নড়াইল সদর উপজেলার চণ্ডিবরপুর ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামের মো. সোহেল রানা (৩০) নামের এক ব্যক্তি বিয়ের মাত্র ১৩ দিন পর স্ত্রী স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় তিনি নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ পারিবারিকভাবে ও ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক মো. সোহেল রানার সঙ্গে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নলদী থানার সারুলিয়া এলাকার মো. নবাব আলীর মেয়ে মোছা. সৈয়দা নাবিলা পারভীন (১৯)-এর বিয়ে হয়।
বিয়ের পর তারা সংসার করছিলেন। তবে ৩১ আগস্ট ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে, সোহেল রানা বাড়িতে না থাকার সুযোগে তার স্ত্রী কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
সোহেল রানার অভিযোগ, এ সময় তার স্ত্রী ঘরে থাকা বিভিন্ন স্বর্ণালংকার এবং নগদ ৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা নিয়ে যান। অভিযোগপত্রে স্বর্ণালংকারের মধ্যে চেইন, কানের দুল, হাতের বালা, নেকলেস, টিকলি, আংটিসহ বিভিন্ন অলংকারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে স্বর্ণালংকারের পরিমাণ প্রায় ৯ ভরি ২ আনা বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
স্ত্রী বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি ও যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগকারীর দাবি।
এ ঘটনায় বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নড়াইল সদর থানার ওসির কাছে আবেদন জানিয়েছেন মো. সোহেল রানা।
তবে অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলো অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যাবে।




