বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাধবপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান গাজীপুরে পোশাক নারী শ্রমিক গণধর্ষণের শিকার ত্রিশালে রাস্তার দূর্ভোগে লালপুর-কৈতরবাড়ী ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা হলে অপরাধীদের মধ্যে ভীতিও থাকবে: কাদের ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাহাড়পুর একিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিনব কায়দায় রোগীর সাথে প্রতারণা নবাবগঞ্জে অজ্ঞাত পরিচয় নারীর লাশ উদ্ধার মাধবপুরে করোনার ভাইরাসের সুযোগে বালু খেকোদের রমরমা ব্যবসা নৌকায় ভোট দেয়ার অপরাধে বিএনপি দলগতভাবেই এইসব অপকর্ম করেছিল -তথ্যমন্ত্রী বড়াইগ্রামে জোর পুর্বক ঘরবাড়ি ভাংচুর করে রাস্তা নির্মাণ

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার আপিলের শুনানি পিছিয়েছে

খবরের আলো:

মোঃ আমিনুল ইসলাম, গাজীপুর জেলা সংবাদদাতাঃগাজীপুরের প্রাক্তন সংসদ সদস্য ও জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি, আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে দুই পক্ষের করা আপিলের শুনানি ৮ সপ্তাহ পিছিয়েছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতেৃত্বে আপিল বিভাগ সোমবার এ আদেশ দেয়। আদালতে বাদীপক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজ উদ্দিন ফকির। ২০১৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর এ মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে হাইকোর্ট। এর আগে একই বছরের ১৫ জুন এই মামলায় বিএনপি নেতা নুুরুল ইসলাম সরকারসহ ৬ জনের মৃত্যুদন্ডের আদেশ বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।
এ ছাড়া নিম্ন আদালতে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত ৭ আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং মৃত্যুদন্ডে আদেশ প্রাপ্ত ৭ আসামি ও যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ পাওয়া ৪ আসামিকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় গাজীপুর সদর-টঙ্গি এলাকার তৎকালীন সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। এছাড়াও সেদিন নিহত হন ওমর ফারুক রতন নামের আরেক ব্যক্তি। এ ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল রায় দেয় ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। রায়ে বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনের মৃত্যুদন্ডের আদেশ এবং ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেয় আদালত।
২০০৫ সালে নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল হাইকোর্টে যায়। একই সঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করে। মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিকনেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি ১৯৯০ সালে গাজীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com