সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ১২:১৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
অন্ন বস্ত্রের সমাধানের পর গৃহহীনদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা -তথ্যমন্ত্রী   বিত্ত কখনো রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা -তথ্যমন্ত্রী বাইডেনের শপথের সব আয়োজন সম্পন্ন, নজিরবিহীন নিরাপত্তা শিগগিরই ভ্যাকসিন বিতরণ কার্যক্রম শুরু : সংসদে প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে অবৈধ ৩টি ইটভাটায়  ভ্রাম্যমান আদালতে ১১ লক্ষ টাকা জরিমানা নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা পরিষদের নির্বাচন ১৪ জানুয়ারি বেলকুচিতে আলোচিত পিতা-পুত্র হত্যা মামলার অন্যতম আসামী আটক স্পেনে তীব্র তুষারপাতে জনজীবন অচল: যান চলাচল বন্ধ সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষিকা শিউলী মল্লিকা গ্রেফতার দোহারে অবৈধ ড্রেজার পাইপ ভেঙ্গে দিল প্রশাসন 

“একাধিক অভিযানেও গ্রেফতার হয়নি শাহ্ আলী থানা এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী কাউন্টার রাসেল সিন্ডিকেট”

খবরের আলো :

 
স্টাফ রির্পোটার, মোঃ রুবেল হোসেন : রাজধানীর মিরপুর বিভাগের শাহ্ আলী থানা এলাকার চিহ্নিত কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী রাসেল ওরফে কাউন্টার রাসেল সিন্ডিকেট, চক্রটি চলমান অভিযানে ও গ্রেফতার হয়নি। সরেজমিনে ঘুরে জানা যায় ফজল মিস্ত্রির বড় ছেলে কাউন্টার রাসেল বাসা-৯, রোড-৭, ব্লক-নিউ সি, শাহ্ আলী তে বসে রাজত্বের সাথে মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছে। প্রশাসনের ৮টি গোয়েন্দা সংস্থাকে ফাঁকি দিয়ে ঘুরে ঘুরে মটর সাইকেল যোগে বিভিন্ন ব্লকের রোডে মাদক বিক্রি করছে বলে এলাকাবাসী জানায়। বিশস্তসূত্রে জানা যায় অবৈধ মাদক ব্যবসা করে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মাদক সিন্ডিকেট চক্রের মূল হোতা হয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে ও এলাকাবাসি জানায়। আরও এলাকার কয়েকজন গন্যমান্য ব্যক্তি বলেন মাদকের অবৈধ টাকা দিয়েই ফজল মিস্ত্রি ৫ তলা বাড়ির নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করে বর্তমানে টাকার গরমে কাউন্টার রাসেল এলাকার লোকজনকে পরোয়া করছে না। মাদক ব্যবসায়ী কাউন্টার রাসেলের ব্যপারে জানতে চাইলে ৯৩ নং ওয়ার্ড ৫ নং ইউনিটের সভাপতি মোঃ নাজির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবদুস সোবহান মিয়া সহ ৭ নং রোডের ২৮ নং বাড়ীর মালিক মোঃ মোসলেম উদ্দিন এ প্রতিনিধিকে বলে দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ ফজল মিস্ত্রির ছোট ছেলে রাজিব ও কাউন্টার রাসেল মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছে এলাকাতে বসে আমরা এলাকাবাসী এই মাদক ব্যবসায়ীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছি। তাই এলাকাবাসী এবং নিউ সি ব্লকের বাড়ীর মালিকগনরা একত্রিত হয়ে শাহ্ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন মিয়ার বরাবরে এবং