বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সারাদেশে করোনায় আরও ২৩৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৫ সহস্রাধিক মাধবপুরে গাঁজা গাছসহ আটক ১ বিচার বিভাগে করোনা শনাক্ত ৯৬৫ জনের, চিকিৎসাধীন ৫৯ বিচারক অব্যাহতির বিরুদ্ধে বাদী নারাজি দিচ্ছে মুনিয়া আত্মহত্যা মামলায় বসুন্ধরার এমডিকে অব্যাহতি দিয়ে প্রতিবেদনের শুনানি আজ হয়নি বাড়ছে ডেঙ্গু: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ৭ নির্দেশনা নিজের আইসিইউ সিট ছেলেকে দিলেন মা, অবশেষে বাঁচলেন না কেউই সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে বৌভাত অনুষ্ঠান করায় ১০,০০০ টাকা জরিমানা সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে বসতবাড়ির রাস্তা বন্ধ করায় ৪টি পরিবার অবরুদ্ধ মানিকগঞ্জে লকডাউনে কঠোর অবস্থানে গোলড়া হাইওয়ে থানা পুলিশ মাধবপুরে কাশিমনগর বাজারে  অগ্নিকান্ডে ১০ দোকান পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি

তিন বছরে চীনে ৩১ মসজিদ ধ্বংস

খবরের আলো  ডেস্ক :

 

 

গত তিন বছরে চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে ৩১টি মসজিদ ও দুটি ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান এবং ওপেন সোর্স সাংবাদিকতার ওয়েবসাইট বেলিংক্যাটের এক তদন্তে এমন তথ্যই ওঠে আসে।

ওই তদন্তে জানা যায়, ২০১৬ সাল থেকে এই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি ইসলামি ধর্মীয় স্থাপনাকে পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। স্যাটেলাইট ইমেজের সাহায্যে স্বায়ত্তশাসিত ওই অঞ্চলের ৯১টি ধর্মীয় স্থান পরীক্ষা করে দেয়া হয়। সেখানে দেখা যায়, গত তিন বছরে ৩১টি মসজিদ ও দুটি গুরুত্বপূর্ণ মাজারের অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

ওই ৯১টি স্থাপনার মধ্যে ৩৩টি ‘পুরোপুরি বা প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস’ করা হয়েছে, আর অন্যগুলোর গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফিচার সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-গেটহাউজ, গম্বুজ ও মিনার।

তদন্তে আরও দেখা গেছে, ধর্মীয় স্থাপনার স্বাভাবিক স্থাপত্যের বৈশিষ্ট না থাকলেও মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া ৯টি ভবনও ধ্বংস করা হয়েছে। স্থাপনাগুলোর বিশ্লেষণ করা হয় অধিবাসীদের এবং গবেষকদের ম্যাপিং সরঞ্জাম সমন্বয় করে।

ধ্বংস করা মসজিদগুলোর মধ্যে ইউটিউয়ান আইতিকা মসজিদটি অন্যতম। এই মসজিদটি চীনের সীমান্তের উত্তরে হটানের কাছে অবস্থিত। এটি ১২০০ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ করা হয়। এই মসজিদটি স্থানীয়দের কাছে জনপ্রিয় ধর্মীয় স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল। এছাড়া এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় কারগিলিক মসজিদ এবং ইমাম আসিম কমপ্লেক্সও ধ্বংস করা হয়।

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে তুর্কি উইগুরসহ অনেক সংখ্যালঘু গোষ্ঠী বসবাস করে। উইগুরদের সাথে অন্যান্য তুর্কী মুসলিম গোষ্ঠীগুলো অত্যাচারের শিকার হচ্ছে বলেও এই তদন্তে ওঠে আসে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, আট লাখ থেকে ২০ লাখ মুসলিম সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর ব্যক্তিদের চীনের শিক্ষা শিবিরগুলোতে রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, ওই শিবিরগুলোতে শিক্ষার নামে এসব ব্যক্তিদের ওপর নির্মম অত্যাচার চালানো হয়।

তবে বেইজিং বলেছে, সন্ত্রাসবাদকে মোকাবিলা করার জন্য ওই শিবিরে তাদের শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। যদিও এই শিক্ষা শিবিরগুলোর ব্যাপকভাবে সমালোচনা করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com