জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৫৫দিন
:
১৯ঘণ্টা
:
৪৩মিনিট
:
৩৭সেকেন্ড

রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ১১:৪৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :

দুইদিনে পাঁচ বাংলাদেশিকে গুলি করে মারলো বিএসএফ

 

 

বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী:ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে গত দুইদিনে পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ভোরে নওগাঁর পোরশা উপজেলার দুয়ারপাল সীমান্তে তিনজন এবং বুধবার (২২ জানুয়ারি) লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে দুই বাংলাদেশির লাশ পাওয়া গেছে। খবর বিবিসির।

বিবিসি জানায়, বৃহস্পতিবার ভোরে উত্তরাঞ্চলীয় নওগাঁর পোরশা উপজেলার দুয়ারপাল সীমান্তে গোলাগুলিতে তিনজন নিহত হয়। এতে আরও তিন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন বলেও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে। তারা বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন।

পুরো ঘটনার খতিয়ে দেখে বিজিবি পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন বিজিবির একজন ক্যাম্প কমান্ডার মোখলেসুর রহমান।

জানা যায়, আজ ভোরের দিকে ২০-২৫ বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফিরছিল।

এ সময় ভারতীয় সীমান্তে কেদারিপাড়া ক্যাম্পের বিএসএফ জওয়ানরা তাদেরকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। এতে ভারতীয় সীমান্তের ভেতরেই তিনজন নিহত হন।

স্থানীয়রা দাবি করছেন, তারা গরু ব্যবসার সাথে জড়িত। তবে বিএসএফ বিভিন্ন সময়ে বলেছে, সীমান্তে নানা সময়ে যারা গুলিতে নিহত হয়, মূলত তারা গরু পাচার ও চোরাকারবারের সাথে জড়িত থাকে।

এর আগে গতকাল বুধবার লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহতের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার ভোরে ভারত থেকে গরু নিয়ে ফেরার পথে উপজেলার বনচৌকি সীমান্তের কাছে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাট -১৫ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম তৌহিদুল আলম। এ ঘটনায় প্রতিবাদপত্র পাঠিয়ে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।

গত এক বছরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে দেশটির সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিএসএফের হাতে বাংলাদেশিদের প্রাণহানির সংখ্যা তিন গুন বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি সংবাদপত্রের তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করে সংস্থাটি।

ওই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০১৯ সালে ভারতের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী-বিএসএফের হাতে প্রাণ হারিয়েছে ৩৮ জন বাংলাদেশি। এরমধ্যে ৩৩ জন গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে এবং বাকি ৫ জনকে নির্যাতন করে মারা হয়েছে।

অথচ এর এক বছর আগে অর্থাৎ ২০১৮ সালে সীমান্তে এমন প্রাণহানির সংখ্যা ছিল ১৪ জন। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে প্রাণহানির সংখ্যা তিন গুণেরও বেশি বেড়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com