বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২০, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ধামরাইয়ে সুয়াপুর ইউনিয়নে ব্রীজের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন উপলক্ষে বিশাল জনসভা নাটোরে মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে ৪০ জন আটক মাধবপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান গাজীপুরে পোশাক নারী শ্রমিক গণধর্ষণের শিকার ত্রিশালে রাস্তার দূর্ভোগে লালপুর-কৈতরবাড়ী ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা হলে অপরাধীদের মধ্যে ভীতিও থাকবে: কাদের ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাহাড়পুর একিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিনব কায়দায় রোগীর সাথে প্রতারণা নবাবগঞ্জে অজ্ঞাত পরিচয় নারীর লাশ উদ্ধার মাধবপুরে করোনার ভাইরাসের সুযোগে বালু খেকোদের রমরমা ব্যবসা

সকলের প্রিয় নেতা নজরুল ইসলামের মনোনয়ন চায় সাতক্ষীরা-২ আসনে জনগণ

খবরের আলো :
শেখ আমিনুর হোসেন,সাতক্ষীরা ব্যুরো চীফ: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবছরের শেষের দিকে। নির্বাচনে প্রত্যেকটি সংসদীয় আসনে আওয়ামীলীগের বিজয় ধরে রেখে উন্নয়ন অগ্রযাত্রার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রধান লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য সফল করতে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ সরকারের উন্নয়ন চিত্র সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে গ্রাম থেকে গ্রামে করে চলেছেন উঠান বৈঠক। বাংলার উন্নয়নের অগ্রদূত, ৩ বারের সফল সরকার প্রধান বঙ্গবন্ধু্ কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সাধারণ মানুষকে নৌকায় ভোট দিতে ঐক্যবদ্ধ করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবে। এমনটিই মনে করেন সাবেক সফল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বর্তমান সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের বারবার নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম।
তাই তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নেতৃত্বাধীন জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে জনগণের দোয়ারে-দোয়ারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং উঠান বৈঠক করছেন। আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলামের জন্ম সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের উত্তর ফিংড়ী গ্রামে। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে অধ্যায়নকালে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন। তিনি সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদের কমনরুম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। শৈশব থেকে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক। মুজিব আদর্শকে বুকে ধারণ করে তিনি ব্যবসার পাশাপাশি জনসেবায় আত্ম নিয়োগ করেন। ১৯৯২ সালে তিনি ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ছাতা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। অবহেলিত ফিংড়ী ইউনিয়নকে গড়ে তোলেন তিলোত্তমা রূপে। এর আগে ১৯৮৪ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ফিংড়ী ইউনিয়ন ছিলো তখন আশাশুনি উপজেলার অধীনে। নজরুল ইসলাম আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন ১৯৮৪ সালে। ১৯৯৫ সালে জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দলকে গড়ে তোলেন মুজিব আদর্শের সৈনিক হিসেবে। ১৯৯৭ সালে আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিক দিক থেকে শক্তিশালী করেন। ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। নির্বাচনে পরাজয় বরন করলেও তিনি দলের ভিত্তি মজবুত করেছেন। ২০০১ সালের পয়লা অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিক নিয়ে অংশগ্রহন করেন। এবারও তিনি বিএনপি-জামায়াত জোটের কাছে পরাজীত হন। কিন্তু হাল ছাড়েননি নৌকার। শক্তহাতে নৌকার হাল ধরে এগিয়ে নিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগকে। বিএনপি-জামায়াত জোটের কাছে তিনি দুইবার পরাজিত হলেও ২০০৯ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে দ্বিগুন ভোটের ব্যবধানে জামায়াতের প্রার্থীকে পরাজিত করেন। সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হবার পর তিনি স্বচ্ছতা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। সে কারণে তাকে সততার প্রতীক বলা হয়। অবহেলিত সাতক্ষীরা উপজেলার প্রত্যেকটি জনপদকে গড়ে তোলেন উন্নয়নের মডেল হিসেবে। দুর্নীতিমুক্ত সদর উপজেলা পরিষদ গড়ে তুলে তিনি জন নন্দিত হয়েছেন। ২০০৪ সালে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন কালে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করেন। যে কারণে ২০১৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী তিনি পুনরায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী জামায়াত বিরোধী মুভমেন্ট তার ভূমিকা দলকে করেছে সুসংগঠিত। ১৯৯৫ সালে ফিংড়ী ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন কালে তিনি সততার প্রতীক হিসেবে শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত। পরবর্তীতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের হাত থেকে গ্রহন করেন রাষ্ট্রপতি পদক। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর তিনি সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। এছাড়া তিনি কাজী নজরুল স্বর্ণ পদক’ কবি জসিম উদ্দীন পদক’ মাদার তেঁরেসা পদকসহ অসংখ্য পদক ও পুরস্কার পেয়েছেন। জেলার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, পাঠাগারসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও সংস্কার করে সাতক্ষীরাকে আলোকিত করেছেন। জেলার শিক্ষা, সংস্কৃতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে তিনি হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাট, বন্দরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সংস্কার করেছেন। আলোকিত সাতক্ষীরা বিনির্মানে তার অবদান অপরিসীম। তিনি উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ০৯টি ওয়ার্ড এবং গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়ন ও সাফল্য উঠান বৈঠকে তুলে ধরার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের কথা জনগণের মাঝে তুলে ধরছেন। দেশের উন্নয়নের কথা ভেবে তিনি সকলকে আবারো নৌকার বিজয়ের মাধ্যমে উন্নয়নের কারিগর, ডিজিটাল বাংলার রূপকার, মাদার অব হিউম্যানিটি জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করতে সকল আমজনতাকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানাচ্ছেন। এব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা-২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব  নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি মনোনয়ন চাইবেন। দলের হাইকমান্ড চাইলে আগামী নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়ে জয়ী হবেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com