রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন

শ্রীপুরে মাদরাসার ছাএকে পিটিয়ে আহত

খবরের আলো :

 

 

শ্রীপুর( গাজীপুর )প্রতিনিধি:গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার  মাধখলা গ্রামের বৃদ্ধ আলতাফ হোসেন তার শিশু নাতিকে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার আশায় ভাংনাহাটি গ্রামের শিল্পপতি আ: ছাত্তারের দারুল উলুম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও হাফিজি মাদরাসায় ভর্তি করান। মাদরাসার হোস্টেলে থেকে তার ৮ বছর বয়সী নাতি মাকসুদুল ইসলাম নাজরানা শাখায় লেখাপড়া করছিল। প্রায় ১৫ দিন আগে ওই মাদরাসার নুরানী শাখার শিক্ষক তাকে পড়াশুনা কম পাড়ায় পিটিয়ে আহত করে। শিশু ছাত্র ওই ঘটনাটি তার মাকে জানানোর পর শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করায় সে ছাত্রের প্রতি ক্ষিপ্ত হয় এবং ছাত্রের মাকে বলে “আমি ছাত্রদের এমনেই মারি, বাঁচলে বাঁচবে না হলে মরে যাবে”।
৭ আগস্ট সকালে মাকসুদুল ঈদের ছুটিতে বাড়ীতে গিয়ে জামা কাপড় ছাড়ার পর তার শরীরে সমস্ত জায়গায় অমানষিক নির্যাতনের কালো দাগ দেখতে পায়। মাকসুদুল তার পরিবারের লোকদের তাকে নির্যাতনের বর্ননা দিলে শিশু ছাত্রের দাদা আলতাফ হোসেন বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
নাজরানার শিশু ছাত্র মাকসুদুল জানায়, তার শিক্ষক প্রায় ১৫ দিন আগে তাকে মারধর করায় তার মা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। এর জের ধরে প্রায় প্রতিনিয়তই হোস্টেলের সবাই ঘুমিয়ে পড়লে রাতের বেলা লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে। মারপিটের কথা কারো কাছে জানালে তাকে গলা কেটে হত্যা করার ভয় দেখানো হয়। মাকসুদুল ভয়ে কাউকে কিছু জানায়নি। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ায় তার পরিবারের লোকজন জখমের চিহ্ন দেখতে পায়।
ছাত্রের দাদা আলতাফ হোসেন জানান, আমার নাতিকে জখম অবস্থায় দেখে দ্রুত পুলিশ সুপার শামসুন্নাহারের কাছে নিয়ে গেলে তিনি মারপিটের জখম দেখে কেঁদে ফেলেন এবং সাথে সাথেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দেন। শিক্ষকের হুমকির কারণে আমার নাতি কাউকে কিছু বলতে সাহস পায়নি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষকসহ মাদরাসা কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে কেউ কথা বলতে রাজী হননি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com