জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৫৫দিন
:
১৯ঘণ্টা
:
৪৩মিনিট
:
৩৭সেকেন্ড

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২০, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন

চুয়াডাঙ্গায় আ. লীগ ও যুবলীগের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত ১০

খবরের আলো:

 

 

শনিবার, ০৯ মে : চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার খাড়াগোদা বাজারে আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের বিবদমান দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় গ্রুপের ১০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নবগঠিত গড়াইটুপি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলামের সাথে একই ইউনিয়নের যুবলীগের সভাপতি রাশেদুজ্জামান পলাশের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জের ধরে ইতিপূর্বেও দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে কয়েক দফায় হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। একে অফরের নামে মামলা পাল্টা মামলার ঘটনাও আছে ডজন খানেক।

প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক সূত্র জানায়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে আওয়ামীলীগ নেতা জাহিদুল ইসলামের কর্মী লিটন ও যুবলীগ নেতা রাশেদুজ্জামান পলাশের সমর্থক রকির মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এরই জের ধরে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে খাড়াগোদা বাজারে জাহিদুল ইসলামের নেতাকর্মীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে রাশেদুজ্জামানের ওপর হামলা করে। এ সময় দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দফায় দফায় হামলা পাল্টা হামলায় গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়। এদের মধ্যে গড়াইটুপি ইউনিয়ন কৃষকলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ঝন্টু মণ্ডল ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি লিটন আলীর অবস্থা গুরুতর। তাদেরকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে যুবলীগ সভাপতি রাশেদুজ্জামান পলাশের অভিযোগ, আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পনা নিয়ে আওয়ামীলীগ নেতা জাহিদুল ও শুকুর আলীর নেতৃত্বে ৫০/৬০ জন অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। এতে আমি প্রাণে বেঁচে গেলেও তার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছে।

তবে আওয়ামীলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম পাল্টা অভিযোগ করে জানান, পলাশের উন্ধনেই আমার কর্মী লিটনের ওপর হামলা চালানো হয়। বিকালে আমরা কয়েকজন বিষয়টি জানতে গেলে তারাই সংঘবদ্ধ হয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমার পক্ষের ৪ জন আহত হয়েছে।

দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ মাহব্বুর রহমান সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষের পরই ওই এলাকায় অতি: পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দুই পক্ষই মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com