জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৫৫দিন
:
১৯ঘণ্টা
:
৪৩মিনিট
:
৩৭সেকেন্ড

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন

কৱোনা দুর্গত মানুষেৱ পাশে সাজ্জাদুল মিৱাজেৱ সহযোগীতা অব্যাহত

খবরের আলো:
মোঃ মনিৱুজ্জামান মনি সিনিঃ ষ্টাফ ৱিপোর্টাৱ:শাহ আলী থানা যুবদলেৱ সভাপতি সাজ্জাদুল মিৱাজেৱ কৱোনাদুর্গত অসহায় মানুষেৱ মাঝে ত্ৰান সহযোগীতা অব্যাহত ৱেখেছেন ৷ তিনি নির্ভৱযোগ্য তথ্যেৱ মাধ্যমে সংবাদ সংগ্রহ কৱে অসহায় মানুষেৱ বাড়ীতে বাড়ীতে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন ৷
তাৱ ৱাজনৈতিক জীবন নিয়ে এই প্রতিবেদকেৱ সাথে একান্ত আলাপচাৱিতায় বলেন, আমাৱ রাজনীতিৱ হাতেখড়ি শৈশব কাল থেকে পাৱিবাৱিক ভাবেই ৷
সাজ্জাদুল মিরাজের পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।  তার আপন বড় ভাই মোঃ মোশাররফ হোসেন মশু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে জাগো দল থেকে রাজনীতি শুরু কৱেন। মোঃ মোশাররফ হোসেন মশু জাগো যুবদলের বৃহত্তর মিরপুর থানার প্রতিষ্ঠাতা কনভেনার ছিলেন পরবর্তীতে ভোটের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী যুবদলের বৃহত্তর মিরপুর থানার সভাপতি হয়েছেন।  তারপর ঢাকা মহানগর যুবদলের যু্গ্ন সাধারণ সম্পাদক দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৯১ স্বৈরাচারী বিরোধী আন্দোলনের পর উনাকে বৃহত্তর মিরপুর থানার বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।  বর্তমান তিনি ঢাকা মহানগর উত্তরের বিএনপির  সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করছেন। সাজ্জাদুল মিরাজের আরেক ভাই বৃহত্তর মিরপুর থানার এরশাদ শাসন আমলে যুবদল প্রতিষ্ঠাতা কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাজ্জাদুল মিরাজের বড় ভাবী “মনিরা মোশাররফ” স্বৈরাচারী এরশাদ আমল থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। প্রথমে তিনি বৃহত্তর মিরপুর থানার মহিলা দলের  সহ-সভাপতি তারপর ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক তারপর শাহ্আলী থানা মহিলা দলের সভাপতি ও এখন কেন্দ্রীয় মহিলা দলের শ্রম বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। সাজ্জাদুল মিরাজের পুরো পরিবার বিএনপির অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঙ্গে জড়িত।  বিএনপির পরিবার থেকে বেড়ে উঠা সাজ্জাদুল মিরাজ বড় ভাইদের সাথে ছোট কাল থেকেই মিছিল মিটিংয়ে যেত। স্কুল জীবন থেকেই স্বৈরাচারী এরশাদ সরকার আমলে ক্লাসের বন্ধু-বান্ধবদের কে আগ্রহ করাতেন বড় ভাইয়ের সাথে মিছিলে মিটিংয়ে যাওয়া জন্য। সাজ্জাদুল যখন অষ্টম শ্রেনিতে পড়াশোনা করে তখন থেকেই পুরোপুরি মিছিল মিটিংয়ে যাওয়ার আগ্রহি হয়ে পড়েন। ১৯৯৩ সালে ৮ নং ওয়াডের ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন।  