মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাধবপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান গাজীপুরে পোশাক নারী শ্রমিক গণধর্ষণের শিকার ত্রিশালে রাস্তার দূর্ভোগে লালপুর-কৈতরবাড়ী ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা হলে অপরাধীদের মধ্যে ভীতিও থাকবে: কাদের ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাহাড়পুর একিয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিনব কায়দায় রোগীর সাথে প্রতারণা নবাবগঞ্জে অজ্ঞাত পরিচয় নারীর লাশ উদ্ধার মাধবপুরে করোনার ভাইরাসের সুযোগে বালু খেকোদের রমরমা ব্যবসা নৌকায় ভোট দেয়ার অপরাধে বিএনপি দলগতভাবেই এইসব অপকর্ম করেছিল -তথ্যমন্ত্রী বড়াইগ্রামে জোর পুর্বক ঘরবাড়ি ভাংচুর করে রাস্তা নির্মাণ

বাংলামটর কলাবাগানের আতঙ্কের আরেক নাম যুবলীগ নেতা নামধারী মোঃ কামরুল ইসলাম

খবরের আলো:

 

 

বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ :প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতি বিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া বড় বড় যেমন ক্যাসিনো স¤্রাট, জি কে শামীম, তারেক, পাপিয়া তাদের আ্ইনের আওতায় এনেছে সরকার। তারপরেও ধরাছোঁয়ার বাইরে নামধারী আওয়ামী যুবলীগের কামরুল। অসহায় মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে গড়ে তুলেছে সম্পদের অট্রালিকা । মগবাজারের নিকটবতী বাংলামোটরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন তাকে সর্বস্বান্ত করেছেন মো: কামরুল ওরফে পিস্তল কামরুল। সে সকলের নিকট পিস্তল কামরুল নামে পরিচিতি ও যুবলীগের নাম বেচাকেনা করেন এবং অসহায় মানুষের দোকনপাট ও বাড়িঘর দখল করেন। মালিকদের অনুপস্থিতি আছে জানতে পারলে সে মরিয়া হয়ে উঠে পড়ে সে জায়গায় দোকান, বাড়ি নিজের নামে করে নেন এমনই একটি ঘটনা আমরা অনুসন্ধন পেয়ে খবর নিতে ঘটনাস্থলে যাই। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসে মগবাজার কলাবাগানের নতুন আতস্কের নাক কামরুল ইসলাম ওরফে পিস্তল কামরুল। এই সিরাজুল ইসলামের বাংলামোটর ঐশী মোটরস নামের ৯নং দোকন ছিল যা কামরুল ইসলাম ওরফে পিস্তল কামরুল নামে পরিচিত এই কামরুল আমাকে পিস্তল দেখিয়ে অজ্ঞাত ৫০ থেকে ৫০/৬০ জন যুবক ছেলে নিয়ে এসে আমার চলমান দোকন থেকে বের করে দেয়। দোকানে থাকা অর্ধকোটি টাকার মালামাল সে রাস্থায় তার দলবল নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেন। কথার প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক একটি ঘটনা জানতে পারি এবং অনুসন্ধান করতে গিয়ে যমুনা টিভির একটি নিউজ এর সন্ধান মিলে। এই কামরুল নামে করা নিউজটি যাতে ছিল রিহাব এর প্রধান কার্যালয় ১১ অক্টোবর একটি বোর্ড মিটিং চলাকালীন অবস্থায় পিস্তল হাতে কামরুল ও তার সহযোগী কিছু সন্ত্রাস বাহিনী নিয়ে ওই বোর্ড মিটিং এর সম্পাদক কে ভষণ দেয়া অবস্থায় ওইখান থেকে টেনে বের করে দেয়অ হয়। পরো বোর্ড মিটিং সদস্যরা হতভম্ব হয়ে পড়েন এবং অনেক এ ঘটনায় কর্মস্থলে আসা বন্ধ করে দেন। তাদের ভষ্যমতে এই কামরুলকে মদদ দিয়ে যাচ্ছেন ঊর্ধ্ব পদে থাকা আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মীবৃন্দ। মো: কামরুল ইসলাম (৪০), পিতা মোহাম্মদ আজিজ সাং ২৬৯ কাঠলবাগান, ঢাকা। অনেক অবৈধ, চাঁদাবাজি কর্মকান্ডে অভিযোগ ওঠে তার নাকে। গত ২২.