বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১০:০৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সারাদেশে করোনায় আরও ২৩৯ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৫ সহস্রাধিক মাধবপুরে গাঁজা গাছসহ আটক ১ বিচার বিভাগে করোনা শনাক্ত ৯৬৫ জনের, চিকিৎসাধীন ৫৯ বিচারক অব্যাহতির বিরুদ্ধে বাদী নারাজি দিচ্ছে মুনিয়া আত্মহত্যা মামলায় বসুন্ধরার এমডিকে অব্যাহতি দিয়ে প্রতিবেদনের শুনানি আজ হয়নি বাড়ছে ডেঙ্গু: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ৭ নির্দেশনা নিজের আইসিইউ সিট ছেলেকে দিলেন মা, অবশেষে বাঁচলেন না কেউই সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে বৌভাত অনুষ্ঠান করায় ১০,০০০ টাকা জরিমানা সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে বসতবাড়ির রাস্তা বন্ধ করায় ৪টি পরিবার অবরুদ্ধ মানিকগঞ্জে লকডাউনে কঠোর অবস্থানে গোলড়া হাইওয়ে থানা পুলিশ মাধবপুরে কাশিমনগর বাজারে  অগ্নিকান্ডে ১০ দোকান পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি

ফুলবাড়িতে গাছে বেঁধে গৃহ বধুকে নির্যাতন, মামলা করায় এবার স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ধষর্নের হুমকি

??????????????????????

খবরের আলো :

 

 