স্থানীয় ঢাকা ১৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আসলামুল হক আসলাম বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। জানি না, এখনও প্রকাশ্যে কি করে স্বাধীন রাষ্ট্রে স্বাধীনভাবে ঘুরে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন ব্লকের রোডে মাদক বিক্রয় করছে ধুমছে। কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী কাউন্টার রাসেলের হাত নাকি অনেক লম্বা। তাহলে আমরা কি মনে করব কাউন্টার রাসেল কি আইনের উর্দ্ধে ? গোপনে তার পিছনে আরও কারা রয়েছে মাদক স¤্রাট হিসাবে। মাদক ব্যবসায়ী চক্রের মূলহোতা কাউন্টার রাসেল এলাকাতে না থাকলে ও অবৈধ ব্যবসার ২য় ধাপ তথা সেকেন্ডিং কমান্ড হিসাবে পুরো দায়িত্ব থাকে সি ব্লকের ১০ নং রোড ১৭ নং বাড়ীতে বসে হাতি বাবু ওরফে বাবু ব্যবসাটি চালিয়ে নেয় বলে গোপনে জানা যায়। পরবর্তিতে রয়েছে এ ব্লকের ৯ নং রোডে খোকন মিয়ার ছেলে সুমন ওরফে পিচ্চি সুমন গ্রামের বাড়ী ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানা এলাকাতে সুমনের মাদক ব্যবসা সম্পর্কে তার মার মুটো ফোলে জানতে চাইলে বড় ভাই মামুন সাংবাদিক মহল নিয়ে বিভিন্ন কৌটুক্তি করে বলে সাংবাদিক এক দু হাজার টাকার জন্য সংবাদ প্রকাশ করে এবং সুমনের ও নাকি খুঁটি আছে কাউন্টার রাসেলের সাথে বলবে এই সাংবাদিক গুলা কারা এবং দেখে নিবে যা মনে চায় আপনারা লিখেন তাতে সুমনের কিছুই করতে পারবে না। কথা হয় সুমনের শশুর বাড়ীর দু একজনের সাথে তারা জানায় আমার মেয়েকে সুমনের কাছ থেকে আমাদের বাড়ীতে রেখেছি শুধু মাত্র উল্টো পথে চলে, আর আমার মেয়ে স্কুল কলেজে পড়ে অনিশ্চিত তার ভবিষ্যত তাই আমাদের কাছে রেখেছি এই বিষয়ে তার বাবা মার ও বড় ভাইয়ের সাথে কথা বলেন। কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী কাউন্টার রাসেলের কয়েকজন অন্যতম সেলস ম্যানদের মধ্যে রয়েছে মামুন পুলিশের সোস ওরফে ফর্সা সবুজ, উত্তর বিশিলের সেলিম ওরফে জয় গংরা। নাম প্রকাশে অনি”্ছুক এক ব্যক্তি জানায় বর্তমানে মাদক সেলস করার জন্য ই ব্লকের ৬ নং রোডে নতুন একটি বাড়ীতে সবাই আস্তানা তৈরী করেচে। ফোনে ও ম্যাসেজের মাধ্যমে আকবর মসজিদ গেটের আশপাশে ৬ নং রোডের মাথায়, ৫ নং রোডে এ বøকের ৬,৭ নং রোডে এফ ব্লকের একাংশে মাদদক ডেলিভারীতে সেলসম্যানদের আনা গোনা দেখা যায়, পুলিশ ডিবি র‌্যাব এলাকাতে ডুকলেই সংবাদ পেয়ে গোপন আস্তানায় বিভিন্ন রোডে লুকিয়ে পরে অতি তাড়াহুরা করে আরও বলে পুলিশ নাকি মাসিক সাপ্তাহিক মাসোহারা পাচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গোপন। রাসেলকে কয়েক মাস আগেও মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে শাহআলী থানার এস আই সিরাজুল ইসলাম গ্রেফতার করে নিয়মিত একটি মাদক মামলা ২৭ পিছ ইয়াবা জব্দ তালিকা মূলে রের্কডভুক্ত করেন তার ছোট ভাই রাজিবকে দুইবার একই এসআই সিরাজ হিরোইন মামলাদেন বর্তমানে রাজিব জেল হাজতে আছেন। এগুলো কি ওসি কার করার মত কিছু। বর্তমানে কাউন্টার রাসেল মৌখিকভাবে প্রশাসন ও রাজনীতিবিদদের নাম ভাঙ্গিয়ে ফাপরে অবৈধ মাদক বেচাকেনা করছে বলে ও জানা যায়।
