মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:৫০ অপরাহ্ন

“দেশরত্নের দীর্ঘায়ু ও সুস্হতা কামনা করেন জাবি ছাত্রনেতা মিনহাজ”

খবরের আলো  :
মনা,নিজস্ব,প্রতিনিধিঃ রাজপথের স্লোগান মাষ্টার মুজিব আদর্শের অকুতোভয় সৈনিক, জাহাঙ্গিরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্ত্বর থেকে বেড়ে ওঠা মেধাবি নেতৃত্ব মোঃ মিনহাজুল আবেদিন মিনহাজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন উচ্চ আদর্শ ও সাদামাটা জীবন যাপন এই হোক তোমাদের জীবনাদর্শ। এই নীতি মেনেই ছাত্র নেতা মিনহাজ সামনে এগিয়ে যেতে চান। লড়াই করছেন অপশক্তি অন্যায়, দূর্নীতি, মাদক এবং সাম্প্রদায়ীকতার বিরুদ্ধে। যার ফল স্বরুপ জাবি ছাত্রলীগের প্রথম মেয়াদের সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেলে তা সফল ভাবে পালন করেন। যার কৃতৃত্ব স্বরুপ বর্তমান ১নং সহ-সভাপতি পদে অগ্রহনি ভূমিকা পালন করছেন।
 ক্যাম্পাসের জনপ্রিয় এই ছাত্রনেতার সাথে কথা বলতেই, প্রথমেই তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্বরন করেন হাজারো বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, স্বাধীনতার মহান স্হপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারসহ ১৫ই আগষ্টের বিপথগামী একদল নিষ্ঠুর সেনাদের নির্মম বুলেটের আঘাতে সকল শহীদদের প্রতি। তিনি আরো স্বরন করেন জাতীয় চার নেতাসহ, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ সেনাদের, যারা জাতির পিতার আহ্বানে সারা দিয়ে দেশের জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছিলেন। মুজিব সৈনিক মিনহাজ আক্ষেপ করে বলেন এখনো জাতির জনকের হত্যার বিচার সম্পূর্ন হয়নি। পলাতক খুনিরা বিদেশি প্রভূদের আশ্রয়ে রয়েছে, তিনি কুটনৈতিকদের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন দ্রুত সময়ে তাদের দেশে এনে যাতে ফাসি কার্যকর সম্পূর্ন করা হয়, তার কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য অনুরোধ জানান। তিনি বলেন একাত্তরে জাতির পিতার নেতৃত্বে বাংলার মানুষ এ দেশকে স্বাধীন করেছেন, যার জন্য ত্রিশ লাখ মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে এবং হানি হয়েছে দূ’লাখেরও অধিক মা বোনের সম্ভ্রম। বঙ্গবন্ধু সব সময় সোনর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। আমরা নতুন প্রজম্মও সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি। বঙ্গবন্ধু খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের ভাগ্য ফিরানোর জন্য কাজ করে গেছেন, তার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তারই যোগ্য উত্তর সূরি বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তিনি সফলও হচ্ছেন। কিন্তু এখনো কিছু দুষ্কৃতকারি-অপশক্তি দেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন, তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলার জমিনে এই ষড়যন্ত্র শক্তভাবে দমন করা হবে ইনশাআল্লাহ।
এসব কুচক্রী মহলের লোকদের প্রতি তিনি একরাশ ঘৃনা ও তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন। ৫ই জানুয়ারীর পরীক্ষিত এই মুজিব সৈনিক মিনহাজ বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তার পরিবার। তিনি জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারন করে সফল রাষ্ট্রনায়ক দেশরত্নের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের গড়া সোনার দেশ বিনির্মানে সমৃদ্ধশালী, অসাম্প্রদায়ীক বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর। তরুন ছাত্রনেতা মিনহাজ বলেন- ঐতিহ্যবাহি ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মর্যাদা এবং সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে সততা ও একনিষ্ঠতার মাধ্যমে নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন