জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৫৫দিন
:
১৯ঘণ্টা
:
৪৩মিনিট
:
৩৭সেকেন্ড

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২০, ০৩:১৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
অসহায়-দুস্থ কর্মহীনদের পাশে বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী সাধারণ ছুটিতে বাড়ল ব্যাংক লেনদেনের সময় দিল্লিতে তাবলিগ থেকে ৯ হাজার ভারতীয় করোনার ঝুঁকিতে করোনাভাইরাসের মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ২০ কোটি টাকা দেবে পুলিশ ‘কিছুদিনের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হবে ১০ লাখ মানুষ’ প্রত্যেক উপজেলা থেকে অন্তত দুইজনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ তিন মাসের বাড়ি ও দোকান ভাড়া মওকুফ করতে হবে :মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ আরো দুজন আক্রান্ত, নতুন কোনো মৃত্যু নেই সংসদ ভবনে হচ্ছে না সাবেক ভূমিমন্ত্রীর জানাজা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল: আইসোলেশনে দুই রোগীর মৃত্যু, করোনা সন্দেহে জটিলতা

একটু মানবিক সহযোগিতায় বেঁচে যেতে পারে একটি জীবন

খবরের আলো:

 

 

বুধবার, ০৪ মার্চ :একটু মানবিক সহযোগিতায় বেঁচে যেতে পারে একটি জীবন,আমি বাঁচতে চাই, দিতে চাই এসএসসি পরীক্ষা ও। সুন্দর আগামীর দিনগুলো নিয়ে দেখতে চাই স্বপ্ন। গরিব হিসেবে নয়, আমাকে মানুষ হিসেবে ভালবাসুন, একটু সাহায্য করুন, একটু হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসুন। আপনাদের সম্পদ কমে যাবে না, তবে আমার মত অভাগী হয়তো বেঁচে যাবে। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ব্রেইন টিউমার আক্রান্ত মোহাম্মদ তানভীর এই করুন আর জিতে ভারি হয়ে উঠেছিল হাসপাতালের পরিবেশ। আশপাশের বিছানার রোগী ও তার স্বজনরাও এমন কথা শুনে ঝরঝর চোখের পানি ছেড়ে কেঁদেছেন। ‌ বেঁচে থাকার এমন আর্তনাদ শুধু অসুস্থ তানভীরের এই নয় গোটা পরিবারেরও। তবে আর্থিক দিক দিয়ে অসচ্ছল এই পরিবারের কাছে কান্না আর আর্তনাদ জানানো ছাড়া যেন আর কিছুই করার নেই। তবে আশা ছাড়েননি, পরিবারটি এখনো স্বপ্ন দেখেন সুস্থ হয়ে আবারো হাস্যজ্জল ভাবে চলাফেরা করবেন তাদের আদরের ছেলে তানভীর। পরিবারের মধ্যে সবার ছোট হওয়ায় খুব আদরে এই তানভীর। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই শরীরে বেধেছে ব্রেইন টিউমারের মতো রোগ। এ বছরই নুরজাহান ইন্টার্নেশনাল স্কুল এর দশম শ্রেণীর ছাত্র আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা তার। ফুলের মতোই দেখতে ছেলেটা। অনেক আনন্দ নিয়ে আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষা দেবার স্বপ্ন দেখছিল ছেলেটা কিন্তু ব্রেইন টিউমারে অম্লান হয়ে যাচ্ছে তার স্বপ্ন। পরীক্ষা তো পরের কথা এখন জীবন-মৃত্যুর সাথে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করছেন সে। কবে থেকে এই রোগ বাসা বেধেছে শরীরে জানে না পরিবারও। গোটা পরিবারের উপর যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। কোথা থেকে আসবে চিকিৎসা কয়েক লক্ষ টাকা তাও জানেনা পরিবার। তানভীর এর বাবা পেশায় একজন সামান্য চা বিক্রেতা। চিকিৎসা ব্যয় তো দূরে থাক পরিবার-পরিজন ও ছেলের পড়ার খরচ চালাতে সে হিমশিম খেতে। এখন কিভাবে আসবে এই চিকিৎসা ব্যয়, তাই সে এখন ঘুরছেন মানুষের দ্বারে দ্বারে। তানভীর এখন ভর্তি আছেন নিউরো সাইন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। যার সাধ্য আছে এমন সবাইকে অনুরোধ জানাবো পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে। সুস্থতার মধ্য দিয়ে তানভীরের পরিবারের স্বপ্নটা বেঁচে থাকুক। তানভীরের বাবা আলী হোসেন স্বপ্ন দেখেন সুস্থ হবেন তার আদরের ছেলেটা। তানভীরের বাবা আলী হোসেন সবার কাছে অনুরোধ করেন আমার ছেলের জন্য সবাই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। পরিবারের সবাই শুধু আল্লাহকে ডাকছেন কোন দয়াবান ব্যক্তি কে আল্লাহ নিশ্চয়ই পাঠাবেন। যদি কোন দয়াবান ব্যক্তি এই অসহায় ছেলেটার পাশে দাঁড়াতে চান যোগাযোগ করুন তানভীরের বাবা আলী হোসেন এর সাথে। ‌‌ মোবাইল- ০১৯৬২৫৮৫০৮৫.

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com