শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
দাউদকান্দি সেতুর টোলে সাংবাদিকের গাড়ি ডাকাতি কোভিড মোকাবিলায় বাংলাদেশের দৃষ্টান্ত অনন্য : ডব্লিউএইচও আইজিপির সাথে বিএনপির প্রতিনিধি দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত বদলগাছীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কৃষি জমিতে চলছে পুকুর খনন জান্নাত একাডেমী হাই স্কুলে শহীদ দিবস উদযাপন দোহারে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত চাষের নতুন পদ্ধতি যন্ত্রের ব্যবহার বাড়বে কমবে সময়,শ্রম, ও খরচ – কৃষিমন্ত্রী  করনা মোকাবেলায় স্বর্ণপদক পেলেন ইউপি চেয়ারম্যান  আমিনুর রহমান আজ সৈয়দ মুহাম্মদ আহমদ উল্লাহ’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী সাভারে ঝুলন্ত অবস্থায় অন্তঃসত্ত্বার মরদেহ উদ্ধার

সাতক্ষীরায় খুনের মামলার ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যুর পরে পৌঁছালো ফাঁসির খালাসের আদেশ

খবরের আলো :

 

শেখ আমিনুর হোসেন,সাতক্ষীরা ব‍্যুরো চীফ:  সকালে মৃত্যু। আর বিকালে পৌঁছালো ফাঁসির দন্ড থেকে তার খালাসের আদেশ।

সাতক্ষীরার জোড়া পুলিশ খুন মামলার ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামি ওবায়দুর রহমান ওরফে অবেদ আলি খুলনা কারাগারে বন্দি অবস্থায় মারা গেছেন। ছয় মাস আগে তিনি উচ্চ আদালতের আদেশে এ  মামলা থেকে তিনি খালাস পেয়েছিলেন। তার কারামুক্তির আইনগত কাজ শেষ হবার আগেই ১৩ বছর জেলে থাকার পর  রোববার  মারা যান তিনি। 
রাতে তার লাশ নিয়ে আসা হয় নিজ বাড়ি সাতক্ষীরার কুখরালিতে। অবেদ আলি ওই গ্রামের রজব আলির ছেলে। 
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে শহরের ছফুরন্নেসা কলেজের সামনে ফটিক বাবুর বাড়ির কাছে দুই পুলিশ কনস্টেবল ফজলুল হক ও আবদুল মোতালেব সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এ সময় আহত হন কনস্টেবল আবদুল আহাদ। তারা বাইসাইকেলে বাঁকাল এলাকায় ডিউটি সেরে রাত সোয়া ২ টার দিকে কর্মস্থল ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়িতে ফিরছিলেন। 
২০০৬ সালে এ মামলায়  আসামি রায়হানুল ইসলাম, জাকির হোসেন ও ওবায়দুর রহমান ওরফে অবেদ আলিসহ তিনজনকে মৃত্যুদন্ড দেন আদালত। এ ছাড়া আরও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়। ২০১১ সালে এই রায়ের  বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করলে  ওবায়দুর রহমান রহমান অবেদ আলি খালাস পান। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরুদ্ধে আপীল করলে গত ১১ এপ্রিল খালাসের আদেশ বহাল থাকে। তবে খালাসের এই আদেশের কপি কারাগারে পৌঁছাতে বিলম্ব হয়। 
অবেদ আলির ভাই হাবিবুর রহমান জানান, আদালত থেকে এই খালাসের আদেশ কারাগারে না পৌঁছানোয় তাকে ছয় মাসেরও বেশি সময় আটক থাকতে হয়। এরই মধ্যে তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। রোববার সকালে খুলনা কারাগারে মারা যান তিনি। একই দিন বিকালে তার খালাসের আদেশ পৌঁছায় সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতে। 
মেয়ে নিলুফা সুলতানা টুম্পা জানায়, কারাগারে তার বাবা অসুস্থ্য হয়ে পড়লে ঠিকমত চিকিৎসা করানো হয়নি। বাবার রক্তের প্রয়োজনে তাকে রক্ত দিতে দেয়া হয়নি।
ছেলে আশিকুর রহমান শাওন জানায়, দীর্ঘদিন কনডেম সেলে থেকেই তার পিতা অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। সে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর বিচার দাবি করে জানায়, তার বাবার মত আর কোন পিতাকে যেন এভাবে আর জীবন দিতে না হয়।
স্ত্রী আমিবয়া খাতুন জানান, বিনাদোষে তার সন্তানরা বাপহারা হয়েছে। কে দেখবে তাদের।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com