শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন

শপথ নিলেন সৈয়দ আশরাফের বোন লিপি

খবরের আলো রিপোর্ট :

 

 

শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্পিকারের সংসদের কার্যালয়ে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।এ সময় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এমপি এবং হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি উপস্থিত ছিলেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে নির্বাচিত হন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। কিন্তু শপথ নেয়ার আগে গত ৩ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করলে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনটি শূন্য হয়। এ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন সৈয়দা জাকিয়া নুর। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি প্রয়াত সৈয়দ নজরুল ইসলামের মেয়ে এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ছোট বোন।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় বিকেল ৫টার পর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী।ঐ দিন ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন । শেষ বিকালে নাটকীয় আবহ তৈরি হয়। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে বিকেল পাঁচটা ৪০ মিনিটে শেষ প্রতিপক্ষ গণতন্ত্রী পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট ভূপেন্দ্র ভৌমিক দোলন সশরীরে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে গিয়ে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় আসনটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি একক প্রার্থী হয়ে যান।

এর আগে শনিবার বিকালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে মো. মোস্তাইন বিল্লাহ তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। ফলে তার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র। সে অপেক্ষা সন্ধ্যার পর ঘুচিয়ে দেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী। তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা. জাকিয়া নূর লিপির বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এ আসনের সংসদ সদস্য হওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এই আসন থেকে বিপুল ভোটে জেতেন। ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতিবার বড় জয় পেয়ে আসছিলেন তিনি। ফলে আসনটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবেই পরিচিতি পায়।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রবাসী সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এই আসন থেকে ভোটে লড়তেন। ১৯৭৫ সালে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যার পর আশরাফ পারি জমান যুক্তরাজ্যে। ১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি দেশে ফিরে ভোটে লড়েন।

আশরাফের মৃত্যুর পর তার পরিবারেই মনোনয়ন রাখার সিদ্ধান্ত নেন শেখ হাসিনা, যদিও ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে এই আসনে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন মশিউর রহমান হুমায়ূন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com