শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ১১:১৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মানিকগঞ্জে যুবলীগ নেতা সুমনের ব্যবস্থাপনায় দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ইদ বস্ত্র বিতরণ কোভিড যুদ্ধে এবার রণাঙ্গনে বিরুস্কা শ্রীপুরে ককটেল রেখে ব্যবসায়ীকে ফাঁসাতে গিয়ে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী তিন যুবক ও এক নারী আটক মানিকগঞ্জে বোরো ধানকাটার উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক অসহায় মানুষের পাশে ঈদ উপহার নিয়ে দাড়াল সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম সুমন বৃদ্ধা মাকে বাড়ি থেকে তাড়াতে দুই ছেলের অমানবিক নির্যাতন! বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা জটিলতা সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ রীতি ভেঙে স্বামীকে মঙ্গলসূত্র পরিয়ে বিয়ে, অতঃপর..! ইজারাদারদের দৌরাত্ম্য- সংশয় কাটেনি সন্দ্বীপবাসীর রাশিয়ার সেই এক ডোজের টিকা উৎপাদন হবে ভারতে

ক্যাপসিক্যাম চাষে কৃষকের ভাগ্য বদল

খবরের আলো রিপোর্ট :

 

 

সবজি চাষে অপার সম্ভাবনা ভোলার চরাঞ্চলগুলো। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে চরাঞ্চলগুলোতে বিদেশি সবজি ক্যাপসিক্যাম চাষ করে ভাগ্য বদল করছে কৃষকরা। গত কয়েক বছর ধরে ক্যাপসিক্যাম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন তারা। কম সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় এ সবজি চাষে চরের চাষিদের আগ্রহ বাড়ছে। তবে সরকারিভাবে বিশেষ কোন উদ্যোগ না থাকায় ক্যাপসিক্যাম চাষের বিপ্লব ঘটাতে পারছেন না চাষিরা।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মাঝে জেগে ওঠা চরাঞ্চলগুলো ধান, সয়াবিনের পাশাপাশি লাউ, শসা, করলা, চিচিঙ্গাসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছিলেন চাষিরা। গত ৪-৫ বছর আগে ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের মেঘনার মধ্যবর্তী মাঝের চরে মনির পাঠান নামের এক ব্যক্তি মাত্র ১০ শতক জমিতে ক্যাপসিক্যাম চাষের উদ্যোগ নেন। প্রথম বছরই তিনি বাম্পার ফলন পেয়েছিলেন। তার দেখাদেখি অন্যরাও ক্যাপসিক্যাম চাষে আগ্রহী হন। বর্তমানে ২০-২৫ জন ক্যাপসিক্যাম চাষ করছেন।

Capcicam-in-(1)প্রথম চাষি মো. মনির পাঠান বলেন, ‘আমি গত কয়েক বছর ধরে দেখেছি মাঝের চরে ক্যাপসিক্যাম চাষ করে অনেকে লাখ লাখ টাকা লাভ করেছে। এবছর আমিও নতুন করে ক্যাপসিক্যাম চাষ শুরু করেছি।’

Capcicam-in-(2)মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘আমার দেড় একর জমিতে ক্যাপসিক্যাম চাষ করতে আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এপর্যন্ত দেড় লাখ টাকার ক্যাপসিক্যাম বিক্রি করেছি। আকাশের অবস্থা ভালো থাকলে আরো ৫ লাখ টাকার ফলন বিক্রি করতে পারবো।’

চাষি নয়ন মিয়া, জামাল উদ্দিন ও মহিউদ্দিন বলেন, ‘গত বছর অসময় বৃষ্টি হওয়ায় কিছুটা পোকার আক্রমণ ছিল। এবছর বৃষ্টি নেই, তাই পোকার আক্রমণ নেই। গত বছর পাইকারি বাজারে দাম কম ছিল। এবছর কেজি প্রতি ১০০ টাকা। এবার অনেক লাভ হবে। তবে ক্যাপসিক্যাম চাষ ও বিদেশে রফতানিতে সরকারিভাবে কোন সহযোগিতা পাই না। পেলে চাষে বিপ্লব ঘটতে পারতাম।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বিনয় কুমার দেবনাথ বলেন, ‘বর্তমানে চাষিদের সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। চাষের পরিমাণ বাড়াতে ও সরকারিভাবে সহযোগিতার করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com