শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৪:৫২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
নাটোরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩৭৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার  স্পেনের জাতীয় জাদুঘরে অভিবাসীদের আনন্দ উৎসব পরকীয়া করতে এসে ধরা খেল  প্রেমিক!  থানায় মামলা, প্রেমিক শ্রীঘরে! রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নারীদের গুরুত্ব নিয়ে ফেসবুকে আবেগময় পোস্ট করেন মামূনি খান (মনি)   ত্রিমোহনী সেতু প্রবেশ মুখে  গর্তের সৃষ্টি হয়েছে,  ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে নতুন সড়কের উদ্ভোদন করলেন নুরুল ইসলাম রাজা শরীয়তপুরে ২ হাজার ৭৩২ পিচ ইয়াবা সহ আটক মাদক ব্যবসায়ী ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের তালিকাভুক্ত কুখ্যাত ডাকাত ফারুক গ্রেপ্তার বড়াইগ্রামে ট্রাক-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ চালক নিহত উদাসীনতায় হিলিতে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ

আজ ভোলা মুক্ত দিবস

খবরের আলো :

 

 

মোঃ ওমর ফারুক,  ভোলা প্রতিনিধি : আজ ১০ ডিসেম্বর ভোলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে কার্গো লঞ্চে করে ভোলা থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। শত্রুমুক্ত ভোলায় হাজারো মুক্তিকামী মানুষ সেদিন রাস্তায় নেমে আনন্দ উল্লাস করেন।

সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভোলা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহকারী কমান্ডার (তথ্য ও প্রচার) মো. ছাদেক জানান, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী ওয়াপদা ও ডাকবাংলোয় অবস্থান নিয়ে নৃশংস অত্যাচার চালায়। বীর মুক্তিযোদ্ধারা বোরহানউদ্দিনের দেউলা, বাংলাবাজার, শান্তিরহাট, ঘুইংগারহাট চরফ্যাশন ও লালমোহনে দেবীর চরসহ বিভিন্ন এলাকায় সম্মুখযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীকে বাধা দেন।

মুক্তিযোদ্ধারা ভোলার অধিকাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যখন শহর নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রস্তুতি নেন, সেই সময় ১০ ডিসেম্বর ভোররাতে পাকিস্তানি হানাদাররা চারদিকে গুলি ছুড়তে থাকে। তখন মুক্তিযোদ্ধা কাজী জয়নাল ও ফিরোজের নেতৃত্বে ১৩ জনের একটি বাহিনী তাদের পেছন থেকে ধাওয়া করলে হানাদাররা ভোর ৫টায় ভোলার পুরান লাশ কাটা ঘরের পাশে রাখা মরহুম ইলিয়াস মাস্টারের লঞ্চে চড়ে ভোলা থেকে পালিয়ে যান। ওই সময় তাদের গতিরোধ করার জন্য খালে গাছ ফেলে ব্যারিকেড দিয়েছিল মুক্তিকামী জনতা। পাক হানাদারদের বহনকারী ওই কার্গো লঞ্চটি চাঁদপুরের মেঘনায় ডুবে ওই হানাদার বাহিনীর অধিকাংশ সদস্যের মৃত্যু ঘটে বলে জানা যায়। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। সেদিন পাকিস্তানি সেনাদের পালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে ভোলা হানাদারমুক্ত হয়।

১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে ভোলার লড়াকু সন্তানরা তখনকার ভোলা এসডিও অফিস বর্তমান জেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের ছাদে উঠে পাকিস্থানের পতকা পুড়িয়ে উড়িয়ে দিয়েছিলেন লাল সবুজের স্বাধীন বাংলার জাতীয় পতাকা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com