মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:২৯ অপরাহ্ন

করোনায় ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে জোর দিচ্ছে প্রাইম ব্যাংক

খবরের আলো:

 

 

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে:করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সারা দেশে চলছে অলিখিত লকডাউন। ধাপে ধাপে বাড়ছে সাধারণ ছুটি।  ছুটির মধ্যেও গ্রাহকদের আস্থার প্রতিদান দিচ্ছে প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড।

করোনার মতো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও শাখা ব্যাংকিং নেটওয়ার্কের পাশাপাশি শক্তিশালী অনলাইন সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করছে ব্যাংকটি।  গ্রাহক চাইলে ঘরে বসেই ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে অনলাইনে যেকোনো সেবা পেতে পারেন। ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের আওতায় টাকা পাঠানো, যেকোনো ব্যাংকের ক্রেডিট বিল, বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল পরিশোধের সুবিধা আছে প্রাইম ব্যাংকে। যেকোনো ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডে টাকা উত্তোলন সুবিধা তো আছেই।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৫ কোটি টাকা দিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। পাশাপাশি নিজেদের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তায় মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, গ্লাভসহ সব ধরনের সুরক্ষা সরঞ্জামের ব্যবস্থা রয়েছে। ব্যাংকের শাখা ও এটিএম বুথ কিছুক্ষণ পরপর জীবাণুমুক্ত করা হয়। কর্মীদের অফিসে আনা-নেওয়ার জন্য প্রাইম ব্যাংক নিজস্ব যানবাহনের ব্যবস্থা করেছে।

১৯৯৫ সালে যাত্রা শুরু করা প্রাইম ব্যাংকের শাখা ১১৭টি। কর্মীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করে রোটেশন পদ্ধতিতে ৪৫টি শাখা চালু রেখেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। যদিও মহামারি করোনাভাইরাসের মতো সংকটে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের জোর দিচ্ছেন প্রাইম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী রাহেল আহমেদ।

রাহেল আহমেদ বলেন, ‘এ ধরনের সংকট আমাদের শিক্ষা দেয়—আগামীতে ব্যাংকের বড় বড় শাখা খোলার চিন্তুা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ছোট ছোট শাখা, বুথ ও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে নজর দিতে হবে। ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে জোর দিতে হবে। এখন আমরা দেখছি, যে যত বেশি ডিজিটাল সেবা দেবে, সে তত এগিয়ে যাবে।’

কর্মী সুরক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ বছরের শুরুতেই তারা কর্মীদের জন্য স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সাধারণ ছুটি ঘোষণার আগে থেকেই আমরা তাদের রোটেশন ডিউটির ব্যবস্থা করেছি। যেসব কর্মী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছেন তাদের অফিসে না আসার জন্য বলা হয়েছে।’

ব্যাংক সূত্রে আরো জানা যায়, প্রাইম ব্যাংক শুরু থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসারে কাজ করে যাচ্ছে।  কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসারে কর্মীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি নিশ্চিত করা হয়েছে স্বাস্থ্য বীমা ও সাধারণ ছুটির সময়ে কর্মরত বাড়তি প্রণোদনা। অর্থাৎ, সাধারণ ছুটির সময় ১০ দিন কাজ করলে যেকোনো কর্মী এক মাসের বেতন বাড়তি পাচ্ছেন।  করোনা আক্রান্ত যেকোনো কর্মকর্তার যাবতীয় চিকিৎসা খরচ পুরোপুরি ব্যাংক বহন করছে।

গ্রাহকের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় প্রতিটি শাখায় হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ করোনা প্রতিরোধী জীবানুনাশক দেওয়া হচ্ছে। শাখাগুলোর প্রবেশমুখে সাবান ও পানি রাখা হয়েছে সকলের হাত ধোয়ার জন্য। অনেক শাখায় আছে থার্মাল স্ক্যানারও। গ্রাহক সেবায় শিগগিরই ব্যাংকটিতে চালু হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com