গ্রামের  কেরামত হাওলাদার নানা বা‌ড়ি  বেড়া‌তে যায় সপ্তম শ্রেণীর ওই ছাত্রী । গত ২ জানুয়ারি এশার নামাজের সময় বাসার সামনে থেকে একই বাড়ির শফিউল্লাহর পুত্র বখাটে যুবক খাসের হাট শাহে আলম কলেজের ছাত্র রাকিব (২২) সহ ৩ জন মিলে ওই ছাত্রীর মুখ বেধে সুপারি বাগানের নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষণ করে রাতভর আটকে রাখে।  এক সময় অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে ওই যুবক তাদের ঘরের একটি রুমে আটকে রাখে। নির্যাতিত ছাত্রীর পরিবার তাকে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। ঘটনার ২ দিন পর  গোপন সংবা‌দে ৪ জানুয়ারি বিকালে রাকিবের বাসা থেকে বাধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে। এদিকে গুরুতর অবস্থায় তাকে চিৎিসার জন্য হাসপাতালে নিতে গেলে ধর্ষকের পরিবার বাধা দেয়। পরে রাতে গোপনে ভোলা সদর হাসপাতালে  এ‌নে  ভর্তি করা হয়। ভোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ছাত্রী জানান, তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষিতার পিতা মাতা ধর্ষকের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি করেন। এদিকে   ভোলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা: তৈয়বুর রহমান জানান, ওই রোগির মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে। পুলিশ বা আদালত থেকে চাওয়া হলে ওই রির্পোট দেয়া হবে।

এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে ৫ জানুয়ারি তজুমদ্দিন থানায় রাকিবসহ ৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। কিন্তুু ঘটনার ৫ দিন পরও পুলিশ কোন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তজুমদ্দিন থানার ওসি এস এম জিয়াউল হক জানান, তারা আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com