জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৫৫দিন
:
১৯ঘণ্টা
:
৪৩মিনিট
:
৩৭সেকেন্ড

রবিবার, ১২ জুলাই ২০২০, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

ভোলার তারুয়া সমুদ্র সৈকত নৈস‌র্গিক লীলাভূ‌মি সরকারি পৃষ্টপোষকতার দাবি

খবরের আলো :

 

 

‌মোঃ ওমর ফারুকঃ ভোলা থেকে : ভোলার জেলার চরফ্যাশন উপজেলার অদূরবর্তী পলিমাটির আস্তরনে গড়ে উঠা নৈসর্গিক লিলা ভূমি পর্যটকদের জন্য আকর্ষনীয় এক বিনোদন কেন্দ্র তারুয়া সমুদ্র সৈকত। সবুজ বেষ্টনীতে ঘেরা গহীন অরণ্যর মধ্যে পাখিদের অভয়ারণ্যখ্যাত, লাল কাঁকড়ার বিচরণে মনমুগ্ধকর দৃশ্য ভোলার ঢালচরের তারুয়া সমুদ্র সৈকত প্রকৃ‌তির নজর কাড়া এই  স্থানটি‌তে যে যার মত ভ্রম‌নে  কমে গেছে লাল কাকঁড়ার  বিচরণ। এখা‌নে পাখিরাও স্বস্তিতে নেই।

প্রাকৃতিক জীব বৈচিত্রের পাশাপাশি পাখিদের অভয়ারণ্য রক্ষায় এ চরটিতে পর্যটকের ভ্রমনে সরকারি কোন নির্দেশনাও নেই। নেই কোন বিধি-নিষেধ।

ফলে অস্কুরেই প্রকৃতির আরেক সৌন্দর্য তারুয়া সমুদ্র সৈকত নৈসর্গিক দৃশ্য হারাতে বসেছে পুরো বাংলাদেশের মানুষ।ভ্রমন  বিলা‌সী পর্যটকরা চরটিতে গিয়ে যে যার মত সৌন্দর্য উপভোগ করলেও ভুগছে নিরাপত্তাহীনতায়। প্রকৃ‌তির  সৌন্দর্য উপ‌ভোগ কর‌তে  গি‌য়ে  পর্যটকরা ধাওয়া করছে কাঁকড়ার  পিছ‌নে।অপর  দি‌কে পাখিদের নির্বিঘ্নে বিচরণ‌  এলাকায় সরকারের  কিংবা  কোন‌ো প্রতিষ্টা‌নের  নিয়ন্ত্রন বা তদারকির ভূ‌মিকা না থাকায়   তারুয়া সৈকতে অপূর্ব দৃশ্য এখন হুমকির মুখে।

১৯৬৫সাল থেকে জেগে উঠা চরফ্যাশন শহর থেকে প্রায় ৩৫কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্ন এ চরটি ঢালচর ভেঙ্গে পুর্ব ঢালচর হিসাবে পরিচিত হলেও এটির তারুয়া সমুদ্র সৈকত নাম করণ করা হয়।

‌দি‌নে  দি‌নে  চরটির সৌন্দর্য্যের অপরুপ ছড়িয়ে পড়লে ধী‌রে ধী‌রে বাড়‌তে থা‌কে দর্শণার্থী‌দের অানাগোনা। ভ্রমনে গি‌য়ে পর্যটকরা  বি‌ধি  নি‌ষেধ না মে‌নে যত্রতত্র  বিচরণ পাখী অার কাঁকড়ার অভয়ার‌ণ্যের খুব কাছ থেকে ছবি তোলার কার‌নে  সৈক‌তের সৌন্দর্য্য বন্ধন হারিয়ে যেতে বসেছে।

পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতামত‌ে, পাখি কিংবা কাঁকড়া তাঁদের মতো করে তাদেরকে থাকতে দিতে হয়। পর্যটকরা সৌন্দর্য্য অবলোকন করতে ওই চরে রাত্রিযাপন ও করছেন। ফ্রি-স্টাইলে পর্যটক-দর্শনার্থীকে নিয়ে ‌সেখা‌নে  রাখা খুবই বিপজ্জনক। সরকার পরিকল্পিতভাবে ট্যুরিস্ট ভ্রমনের উপযোগী হিসেবে ঘোষণার আগেই পর্যটকরা বিপদের সম্মুখীন হলে এর দায়ভার বর্তা‌বে কর  উপর।

ঢালচর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুস সালাম হাওলাদার বলেন, প্রায় সারা বছরই পর্যটকরা তারুয়া সমুদ্র সৈকতে অাসে। শীত শুরু হলে তো পর্যটদের ভীরে মুখোরিত হ‌য়ে  উ‌ঠে ওই চরটি। আমি নিরাপত্তার স্বার্থে ওই স্থানে একটি ঘর করে একজন বেতন ভুক্ত লোক রেখে পর্যটকদের থাকার সামান্যতম সুযোগ সৃষ্টি করছি। পর্যটকরা যাহাতে এখানে এসে ভয় না পায়।সরকারের পক্ষ থেকে পর্যটন এলাকা ঘোষনা দিয়ে প্রশাসনের ব্যবস্থা  নেয়া একান্ত জরুরী। দেশ-দেশান্তর থেকে এই তারুয়া সৈকতে পর্যটকেরা ঘুরতে আসে।
পর্যটকরা একবার গেলে বার বার আসতে মন চায়। চারদিকে যতদুর চোখ যায় শুধু সাগরের অথৈই জলরাশি। তারই মাঝখানে নয়ন জুড়ানো প্রকৃ‌তির অপরুপ দৃশ্য ভ্রমন  পিপাষু‌দের অাকৃষ্ট কর‌বে।

যেন কুয়াকাটা ও কক্সবাজারকে হার মানায়। লাল কাঁকড়া দৌড়াদৌড়ি,পাখির জাঁক, সাগরের ঢেউ এক স্মৃতিময় মনকাড়া সুন্দরের দৃশ্য। আবার মানুষের পদচারণায় মুহুর্তেই কাঁকড়াদের গর্তে লুকানো। এই  সৈক‌তের দৈর্ঘ্য দ‌িক্ষি‌নে   দেড় থেকে দুই কিলোমিটার  এবং পশ্চিম থেকে পূর্বে প্রস্থ্য
প্রায় ১কিলোমিটার।

১ থেকে দেড় কিলোমিটার নদীর পর বিস্তৃত এলাকা নিয়ে আরেকটি চর জেগে উঠেছে। চেয়ারম্যান সালাম বলছেন সকল চরগুলো ফরেস্টরা দখল করে রাখছে। হাজার হাজার ভাঙ্গন কবলিত মানুষগুলো ওই চরে বসবাস করতে পারে। সরকার যদি ভোলার এই তারুয়া সৈকত  নিয়ে পর্যটক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে পারে তাহলে একদিকে যেমন দেশী -বিদেশী পর্যটকদের আকর্ষন করবে অন্য দিকে  এই এলাকার অর্থনীতির উন্নয়নের দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন নাগরিক সমাজ

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com