পড়াশোনায় ক্লাসে সবচেয়ে ভালো ছাত্র হলেও রাজনৈতিক পরিবার হওয়ার কারনে সাজ্জাদুল মিরাজ পুরোপুরি রাজনৈতিক সঙ্গে যুক্ত হয়ে পরেন। এস,এস,সি ৪টা লেটার নিয়ে পাশ করার পরও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনীতিকে ভালোবাসার কারনে মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ভর্তি হওয়ার সাথে সাথেই ছাত্রলীগকে কলেজ থেকে উৎখাত করেন এবং নিজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। পরিবারের রাজনৈতিক মহল সব কিছু বিবেচনা করে বা দলে পোস্ট পজিশন নিতে সাজ্জাদুল মিরাজ আমলে নেয়নি।
বড় দুই ভাই  মোঃ মোশাররফ হোসেন মশুর ঢাকা শহরে তৈরি করা গোছানো বিশাল কর্মীবান্ধব মধ্যে সাজ্জাদুল মিরাজ ঐ সময় চিন্তা করেনি যে, রাজনীতি মানে এই নয় যে পোস্ট পজিশন নিয়ে রাজনীতি করতে হবে…..  রাজনীতি মানে দলকে ভালোবাসা দলের একনিষ্ঠ কর্মী হয়ে থাকা। তাই মিরাজ দলের ভালোবাসা বুকে ধারন করে সক্রিয় ভাবে দলের অনেক মুল্যবান সময়গুলো তে অংশগ্রহণ করেছিলেন।  বিএনপির রাজনীতিতে  মিরাজ সবসময়ই চিন্তা করতো দলে পোস্ট পজিশন মানে দলকে ভালোবাসা নয় বরং দলের নাম ব্যবহার করে নিজের সার্থ হাছিল করা। ১৯৯৫/৯৬ সালে যখন অসহযোগ আন্দোলন হয় তখন সাজ্জাদুল মিরাজ মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বিশাল মিছিল নিয়ে অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন। ঐ ছাত্র আন্দোলনে সারা দেশব্যাপী ব্যপার প্রচার প্রচারনা হয় মিরাজের নাম। পরবর্তীতে ৯৬ আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতা আসার পর আওয়ামী সরকার ঐ আন্দোলনের ফুটেজ সংগ্রহ করে জাতীয় পত্রিকাগুলো তে প্রতিনিয়ত নিউজগুলো ফলাও করেন। মিরাজ কলেজ রাজনীতি করার সুবাদে  নাসিরউদ্দিন পিন্টু তৎকালীন ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি হওয়ার সুবাদে কিছুটা পরিচয় থাকলেও জাতীয় পত্রিকাগুলেতে প্রতিদিন নিউজ হওয়ার পরিপ্রেক্কিতে  নাসিরউদ্দিন পিন্টু সাথে রাজনীতিতে পুরোপুরি জড়িয়ে পরেন। ৯৬ আওয়ামী সরকার আমলে বিএনপি পন্থিদের একের পর এক মিথ্যা হয়রানি আগ্রাসনের বিএনপির অনেক নেতাই এই দেশে টিকতে না পেরে বিদেশ পাড়ি জমিয়েছিলেন। মিরাজও বিদেশে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন।  বিদেশে চলে যাবার পর মিরাজের এক ভাইকে হত্যা এবং মায়ের মৃত্যু কোনটাই তৎকালীন আওয়ামী সরকার প্রতিহিংসার  হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার কারনে দেশে আসতে পারেনি।
বিদেশে থাকাকালীন অবস্থায় বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর মিরাজ আর দেশে আসার সুযোগ হয়নি। নিজ দলের প্রতিহিংসার রাজনৈতিক দ্বন্দে জড়িয়ে পড়েন। ২০০৪ সালে  মিরাজ দেশে আসলেও সুবিধাভোগী কিছু রাজনৈতিক নেতার কারনে বিএনপি সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন পুলিশী হয়রানি হতে থাকেন। যে দলের কারনে দেশ ছেড়ে ছিলেন এবং মা ও ভাইয়ের কবর পযন্ত দিতে পারেননি সেই দলের একজন নিবেদিত কর্মী হয়ে আবার সেই প্রতিহিংসার স্বীকার। তারপর ও দলকে ভালোবেসে গিয়েছেন। দেশে আবার রাজনৈতিক  গন্ডোগোল বিএনপি সরকারকে উৎখাত করার জন্য আওয়ামী মরিয়া।  