রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ১২:৪৪ অপরাহ্ন

বরগুনার আমতলীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পুকুর ভরাট করে ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়ি নির্মাণ!

খবরের আলো :

 

 

মস্তফা কবির ,আমতলী(বরগুনা ) প্রতিনিধি: বরগুনা: বরগুনার আমতলী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের প্রায় ৫০ বছরের পুরাতন পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি সরকারি পুকুর ভরাট করে বাড়ি নির্মাণ করছেন মো: মজিবুর রহমান নামের কৃষি ব্যাংকের এক মাঠ পরিদর্শক। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক আমতলী শাখায় কর্মরত আছেন। তার দাবি, ওই এলাকায় অনেকেই এভাবে দখল করে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করে আছেন, তাই তিনিও সেভাবেই বাড়ি-ঘর নির্মাণ করছেন। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তারা বলছেন, মজিবুর রহমানকে লিখিত ভাবে নোটিশ দেয়া সত্বেও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অবৈধভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আমতলী পৌরসভাধীন ৩নং ওয়ার্ডের চাওড়া মৌজার ৯১৭ নং দাগের প্রায় ১০ শতাংশ জুড়ে একটি পুরানো পুকুর বালু দিয়ে ভরাট করে ফেলছে মজিবুর রহমান। পুকুরটি তরিগড়ি করে ভরাট করার পরই দেয়াল নির্মাণের কাজও শুরু করেছে তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকায় শত শত মানুষ বসবাস করছে এবং নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে পুকুরটি ব্যবহার করা প্রয়োজন। অথচ মজিবুর রহমার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অবৈধ ভাবে সরকারি পুকুরটি বালু দিয়ে ভরাট করে ফেলছে এবং সেখানে বাড়ি-ঘর নির্মাণ শুরু করেছে। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে কার্যকরি তেমন কোন পদক্ষেপ নেই।
এ ব্যাপারে মো: মজিবুর রহমান জানান, এ জমিগুলো এক সময় তাদের রেকর্ডিও সম্পত্তি ছিলো। পরে তা পানি উন্নয়ন বোর্ড অধিগ্রহন করে নেয়। তার দাবি, ওই জমি পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেরৎ দেয়ার কথা ছিলো, তাই তারা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে আবেদন করেছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনও জমি ফেরৎ দেয়নি, তাছাড়া একটি সরকারি পুকুর এভাবে ভরাট করা ঠিক হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মজিবুর রহমান বলেন, এ এলাকায় এভাবে অনেকেই বাড়ি-ঘর করে দীর্ঘদিন বসবাস করে আসছে।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের আমতলী উপজেলার দায়িত্বে নিয়োজিত উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো: আজিজুর রহমান জানান, মজিবুর রহমানকে এ ব্যাপারে লিখিত ভাবে নোটিশ দেয়া হয়েছে, কিন্তু তিনি কাজ বন্ধ করেননি। তিনি আরও জানান, কাজ বন্ধ না করলে তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com