বলে মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক দেশরত্ন শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন, সকল স্হানে রাজপথের ত্যাগী ছাত্র নেতাদের মূল্যায়ন করা হয় না। যাতে এ সকল ত্যাগি মেধাবি ছাত্রনেতাদের মূল্যায়ন হয় তার জন্য প্রিয় নেত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ জানান। ছাত্ররাজনীতিতে আসা কার উৎসাহে জানতে চাইলে সংগ্রামি এই ছাত্রনেতা অকপটে বলেন আওয়ামী পরিবারের সন্তান আমি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসি বাবার উৎসাহ উদ্দিপনায় মূলত ছাত্ররাজনীতিতে আসা। তার বাবা দক্ষিণ বাংলার ঐতিহ্যবাহি বিদ্যাপীঠ সরকারি শের-ই-বাংলা ডিগ্রী কলেজের সহকারি অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলা শাখার বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গভেষনা পরিষদের বিপ্লবী সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ঐতিহ্যবাহি এই কলেজের বিভিন্ন কালচারাল প্রোগ্রামে দৃষ্টিনন্দন ও শ্রুতিমধুর জ্বালাময়ী ভাষন দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে ১০ ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, ১৭ই মে বঙ্গকন্যার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, ১৭ই মার্চ জাতির পিতার জন্মদিন এবং ১৫ই আগষ্ট, জাতির পিতার মৃত্যুবার্ষিকীতে যে আলোচনা-বক্তিৃতা তিনি করে থাকেন, তা কলেজ প্রাঙ্গনের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মচারির মাঝে নতুন ভাবে প্রাণ সঞ্চার সৃষ্টি হয় বলে সংশ্লিষ্ট সকলে মনে করেন। ছাত্ররাজনীতিকে মনে লালন করে জাতীয় নেতার স্বপ্ন দেখেন তরুন এই ছাত্রনেতা। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত, উন্নয়নশীল রাষ্ট্র গড়তে বিশ্বনেত্রীর হাতকে আরো শক্তিশালি করতে কার্যকর ভূমিকা পালক করবেন বলে জানান। বিগত দশ বছরের দেশের সাথে বর্তমান দেশের বাস্তবতা তুলে ধরে বলেন, জননেত্রী দেশরত্নের নেতৃত্বে বাংলার মাটিতে যে উন্নয়ন আজ দৃশ্যমান তার ধারাবাহিকতা অদুর ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রুপকল্প ২০৪১ ভিশন বাস্তবায়নে সামনে থেকে অগ্রহনি ভূমিকা পালন করবেন বলে এই মুজিব সৈনিক আশা রাখেন। পরিচ্ছন্ন এই ছাত্রনেতা অভিমান নিয়ে বলেন জাতির পিতাকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি কিন্তু আমার নেত্রী বেঁচে থাকতেও কি তার সাথে দেখা হবে না! কথা হবে না! তা কি করে হয়? আবেগপ্লুত হয়ে কান্নাজড়িত কন্ঠে কথা গুলো বলছিলেন। প্রিয় নেত্রীর সাথে সাক্ষাৎলাভের জন্য দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানান তিনি। রেসকোর্সের ময়দানে ৭ই মার্চের জাতির পিতার ঐতিহাসিক ভাষন থেকে অনুপ্রেরনা ও উদ্দিপনা খুজে পান বলে মনে করেন। ১৫ই আগষ্ট এলে যেখানে জাতি শোক পালনে মুহ্যমান সেখানে ব্যাতিক্রম এই ছাত্রনেতা। ইতিহাসের কালজয়ী শোকাবহ মাসটি এলেই মিনহাজ অনুধাবন করেন গভীর এক অদৃশ্য শক্তি। যে শক্তি নিয়ে লড়ে যেতে চান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে আর অপশক্তির বিরুদ্ধে। নিজেকে উৎসর্গ করতে চান দেশ ও দশের সেবায়, হাটতে চান বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই। তিনি দেশবাসি ও সকলের কাছে দোয়া প্রত্যাশি যাতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বঙ্গবন্দুর আদর্শকে ধারন করে, সবার উৎসাহ ও সহযোগিতায় দূর্বার গতিতে সামনে এগিয়ে যেতে পারেন। তিনি তার প্রিয় নেত্রীর সুস্হতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং ঐক্যবদ্ধভাবে সোনার বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে আহবান জানান। আমরা আশা রাখি এই তরুন ছাত্রনেতা মিনহাজ আগামী প্রজম্মের নিবেদীত প্রাণ হয়ে উঠুক। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com