অথচ বিএনপির ক্ষমতা থাকাকালীন সময় যারা সুবিধা নিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করেছে ঐ সময় তাদেরকে আর খুজে পাওয়া যায়নি। বিএনপির সেই দুঃসময়ে ৯৫/৯৬ সালের মতোই ২০০৫ সালে আগলে ধরে রেখেছেন। এই বিপদে বিএনপির পাশেই ছিলেন বিএনপির সুসময়ে যারা ছিলেন তাদেরকে আর দুঃসময়ে দেখা যায়নি। ১/১১ একে একে সেনাবাহিনীর হাতে এরেস্ট হতে থাকলেন নেতাৱা। তারপর সাজ্জাদুল মিরাজ দেশ ও দলের ক্ৰান্তিলগ্নে মিছিল মিটিংয়ে আবার অংশগ্রহণ করতে লাগলেন।
পোস্ট-পজিশন বিহীন রাজনীতির মাঠে মিরাজ সেই নব্বই দশকের মতো নিবেদিত মন-মানসিকতা নিয়ে রাজপথে রাজনীতি করার মন থাকলেও সময় ও রাজনৈতিক পেক্ষাপট সব কিছুই নষ্ট করে দিয়েছে। এখন আর কারো মধ্যে দেশপ্রেম নেই,  দলের প্রতি আনুগত্য নেই সবাই রাজনীতির মাঠে আসার আগে পোস্ট পজিশন খুজে।  যেন পোস্ট পজিশন মানেই রাজনীতি আর রাজনীতি মানেই পোস্ট পজিশন।
সময় মানুষকে কতো কি পরিবর্তন করে দেয়।  যাই হোক, সাজ্জাদুল মিরাজ ১/১১ সামরিক শাসনের আমলে নির্বাচন থেকে শুরু করে প্রতিটা রাজনৈতিক কর্মসুচীতে সাজ্জাদুল মিরাজ সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। আওয়ামী লীগের প্রথম ধাপে বিএনপি-পন্থীরা একটু শান্তিতে থাকলেও দ্বিতীয় ধাপে আবার আগে ন্যায় মামলা হামলা সম্মুখীন হতে হয়েছে। মিরাজের তখন কোন রাজনৈতিক পোস্ট পজিশন না থাকলেও ২০১৪ সালে ডিসেম্বরের ২৭ তাং রাতে যৌথ বাহিনী মিরাজের বাসায় হামলা চালিয়ে সবকিছু তছনছ করে দেয়।  সেই সময় রাজনৈতিক পরিচয় ধারী অনেক নেতাই এই হামলা থেকে বেঁচে গিয়েছিল। সেই সময় যারা দলের প্রতি অনুগত ও নিবেদিত তাদের বেছে বেছে ব্লক ৱেড দিয়েছে। ২০১৫ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ আবার সরকার গঠন কৱেন। জুলুম ও নির্যাতনে আরেক ধাপ শুরু হয় ৷ একেৱ পর এক মিথ্যা মামলা হয় তাৱ নামে ৷ যদিও কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই তারপরও মামলায় কোন অংশে পিছিয়ে নেই সাজ্জাদুল মিরাজ।
দলের সুসময়ে পাশে না থাকলেও দুঃসময়ে ঠিকিই এই সাজ্জাদুল মিরাজ পাশে থেকেছে। অথচ যারা দলের সুসময়ে অনেক অনেক সুবিধা নিয়েছে তাদের কেই বরং খুজে পাওয়া যায়নি।
২০১৭ সাল ঢাকা মহানগর যুবদল উত্তরের কমিটি গঠিত হয় ৷ পৱে তাকে শাহ আলী থানা যুবদলের  সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় সাজ্জাদুল মিরাজকে।
তিনি বলেন আমি আমাৱ সামর্থ্য অনুযায়ী সব সময় অসহায় মানুষেৱ পাশে দাঁড়াব ৷ এবং ভবিষ্যৎ এ শাহ আলী থানাৱ সাধাৱন মানুষেৱ স্বার্থে অগ্রনী ভুমিকা পালন কৱব ইনশাআল্লাহ ৷

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com