জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৫৫দিন
:
১৯ঘণ্টা
:
৪৩মিনিট
:
৩৭সেকেন্ড

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন

মাধবপুরে বুল্লা বাজার ইসকন মন্দিরের পরিচালকের ছেলে সজিত দাস এর ফেসবুক স্ট্যাটাস সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্বের প্রতি উস্কানিমূলক

খবরের আলো:

 

 

মোঃ নজরুল ইসলাম খান,মাধবপুর(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক দেশ। এখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধসহ বহু ধর্মের লোক মিলে -মিশে একত্রে বসবাস করে আসছে। এবং এ দেশে ৯০ভাগের বেশি মানুষ মুসলমান হওয়ার পরেও অন্যধর্ম অনুসারীদের উপর কোন ধরনের জুলুম -নির্যাতন করা হয় না। কেননা ইসলাম অন্যায়ভাবে অন্য ধর্মের লোকদের উপর জুলুম নির্যাতন করাকে সমর্থন করে না।
বাংলাদেশ সরকার সংখ্যালুঘুদেরকে বহু ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছে, যেটা প্রমান করে এ দেশ সাম্প্রদায়িক দেশ।
কিন্তু দুঃখের বিষয় বর্তমানে বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মের উগ্রপন্থি ইসকন নামের একটি ধর্মীয় সংগঠন রয়েছে। যারা চাই না এদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকুক। কেননা এদেশে হিন্দু মুসলিম যত দ্বন্দ্ব হয়েছে এর পিছনে তাদের হাত রয়েছে। যেমন গত বছর ভোলার বুরহানুদ্দিনে  ইসকন সদস্যের ইসলাম ধর্মের নবীকে ব্যঙ্গ করে ফেসবুক স্ট্যাটাস,এরপর সারা দেশে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। তারা চাই এদেশে সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব লেগে থাকুক। তাদের এ চেষ্টায় ২রা মে দিবাগত রাতে মাধবপুরে বুল্লা ইউনিয়নের বুল্লা বাজারে ইসকন মন্দিরের পরিচালকের ছেলে সজিত দাসের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে এটা প্রকাশ পায়।
বুল্লা গ্রামের মুসলিম হিন্দু মিলে-মিশে খুবই ভালোভাবে বসবাস করছে। এখানে সংখ্যালুঘু হিন্দুরা শান্তিতে বসবাস করছে। কেউ তাদের উপর কোন ধরনের জুলুম -নির্যাতন করেনি।
কিন্তু ইসকন মন্দিরের পরিচালকের ছেলে সজিত দাস মিথ্যাভাবে মুসলিমদেরকে দোষারোপ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছে। যেটার মাধ্যমে এলাকায় আবার মুসলিম হিন্দুদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হতে পারে। দুদিন যাবত এ বিষয় নিয়ে ফেসবুকে খুবই লেখালেখি হচ্ছে, যেটা সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করতে পারে।
কেননা বুল্লা বাজারে ইসকন মন্দির প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কয়েক বছর পরে মুসলিম-হিন্দু  ঝগড়া হয়েছিল আর এই ঝগড়ার পিছনে তাদের কথা এবং কাজই দায়ি ছিল। যে ঝগড়াটা আন্তর্জাতিক মেডিয়ায় পর্যন্ত প্রচার হয়েছিল।
তাই এলাকার সচেতন মহলের দাবি আবার যেন এলাকায় এমন অবস্থা সৃষ্টি না হয়। অতিতাড়াতাড়ি এই ব্যাপারে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, কেন সে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চাইবে।
এবং যারা সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করতে চাই তাদেরকে আইনের আওতায় আনা, যাতে করে আমাদের এই সোনার বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব যেন কেউ সৃষ্টি করতে না পারে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com