আরও জানায় নিউ সি ব্লক এলাকার বাড়ীর মালিকরা, দিনে ও রাত্রে কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা নাকি মাদক দিয়ে যায় বিক্রি করার জন্য। এই প্রসঙ্গে পুলিশের নাম জানতে চাইলে বলে পোশাক নেই. নেইমপ্লেটে নাম নেই তাই বলতে পারি না। ভবিষ্যতে নাম জানার চেষ্টা করব। সেলসম্যান সেলিম ওরফে জয় উত্তর বিশিলের বস্তি বউ বাজার সহ কয়েকটি রোডে মাদক বিক্রি করছে ঘুরে ঘুরে পায়ে হেটে এবং মাঝে মধ্যে মটর সাইকেল যোগেও এক এলাকা থেকে অন্য এলাকাতে মাদক ডেলিভারী করে কাউন্টার রাসেলের হয়ে। গোপনে আর ও জানা যায়, পুলিশের সোর্স সবুজ ওরফে ফর্মা সবুজ চিড়িয়াখানা কমপ্লেক্স এর ভিতরে রতনের বাসায় মাদক ডেলিভারী দিতে গিয়ে এলাকার কয়েকজন লোকের মারধর খেয়ে পালিয়ে আসে। রতনের গুদারাঘাটের একটি স্বর্ণের দোকান রয়েছে নামে মাত্র, দোকানে বসেই চালাচ্ছে মাদকের রমরমা কারবারী। বর্তমানে মোবাইল ফোনে সরাসরি ইয়াবা অথবা ফেনসিডিল কিংবা হিরোইন বলে না একেক প্রকার মাদকের নাম করন রেখেছে মাদক সিন্ডিকেট চক্ররা যেমন ইয়াবা চাইলে বলে ২ অথবা ৫ টাকা লাগবে এতে ব্যবসায়ী মনে করে ক্রেতা ২ পিছ অথবা ৫ পিছ চায়। কেউ বলে বাজার আছে বললে বলে আছে। জিজ্ঞাসা করে ভালো সাদা বাজার। কেউ কেউ বলে গুটি, কেউ বলে বড়ি, কেউ বলে মেমরী বললেই ব্যবসায়ী বুঝে। এক একটি ইয়াবার দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা খুচরা দাম।
খুচরা বিক্রি করে সেলসম্যানরা প্রতিদিন অবৈধ মাদক ইয়াবা, হিরোইন, গাজা, ফেনসিডিল দ্রব্যতে প্রতিনিয়ত কাঁচা টাকা হাতিয়ে অভ্যাসে পরিনত হয়ে মাদক দ্রব্য বিক্রি ছাড়া কোন ভালো পথের সন্ধান তাদের চোখে পড়ে না। শুধুই সর্বনাশার মরণনেশা বিক্রিতেই তাদের মন বসে। কথা হয় এক মুক্তিযোদ্ধার সাথে তিনি এ প্রতিনিধিকে না প্রকাশ না করে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন- আরে বা কি বলবো আমরা স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছি দেশের জন্য জীবন দিয়ে রক্ত ঝরিয়ে জীবনবাজি রেখে রাংলাদেশকে স্বাধীন করেছি। কিন্তু দেখি মনে হয় ভুল করেছি তা না হলে আমার স্কুল কলেজে পড়–য়া নাতি আজ নেশা গ্রস্তকে বাবা মা ও ছেলে উভয়ে কয়েকদিন পরপরই মাদক নিয়ে ঝগড়া সৃষ্টি হয়, মারামারি হয় এই দৃশ্য দেখা যায়। প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করলে তো স্কুল কলেজে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী সহ এলাকার যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই প্রশাসনের অতি শস্তব জরুরীভাবে মাদক ব্যবসায়কে গ্রেফতার না করলে এলাকা অথবা বাংলাদেশকে কিছুতেই মাদক মুক্ত করতে সক্ষম হবে প্রশাসন। হাতেম মারা গেলেও স্ত্রী পুত্র বউ মেয়েরাই বর্তমানে হিরোইন ইয়ারা বিক্রি করছে এবং সেলসম্যান ও রয়েছে তাদের। সেলসম্যানদের মধ্যে অন্যতম কয়েকজন মামুন ওরফে হাত কাটা মামুন ওরফে হাত কাটা মামুন নিউ সি বøক পুরো এলাকাতে ধাপিয়ে হিরোইন বিক্রি করছে ধুমছে। ভাঙ্গারী কাকা নামে পরিচিত আগে সি বøকে ভাঙ্গারী ব্যবসা করতেন তাই সবাই নাম দিয়েছে ভাঙ্গারী কাকা।
