জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৫৫দিন
:
১৯ঘণ্টা
:
৪৩মিনিট
:
৩৭সেকেন্ড

বুধবার, ০৩ জুন ২০২০, ০২:৩০ অপরাহ্ন

মিরপুর, ৬ নং মাদকাসক্ত ‘সোবার লাইফ’ চিকিৎসার আরালে অনৈতিক কান্ড।

খবরের আলো:

 

স্টাফ রিপোর্টার :আসরাফ বাবু: প্রতিনিধি।

 

মিরৃপুর, ৬ নং- সেকশন ব্লক নং-ডি রোড নং- ২০ বাড়ি নং-৩২ পল্লবী, মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র টি,”সোবার লাইফ” নামে অবস্থিত।

এই মাদকাসক্ত নিরাময়,সোবার লাইফ,কেন্দ্রকে ঘিরে,দীর্ঘদিন যাবৎ মহল্লায় জন মনে রয়েছে হরেক রকম প্রশ্ন? তারই ধারাবাহিকতায়,”খবরের আলোর,” সংবাদ কর্মিরা মাঠে নামেন,সংবাদ সংগ্রহের জন্য ।

মাদকাসক্ত, সোবার লাইফ,নিরাময় কেন্দ্রটির ভিতরে  আসলে কি হচ্ছে,? সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আমরা একজন, ভুক্তভোগীর, অভিযোগ পাই,

অভিযোগ কারীর নাম :সাদিয়া সুলতানা ওড়না, তার স্বামীর নাম: মনোয়ার হোসেন রানা,পেশায় একজন ব্যবসায়ী, পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দ্বন্দ্বে আপন চার ভাইয়ের মধ্যে, বনিবনা হচ্ছিল না,

এমতা অবস্থায় মনোয়ার হোসেন রানার, আপন ভাইদের মধ্যে চলে বিশ্বাস ঘাতকতার পরিকল্পনা, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা,মাদকাসক্ত “সোবার লাইফ “নামে নিরাময় কেন্দ্রের, পরিচালক  ইমাম হোসাইন রনি,পরিচালক,বাবু ওরফে টাইগার বাবু নামে পরিচিত,ইনাদের সহযোগীতায়,স্বামী মনোয়ার হোসেন রানা, কে বন্দি করে রাখছেন,

অভিযোগকারী সাদিয়া সুলতানা ওড়না, যখন জানতে পারে তার স্বামী মনোয়ার হোসেন রানা, মিরপুরের মাদকাসক্ত  “সোবার লাইফ ” নিরাময় কেন্দ্রে রাখা আছেন,  সে তখন ছুটে চলে যান,  “সোবার লাইফ”  মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে,

তখন সে মানোয়ার হোসেন রানার, ইস্ত্রি বলে পরিচয় দেন, তা সত্তে ও তাকে তার স্মামীর সংগে দেখা করতে দেওয়া হয়নাই, এমন কি,পরিচালক, বাবু সাহেবের পা পযর্নত ধরে কাদেন,তার পর ও তাকে একটু দেখা করতে দেওয়া হয় নাই।

অভিযোগ কারি আরো বলেন, পরিচালক, ইমরান হোসেন রনি,র সংগে দেখা করেন, তিনিও একয় ভাষায় কথা বলেন, পরিচালক, রনি,।  ভুক্তভোগী বলেন,  আমি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা তা,সত্বেও ওরা আমাকে আমার স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে দিলেন না।

তারা জবাবে যানান, দেশে বর্তমানে মহামারি করোনা ভাইরাস এর কারনে,  তাকে করেনটাইন এ রাখা হইছে। বলে যানান,। খবরের আলো : সাংবাদি মোঠ ফোনে, পরিচালক ইমাম হোসেন রনির কাছে ঘটনা সত্যা যানতে চাইলে সে নিজেও একজন সাংবাদিক  বলে হুমকি দেন। আর বলেন আমি পরে এ ব্যাপারে কথা বলবো, বলে এরিয়ে যান।

স্ত্রী সাদিয়া সুলতানা ওড়না, কেঁদে কেঁদে বলেন আমি কি আমার স্বামীর দেখা কি আর পাব না?  আমার গর্ভের সন্তানের, এখন কি হবে? আমি দেশের অনেক যায়গা গিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি,তাই আমি দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট,  বিচার চাই, আর তা না হলে , আমার মৃত্যু ছাড়া কোন পথ থাকবে না।

খবরের আলো:  চলমান, ১

 

 

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com