জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৫৫দিন
:
১৯ঘণ্টা
:
৪৩মিনিট
:
৩৭সেকেন্ড

মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২০, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
হত্যার দায় সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতের ওপর চাপিয়েছে পুলিশ শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছে সঠিক নেতৃত্ব দিতে পারলে দুর্যোগ মোকাবেলা সম্ভব -তথ্যমন্ত্রী করোনা জয় করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান : ফুলের শুভেচ্ছা ধর্ম যার যার উৎসব কিন্ত সবার -তথ্যমন্ত্রী পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কোলা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহিনুর ইসলাম স্বপণ  অবশেষে ফিটিং মামলায় তিন সাংবাদিক নির্দোষ বদলগাছীতে পুলিশের সর্বত্র নিরাপত্তা জোরদার -মোটরসাইকেল মহড়া বদলগাছীতে শেষ মূহুর্তে  শব্দে মুখরিত কামার পল্লী   সামাজিক দূরত্ব মেনে স্পেনে ঈদুল আযহা উদ্‌যাপন  ধামরাই শ্রীরামপুর বাজারে ঢাকা ফার্মেসীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা

৪ বছরেও তনুর ধর্ষক অধরা কেনো: আসিফ নজরুল

ফাইল ছবি

খবরের আলো :

 

 

বৃহস্পতিবার, ০৯ জানুয়ারী : ঢাবি ছাত্রীর ধর্ষক দুদিনে গ্রেফতার হলেও গত চার বছরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহানের তনুর ধর্ষক ও হত্যাকারী গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাবির আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে ঢাবি অধ্যাপক বলেন, ‘দুদিনের মধ্যে ঢাবি ছাত্রীর ধর্ষক মজনুকে ধরা গেছে। ধন্যবাদ সরকারকে। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে কিছু প্রশ্ন তোলাও জরুরি এখন।’

তিনি বলেন, কুমিল্লায় তনু ধর্ষণ আর হত্যার ঘটনা ঘটেছে প্রায় চার বছর আগে। সে ঘটনার পাশবিকতা স্তব্ধ করেছিল গোটা সমাজকে। মজনুকে এক লহমায় ধরা গেলে, তনুর ধর্ষক/হত্যাকারীকে ধরা গেল না কেন আজো?’

আসিফ নজরুল আরও বলেন, ‘এটা কি মজনু আর তনুর ধর্ষকের শ্রেণিচরিত্র ভিন্ন বলে? মজনু তুচ্ছাতিতুচ্ছ একজন ব্যক্তি। তনুর হত্যাকারী নিশ্চয় এমন তুচ্ছ নয়। সে বা তারা নিশ্চয় ক্ষমতাবলয়ের কেউ। তা নাহলে এতো ভিন্নতা কেন?’

‘মজনুকে গ্রেফতার সরকারের সামর্থ্যের প্রমাণ হলে এটা অন্যান্য ক্ষেত্রে দেখানো যায় না কেন? কেন হয় না তনুর ধর্ষক গ্রেফতার? কেন হয় না আরও বহু ধর্ষক গ্রেফতার? কেন??’

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় টিউশনি করে বাসায় ফেরার পথে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হয় তনুকে। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ময়নামতি সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের পানির ট্যাংক সংলগ্ন স্থানে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়।

নিহত তনু ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ইয়ার হোসেনের মেয়ে। টিউশনি করে পড়াশোনার খরচ যোগাতেন তনু। তাদের গ্রামের বাড়ি মুরাদনগর উপজেলার মির্জাপুরে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com