পিতৃছাড়া নামক বাড়ী বাসা নং-৩/২৬, রোড-৩, ব্লক-ডি, এর ৪র্থ তলার সামনের সাইডে হাতেম ও তার ছেলে সাদ্দাম সহ ভাঙ্গারী কাকা হিরোইন ইয়াবা ডেলিভারীতে রয়েছে ব্যস্ত। প্রতিদিন রাত এই রোড সহ আশপাশের এলাকাতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে হিরোইন বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। প্রকাশে হাতে নাতে কয়েক বার শাহ আলী থানা পুলিশ এবং র‌্যাব অভিযান করলে মামলা দিয়ে জেলে পাঠালে কয়েক দিন থেকেই বেরিয়ে পুনরায় আবার মাদক বিক্রি করছে বর্তমানে হিরোইন ব্যবসায়ী সাদ্দাম মুখে বেলেট রেখেই হিরোইন বিক্রি করছে পুলিশ হাতে নাতে ধরনে নিজের শরীর নিজে আঘাত করবে বলে যাতে অতি তাড়াতাড়ি পুলিশ হিরোইনচি বলে ছেড়ে দেয় তাই।
গুদারাঘাট এলাকাতে এইচ ব্লকের নয়ন তারা কয়েকজনকে দিয়ে মাদক বিক্রি করাচ্ছে। এক সময় নয়নতারা ফ্ল্যাটে মেয়ে দিয়ে দেহ ব্যবসা করতেন। বর্তমানে খুব গোপনে ধরা ছোয়ার বাইরে। মেয়ে সাপ্লাই দিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময় ম্যানেজ করে খরিদ্দারকে । নেশা করার জন্য খরিদ্দার সহ বিভিন্ন এলাকার যুব সমাজের ছেলে মেয়ে অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলেদের আনাগোনা ও রয়েছে। এই নয়নতারা স্পটে মাদক ব্যবসায়ী ধ্বংস করার লক্ষ্যে গত ১৭/০৩/২০১৯ ইং তারিখ বিকাল ৫.৩০ শাহ্ আলী থানার এসআই সাদ্দামের নের্তৃত্বে অভিযান চালানো হয়। ডাঙ্গা পুলিশের এসআই আরিফ সহ ২০/২৫ জনের পুলিশ সদস্য দিয়ে অভিযানের সময় নিউ সি বøক এলাকাতে অভিযানের ইনচার্য এসআই সাদ্দামের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান শাহ আলী থানার ওসি সালাউদ্দিন মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রাখার জন্য বলেছেন তাই অভিযান চালাচ্ছি। বক্তব্যে আরো বলেন আমাদের মিরপুর বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোন ছাড়া নেই মর্মে অভিযান চলমান রাখার জন্য নির্দেশ দেন। গোপন সূত্রে জানা যায় ধরাছোয়ার বাহিরে থেকেও কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী দুলাল নিয়ন্ত্রন করছে হাজী রোড এলাকা। তারই স্ত্রী ফাতেমা আক্তার ওরফে ফতে ও সুজন ওরফে ফতে সুজন ডজনের উপর মামলার আসামী বর্তমানে আইনশৃংখলা অভিযান চলা শর্তেও নিউ সি ব্লক এলাকা ছাড়া ও বিভিন্ন এলাকাতে পাইকারী মাদক বিক্রি করছে বলে গোপনে জানা যায়।
কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা হলে সংবাদের জের ধরে মাদক ব্যবসায়ী চক্র দৈনিক খবরের আলো বার্তা সম্পাক সোহাগকে মোবাইল ফোন হুমকি প্রাদন করে ও স্টাপ রির্পোটার মোঃ রুবেল হোসেনের উপর গত ২৬/০৩/২০১৯ ইং রোজ মঙ্গলবার রাত ৮.৩০ হামলা চায়,মিনিটে হামলা করে। এই সংক্রান্ত বিষয়ে ৬ জনকে বিবাদী করে ৫ জনকে সাক্ষী করে শাহ্ আলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয় যার নং-১১৫০। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা পরিত্রানের আশায় দিন গুনছে কবে শেষ হবে এসব রমরমা মাদকের বাজার।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com