জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৫৫দিন
:
১৯ঘণ্টা
:
৪৩মিনিট
:
৩৭সেকেন্ড

বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন

মাওনা চৌরাস্তায় পাবলিক শৌচাগারটি ঝুঁকিপূর্ণ ,দীর্ঘদিন ধরে হেলে পড়ার পরেও সংস্কারের উদ্যোগ নেই

খবরের আলো :

 

 

শ্রীপুর প্রতিনিধি:শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় সাধারণ পথচারীদের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার সাড়ে চার লাখ টাকা ব্যয় করে একটি পাবলিক শৌচাগার নির্মাণ করে গত এক থেকে দেড় বছর বছর  আগে। অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা এই শৌচাগারটি ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করার আগেই বর্তমানে একদিকে হেলে পড়েছে। যেকোনো সময় তা ধষে পড়তে পারে। ধসে যাওয়ার ভয়ে এই শৌচাগার টির ভিতরে কেউ  প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে যাচ্ছে না ।সঠিক পরিকল্পনার অভাবে শৌচাগারটি নির্মাণ করায় জলে ভেসে গেল সরকারি সাড়ে ৪ লাখ টাকা।শ্রীপুর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের তথ্য মতে, শিল্প এলাকা সমৃদ্ধ জেলার অন্যতম জনবহুল স্থান মাওনা চৌরাস্তা। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও এখানে নেই কোন শৌচাগার। ফলে পথচারীসহ সাধারণ লোকজনকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এই দুর্ভোগ লাঘবে গত এক থেকে দেড় বছর  আগে উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভায় মাওনা চৌরাস্তায় একটি শৌচাগার নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। যেখানে স্থান শনাক্ত করা হয় মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথের জায়গায়। কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগকে। পরে ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় নির্ধারণ করে কার্যাদেশ দেয়া হয় মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজকে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শৌচাগার নির্মাণের পর যে সময় এটি উন্মুক্ত করে দেয়ার কথা সে সময় মহাসড়কের পাশ দিয়ে তিতাস গ্যাসের সঞ্চালন লাইন নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এই শৌচাগারের লাগুয়া স্থানে পাইপ স্থাপনে গর্ত তৈরী করায় তা হেলে পড়েছে।মাওনা চৌরাস্তার আবু বক্কর সিদ্দিক  জানান, মাওনা চৌরাস্তায় একটি শৌচাগারের অভাবে মাওনা উড়াল সেতুর নিচে জনসাধারণ প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে যাচ্ছে   যার কারণে পচা দুর্গন্ধের এলাকার বাতাস ভারী হয়ে যাচ্ছে।  পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কিন্ত এই শৌচাগারটি অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। ভুল স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। প্রথম থেকেই আমরা ব্যবসায়ীরা ভালো একটি স্থান নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলাম। সড়কের পাশে ফুটপাতে তা স্থাপন না করে উড়াল সেতুর নীচে স্থাপন করলে সরকারী এই অর্থ নষ্ট হত না।এ বিষয়ে আরেকজন ব্যবসায়ী খায়রুল আলম জানান, জনদুর্ভোগ লাগব ও পরিচ্ছন্ন গাজীপুর গড়তে মাওনা চৌরাস্তায় একটি শৌচাগার নির্মাণের প্রস্তাব করেছিলাম। কিন্তু কয়েকটি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় না থাকায় শৌচাগার নির্মাণের পরও তা ব্যবহার করা যায়নি। শৌচাগারের পাশ দিয়ে গর্ত তৈরী করায় তা হেলে পরে এখন অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ।তৎকালীন জনস্বাস্থ্য বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী সৈয়দ তদবীরুর রহমান জানান, মাওনা চৌরাস্তায় জনদুর্ভোগ লাগবে একটি শৌচাগার নির্মাণের পর গ্যাস সঞ্চালন লাইনের জন্য গর্ত করায় শৌচাগারটি হেলে পড়েছে। বিষয়টি দেখে ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অবহিত করেছিলেন কিন্তু কোন লাভ হয়নি এ ব্যাপারে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করার পরেও কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেননি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com