বিশেষ প্রতিনিধি দিনাজপুরের :দিনাজপুরের ফুলবাড়ি পল্লীতে বিধবা গৃহ বধু ও তার সন্তানদের সম্পতি হাতিযে নিতে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে গাছের সঙ্গে বেধে মধ্যযুগীয় কায়দায় রাতভর মারধরের ঘটনায় মামলা করায় নিরাপত্তাহীনতায় ঘটনার প্রায় দেড় মাস অতিবাহিত হলেও বাড়িতে ফিরতে পারছেনা বাদীনি।এ কারণে নবম এবং পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যায়ণরত দু“সন্তানের শিক্ষা জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।বিভিন্ন জনের বাড়িতে আত্নগোপনে পালিয়ে থাকতে গিয়ে বিদ্যালয়ে ক্লাস করতে পারছেনা শিশু সন্তান আঁখি ও রাফি।এ দিকে মামলা তুলে না নিলে বাদীনির শিশু সন্তানকে হত্যা এবং স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী কে ধষর্নের হুমকি দিয়েছে মামলার অন্যতম আসামি আব্দুল কাইয়ুম গং।নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেছে হুমকির শিকার ছাত্রী আখিঁ মনি যার জিডি নম্বর ৬৩৯ । মামলার তদন্তকারী এসআই আব্দুর রহমানের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার অব্যাহত চাপের কারণে দু সন্তানকে নিয়ে আত্বগোপনে রয়েছেন নির্যাতিত রেশমা বেগম। ফুলবাড়ি উপজেলার এলুবাড়ি ইউনিয়নের পুটকিয়া ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত্য আশরাফুল ইসলাম আবুলের বাড়িতে গত ২রা র্মাচ দিবাগত রাতে গাছের সঙ্গে বেধে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফুলবাড়ি থানার ইনচার্জ (ওসি) শেখ নাসিম হাবিব পুলিশ পাঠিয়ে নির্যাতনের শিকার রেশমা বেগম (২৮) কে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ১৪ ব্যক্তিকে আসামি সহ অঙ্গাত জনকে আসামি করে একটি মামলা রেকড হয়েছে যার মামলা নম্বর ০৪ জিআর ৮৬/১৯ তাং ০২-০৪-২০১৯ ইং।জানা গেছে প্রতিবেশি আব্দুর রশিদ জানান গৃহবধু রেশমা বেগম স্বামী আশরাফুল ইসলাম ব্রেন ক্যন্সারে আক্রান্ত হয়ে অকাল মৃত্যর পর রেশমা প্রতিবেশি জাহেদকে বিবাহ করে। এর তিন মাস পর জাহেদকে তালাক দিয়ে এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে পূর্বের স্বামীর বাড়িতে বসবাস করে। এদিকে মৃত্য আশরাফুলের বড় ভাই নজরুল ইসলাম গৃহ বধু রেশমা বেগম ও এতিম ছেলে- মেয়ে দুটির সম্পতি হাতিয়ে নিতে এবং তাদেরকে বসবভিটা থেকে উৎচ্ছেদ করতে নানা ষড়যন্ত্র আটতে থাকে তারই অংশ হিসেবে ২রা মার্চ নজরুল তার দলবল ও জাহেদ সহ প্রাচীর টপকিয়ে গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে চোর ঢুকেছে বলে চিৎকার করতে থাকে। এ সময় রেশমা বেগমের নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়ে মোছাঃ মাশতুরা আফরিন আঁখি জানায় ঐ রাতে ছোট ভাই ও মা সহ ঘুমিয়ে ছিলাম। রাত প্রায় ১ টার দিকে বাড়ির আঙ্গিনায় লোক জনের চোর চোর চিৎকার শুনতে পেয়ে আঙ্গিনায় থাকা বিদেশি গাভী চুরি করতে এসেছে ভেবে বারান্দার গ্রিলের তালা খোলা মাত্রই কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমার বড় আব্বু নজরুল ইসামের নির্দেশে আলাউদ্দিন, শরিফুল, শাহারা বানু, মাহমুদ, জালাল, সাদ্দাম সহ অনেকে ঘরে ঢুকে আম্মুর চুলের ঝুটি ধরে টেনে হেচড়ে আঙ্গিনায় বের করে নারিকেল গাছের সঙ্গে বেধে মারপিট শুরু করে এবং বলতে থাকে যতক্ষন জমির দলিল গুলো দিবে না মার বন্ধ হবে না। এ সময় এক মাত্র ছোট ছেলে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র মোঃ রাফি ইসলাম সহ মেয়ে আখি মনি মাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে তাদের কে মার পিট করে ঘরের ভিতর আটকে রাখা হয়। সারা রাত নারকেল গাছের সঙ্ঘে বেধে রেখে মারপিট করার পর গ্রাম বাসিকে দেখানোর জন্য বাড়ির বাইরের আম গাছের সঙ্গে বেধে পুনরায় মারপিট করা হয়। সেই সঙ্গে প্রচার করা হয় পরকীয়ার কারণে তাকে মার ধর করা হচ্ছে। রেশমার বড় বোন আফরুজা বেগম বলেন, মৃত্য স্বামীর বসত বাড়ি সহ জমিজমা থেকে দুটি এতিম সন্তানদের তাড়িয়ে দিয়ে সম্পদ আত্বসাতের জন্য তার বোনকে মিথ্যা অভিযোগে গাছে বেধে মারধর করা হয়েছে। থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে গৃহ বধু রেশমা কে আমগাছে বেধে মারধর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে । থানার ওসি শেখ নাসিম হাবিব বলেন, বিষয়টি জানার পর গৃহ বধুকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়।নির্যাতনের শিকার গৃহ বধু রেশমা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।ইউপি চেয়ারম্যন মাওলানা নাবিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানার পর সকালে গিয়ে গাছে বেধে রাখা গৃহ বধুর বাধন খুলে দিয়েছি এবং প্রত্যক্ষ দর্শি গোলাম মাবুদ ও মোকছেদ আলী জানান রাত ভর রেশমা বেগমকে মারধর করার পাশাপাশি শিশু সন্তান দুটি কেও নির্যাতন করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে মামলার এজাহার লেখার সময় কেীশলে প্রকৃত অনেক অপরাধীর নাম অন্তভূর্ক্ত করতে দেয়নি এস আই আব্দুর রহমান। বাদী রেশমা বেগম জানান, সভ্য সমাজে আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে নজরূল গংরা আমাকে ও আমার অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক সন্তানদের অমানবিক নির্যাতন করেছে যাতে আমরা তাদের অত্যাচারে বসত ভিটা ছেড়ে চলে যাই ঘটনার প্রায় দের মাস অতিবাহিত হতে চলছে আমি দু“ সন্তান নিয়ে তাদের হুমকির কারণে বাড়িতে ফিরতে পারছি না, আমার দু“ সন্তানের পড়াশুনা অনিশ্চিত হয়েছে।সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার এর নিকট নিরাপত্তা চেয়েছি। এ দিকে আসামিরা জামিনে এসে বাদি কে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য অব্যহত ভাবে হুমকি দিচ্ছে। এ কারণে বাদীনি তার দু সন্তান নিয়ে গৃহ ছাড়া হয়ে অন্যোর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com