মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
এক দিনের জন্য ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল রোজায় করোনা সংক্রমণ বাড়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের দুর্ভোগ আরও কিছুদিন বাড়বে: রেলমন্ত্রী সর্বাত্মক লকডাউনের আগে যেভাবে ঢাকা ছাড়ছেন হাজারো মানুষ আ.লীগ নেতার বাড়িতে ব্যবসায়ীর লাশ, এসপি অফিস ঘেরাও রাজৈরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ দৌলতপুরে লকডাউন কার্যকর করতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন জাতীয় গনমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্মীকৃতির দাবীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে শ্রীপুরে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে ইউপি সদস্য কর্তৃক সাংবাদিকের উপর হামলা বাবরকে দেখে শিখুক কোহলি!

সিগারেটের বাট গাছের বৃদ্ধিতে বাধার কারণ হতে পারে

খবরের আলো  ডেস্ক :

 

 

গবেষণা দেখা গেছে, ফেলে দেওয়া সিগারেটের বাট গাছের বৃদ্ধিতে বাধার কারণ হতে পারে। অ্যাংগলিয়া রাস্কিন ইউনিভার্সিটি নেতৃত্বাধীন একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, মাটিতে সিগারেটের বাটের উপস্থিতির কারণে সে মাটিতে বীজ থেকে অঙ্কুর হওয়ার সম্ভাবনা কমেছে শতকরা ২৭ থেকে ২৮ ভাগ। ঘাসের ক্ষেত্রে অঙ্কুরোদগমের সম্ভাবনা হ্রাস পেয়েছে ১০ শতাংশ এবং দৈর্ঘ্যের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে ১৩ শতাংশ ।

গবেষণায় বলা হয়, প্রতি বছর অন্তত পক্ষে ৪.৫ ট্রিলিয়ন সিগারেট বাট পুরো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে, যা গাছের জন্যে সবচেয়ে বড় আকারের প্লাস্টিক দূষণ সৃষ্টি করে। বেশিরভাগ সিগারেটের গোঁড়া বা বাটে থাকে একটি সেলুলোজ এসিসেট ফাইবারের তৈরি ফিল্টার, যা এক ধরনের বায়োপ্লাস্টিক।

একইসাথে গবেষকরা দেখেছেন যে, অব্যবহৃত সিগারেটের ফিল্টারও একইভাবে পরিত্যক্ত ফিল্টারের মতোই গাছের বৃদ্ধির ওপর প্রভাব ফেলে। তামাকের বিষক্রিয়া ঘটুক আর না ঘটুক, ফিল্টারটিই গাছের জন্যে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ইকোটক্সিকোলজি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সেফটি জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে যে, গবেষকরা ক্যামব্রিজ শহরের আশেপাশে নমুনা সংগ্রহ করে দেখেছেন সেখানে প্রতি বর্গমিটারে অন্তত ১২৮টি সিগারেটের গোঁড়া পাওয়া গেছে।

প্রধান গবেষক ড্যানিয়েল গ্রিন বলেন, যে সমাজে সিগারেটের অবশিষ্টাংশ যত্রতত্র ছুড়ে ফেলার সংস্কৃতি রয়েছে সেসব স্থানে পরিবেশের গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

সিনিয়র জীববিজ্ঞানী ড. গ্রিন বলেন, ‘আমাদের গবেষণার প্রধান বিষয় ছিল গাছের ওপর সিগারেটে গোঁড়ার কি প্রভাব সেটি দেখা।’

ঘাস এবং গুল্মের কাণ্ডের ওজন অর্ধেক হ্রাস করে দেয়।’

তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, সেইসব গাছ থেকে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় গবাদি পশুরা।

গ্রিন বলেন, ‘এইসব গাছ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করে, এমনকি শহরের উদ্যানগুলোতেও এবং এর মধ্যকার এক জাতের গাছ পরাগায়ন ও নাইট্রোজেন বিশ্লেষণ করে পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

সহ-গবেষক ড. বাস বুটস বলেন, ‘যদিও এটি নিশ্চিত হতে আরও গবেষণার দরকার, তারপরও আমরা মনে করি যে সিগারেটের ফিল্টারের রাসায়নিক গঠন গাছের ক্ষতির কারণ।’

‘এগুলোর বেশিরভাগই তৈরি হয় সেলুলোজ এসিসেট ফাইবার দিয়ে, সেটির সাথে আরও কিছু রাসায়নিক যোগ করা হয় যা প্লাস্টিকটিকে আরও নমনীয় করে তোলে, যাকে বলা হয় প্লাস্টিসিজার। এগুলোই গাছের বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিকূলতা সৃষ্টি করে থাকে।’ দূষণের হাত থেকে পরিবেশ ও গাছ বাঁচাতে তাই ধূমপায়ীদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।সূত্র: বিবিসি বাংলা

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com