বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বড়াইগ্রামে ট্রাক-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ চালক নিহত উদাসীনতায় হিলিতে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ মাধবপুরে পানি চলাচলের নালার মুখে ইউপি সদস্যের বাঁধ নির্মাণ শতাধিক পরিবারের দুর্ভোগ মহামারী করোনা ও লকডাউনে মোটরসাইকেল ব্যবসা পরিস্থিতি দীর্ঘ ১২ বছর পর ইসরায়েলে নেতানিয়াহু যুগের অবসান, ক্ষমতায় নাফতালি বেনেট ঋণের অপব্যবহার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোরতা এবার হজ পালনের সুযোগ পাচ্ছে ৬০ হাজার সৌদি নাগরিক এবার বাংলাদেশে ভ্যাট নিবন্ধন নিয়েছে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক রুহিয়ায় কৃষকের কার্ড দিয়ে মধ্যস্বত্বভোগীদের ব‍্যবসা জাতীয় সংসদ উপনির্বাচনে তিনটি আসনের প্রার্থী নাম ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগ 

তিতলির তাণ্ডবে ঘর ও গাছ চাপায় ৮ জনের মৃত্যু

খবরের আলো রিপোর্ট :

 

ভারতের ওড়িশা ও অন্ধ্র প্রদেশে তাণ্ডব চালানোর পর প্রবল ঘূর্ণিঝড় তিতলি দুর্বল হয়ে পরিণত হয়েছে গভীর নিম্নচাপে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, তিতলির তাণ্ডবে ঘর ও গাছ চাপা পড়ে অন্তত আটজনের প্রাণ গেছে; উড়ে গেছে শত শত ঘর।

ঘণ্টায় দেড়শ কিলোমিটার গতির বাতাসের শক্তি নিয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে ওড়িশার গোপালপুর এবং কলিঙ্গপত্তমের মাঝামাঝি এলাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আগেই তিন লাখ লোককে উপকূলীয় নিচু এলাকা থেকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়। ওড়িশা রাজ্য সরকার ১৮টি জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করে। দুদিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

জিনিউজ ইনডিয়া জানিয়েছে, তিতলির প্রভাবে ওড়িশায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে গঞ্জাম ও গজপতি জেলায়। তবে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়ায় প্রাণহানি অনেকটা এড়ানো গেছে। অন্ধ্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে শ্রীকাকুলাম ও বিজয়নগরমে। সেখানে কয়েক হাজার গাছ ঝড়ে ভেঙে পড়েছে। খুঁটি উপড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ বিতরণ বন্ধ রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে অন্ধ্র আর ওড়িশায় বৃহস্পতিবার থেকেই ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। গাছ উপড়ে পড়ায় বিভিন্ন স্থানে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকার খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীকাকুলামের জেলা প্রশাসক ধনঞ্জয় রেড্ডি রয়টার্সকে বলেছেন, তার এলাকায় ছয় থেকে সাত হাজার বিদ্যুতের খুঁটি ঝড়ে উপড়ে গেছে। ফলে প্রায় পাঁচ লাখ লোক এখন রয়েছেন বিদ্যুৎহীন অবস্থায়। বিবিসি জানিয়েছে, যে আটজনের মৃ্ত্যুর খবর এসেছে, তারা সবাই অন্ধ্র প্রদেশের। রাজ্য সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের কর্মকর্তা ডি ভারাপ্রসাদ জানিয়েছেন, বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

ওড়িশায় কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া না গেলেও ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট ঢলে বাড়ি ভেসে যাওয়ায় এক পরিবারের চার সদস্যসহ ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। ঘূর্ণিঝড়টি শক্তি হারিয়ে ওড়িশা উপকূলবর্তী এলাকায় গভীর নিম্মচাপে পরিণত হলেও এর প্রভাবে চলছে ভারি বর্ষণ। ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার জানিয়েছে, পরিশ্চমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় আগামী দুই দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পরে। সেক্ষেত্রে দুর্গাপূজার উৎসবের মৌসুমে মানুষকে ভুগতে হতে পারে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com