শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০৬:২১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাধবপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান গাজীপুরে পোশাক নারী শ্রমিক গণধর্ষণের শিকার ত্রিশালে রাস্তার দূর্ভোগে লালপুর-কৈতরবাড়ী ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা হলে অপরাধীদের মধ্যে ভীতিও থাকবে: কাদের ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাহাড়পুর একিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিনব কায়দায় রোগীর সাথে প্রতারণা নবাবগঞ্জে অজ্ঞাত পরিচয় নারীর লাশ উদ্ধার মাধবপুরে করোনার ভাইরাসের সুযোগে বালু খেকোদের রমরমা ব্যবসা নৌকায় ভোট দেয়ার অপরাধে বিএনপি দলগতভাবেই এইসব অপকর্ম করেছিল -তথ্যমন্ত্রী বড়াইগ্রামে জোর পুর্বক ঘরবাড়ি ভাংচুর করে রাস্তা নির্মাণ

চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণা, পোরশায় প্রতারক চক্রের প্রধান রহমত আটক

খবরের আলো রিপোটঃ

 

 

মোঃ মিজানুর রহমান স্বাধীন : একটি গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রহমত আলী(৩০) নামে এক প্রতারক চক্রের প্রধানকে আটক করেছে পোরশা থানা পুলিশ। রহমত উপজেলার সরাইগাছি গ্রামের কামারুজ্জামানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীতে চাকুরী দেওয়ার নামে চেক ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে জানাগেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে থানা পুলিশ রহমতকে বুধবার সরাইগাছি তার বাড়ি থেকে আটক করে। থানা সূত্রে জানাগেছে, প্রতারক চক্রটি দির্ঘ্যদিন থেকে সেনাবাহিনীতে চাকুরী দেওয়ার নাম করে রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন লোকের সাথে প্রতারনা করে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

আর এ চক্রটির প্রধান হচ্ছেন রহমত আলী। সে একসময় যশোর মিলিটারী ফার্মে ক্লিনার পদে চাকুরী করতো। এ সুবাধে রহমত বিভিন্ন সময় নিজেকে আর্মি কর্মকর্তা কখনও আর্মি অফিসার রানার পরিচয় দিত। তাছাড়া চাকুরী প্রার্থীদের রাজধানী ঢাকার মিরপুর ৩৩/২/এ পিরেরবাগ এলাকায় হেল্থ কেয়ার ডায়াগনিস্টিক কনসালটেশন সেন্টার নামে এক হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতো।

এভাবেই রহমত মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেছিল। সর্বশেষ সাপাহার উপজেলার এক ব্যাক্তিকে আর্মিতে চাকুরী দেওয়ার নামে রহমত তার কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা এবং একটি ব্যাংক চেক হাতিয়ে নেয়। কিন্তু চাকুরী দিতে না পারায় জনৈক ওই ব্যাক্তির অভিযোগের পর গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। পরে পোরশা থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে পোরশা থানা কর্মকর্তা ইনচার্জ শাহিনুর রহমান ও সাপাহার থানা কর্মকর্তা ইনচার্জ আবদুল হাই জানান, এ বিষয়ে পোরশা ও সাপাহার থানায় মামলা হয়েছে এবং তাকে রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হয়েছে। রহমত আলীকে আটকের পরে তার কাছে একাধিক ব্লাংক চেক পাওয়াগেছে এবং তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান।

ভুক্তভোগীরা জমি বিক্রি করে, ঋণ করে সুদে টাকা এনে চাকরির জন্য প্রতারক চক্রের হাতে তুলে দেন কিছুদিন পর প্রতারক চক্র মোবাইল বন্ধ করে লাপাত্তা হয়ে যায়, এই প্রতারক চক্রের প্রতারণার শিকার হয়ে অধিকাংশ পরিবার আজ নিঃস্ব হয়ে গেছে বলে জানান।

প্রতারিত হওয়া প্রতিটা পরিবারের নিঃস্ব হওয়ার দায় এই প্রতারক চক্রের সকল সদস্যকে হাসির মতো সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়ার দাবি জানায় ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com