বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

মূল বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে: ড. কামাল

খবরের আলো রিপোর্ট :

 

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত গণশুনানিতে অংশ নিয়ে ভোটের নানা অনিয়ম, কারচুপির বিবরণ দিলেন ফ্রন্টের প্রার্থীরা।

পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং গীতা ও ত্রিপিটক পাঠের মাধ্যমে গণশুনানি শুরু হয়। শুনানির শুরুতে চকবাজারের চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বিএনপি মহাসচিব ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিহতদের স্মরণে শোক প্রস্তাব পাঠ করেন।

গণশুনানির শুরুতে ড. কামাল বলেন, গণশুনানি হচ্ছে, প্রার্থীরা জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। বিচার হবে ট্রাইব্যুনালে। আর গণআদালত যেটা বলা হয়, সেটার বিচার জনগণ করবে। আমরা এসেছি অনুষ্ঠানটা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য। গণশুনানির মূল উদ্দেশ্য সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা জানোনো।

তিনি আরও বলেন, ভোটাধিকার রক্ষার জন্য আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম। সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদে লেখা আছে, জনগণ ক্ষমতার মালিক। এবার যে নির্বাচন হয়েছে, সেটা নিয়ে প্রার্থীদের অনেকে ট্রাইব্যুনালে মামলা আকারে ফাইল করেছেন। দলের নেতাদের ধারণা হলো, নির্বাচনে আসলে কী ঘটেছে, সেটা জনগণকে জানানো দরকার। কেননা, তারা ক্ষমতার মালিক হিসেবে ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন।

ড. কামালের বক্তব্যের পর মির্জা ফখরুল বলেন, ৩০ ডিসেম্বর দেশে একটি প্রহসনের নির্বাচন করা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকায় যা ইচ্ছা তা-ই করছে সরকার। তাকে কোনও কিছুর জন্যই জবাবদিহি করতে হয় না।

গণশুনানিতে সাত সদস্যের বিচারক প্যানেলে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদ, শিক্ষক অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারী, অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, ড. আসিফ নজরুল, সাবেক বিচারক আ ক ম আনিসুর রহমান খান ও আইনজীবী মহসিন রশিদ।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com