০১.২০১৯ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৪ ঘটিকার সময় মো: কামরুল ইসলাম সহ আরো অজ্ঞাত নামা তার দলবল নিয়ে মো: সিরাজুল ইসলাম এর উপর হামলা চালায়। এর আলোকে বের হয়ে আসে তার সকল অপকৃতি। একে একে ঘটনার বর্ণনা দেন মো: সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন বর্তমানে জাপান তাগেচি কনস্ট্রীফশান এর পরচালক এর নিকট একটি চুক্তিনামা মূল্যে ৪৮ লক্ষ টাকার একটি চুক্তি হতে আমি মো: কামরুল ইসলামের নিকট পাওনা আছি। মো: কামরুল ইসলাম গত এক বছর আমার টাকা দিয়ে আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। আমি টাকা চাইতে গেলেই মো: কামরুল ইসলাম তার কিছু দলবল নিয়ে আমার দোকানে এসে হুমকি দিয়ে যায়। গত ২২.০১.২০১৯ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৪ ঘটিকার সময় মো: কামরুল ইসলাম সহ আরো অজ্ঞাত নামা কয়েকজন সহ আমার দোকনে এস আমার কর্মচারীর মাধ্যমে আমকে খবর পাঠালে আমি আমার দোকানে আসি। মো: কামরুল ইসলাম বলেন আমি যদি আমার ৪৮ লক্ষ টাকা তার কাছে কোনদিন চাইতে যাই তাহলে সে আমাকে ৪৮ রাউন্ড গুলি করে মেরে ফেলবেন বলে হুমকি প্রদান করে। এবং আমার দোকন থেকে পিটাতে পিটাতে মগবাজার নিবে এবং কান ধরে আমাকে বাংলামোটর রাস্তা দিয়ে দৌড়াইয়া দৌড়াইয়া পিটাবে বলে হুমকি প্রদান করে । তিনি তার অপরাধ জানতে চাইলে ঐ দিনই পিস্তল ধরে তার দোকন থেকে তাকে বের করে দেন। মো: কামরুল ইসলাম ও অজ্ঞাত নামা তার সঙ্গীরা মিলে তার দোকানের সিসি ক্যামের, ডিভিআর, মনিটর মূল্যবান মালামল সহ আসবাবপত্র ভেঙ্গে ফেলে এবং আমার ১০লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে। দোকানের সকল মাল-সামানা যে রাস্তায় তার দলবল নিয়ে ফেলে দেন। এ ব্যাপারে তিনি রমনা থানায় তার জীবন নিরাপত্তার জন্য তার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য এবং অনাকাংখিত ঘটনার সুষ্ঠ বিচারের জন্য একটি সাধারন ডায়েরী করেন। রমনা মডেল থানায় জিডি নং-১৪৬৯: ২৪/০১/১৯। মোঃ কামরুল ইসলাম এর সাথে সাংবাদিক টিম যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি দেখা করতে অস্বীকৃতি জানায়। তিনি অস্বীকার করেন সিরাজুল ইসলামের সাথে তার কোন ধরনের বিরোধ নাই। তিনি সাংবাদিককের সাথে চরম উত্তেজিত হয়ে হুমকি আচরন শুরু কথা বলেন। তিনি বলেন-আপনি কোন প্রত্রিকার? অঅমার নাম কি? আমি পাঁচ মিনিট পর আপনাকে কল দিচ্ছি। তিনি দেখে নেয়ারও হুমকি জানান। কিছুক্ষন পর সাংবাদিক টিমকে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি প্রর্দশন করেন। তার ব্যাপারে নিউজ না করার জন্য। সাংবাদিক টিম মুঠোফোনের মাধ্যমে তার সাথে জানতে চান অঅপনরা লিডারকে? তিনি তার প্রশ্নের জবাবে বলেন আমার লিডার নাই যেই হোক আমি কাউকে পরোয়া করি না। সাংবাদিক টিম জানতে চান আপনি নিথিল, তাপস বেল্টের কাজ করেন ? তিনি বলেন নিথিল,তাপস গনা টাইম নাই। সাংবাদিক টিম তারপরে বলেন আমি এই ব্যাপাটি নিথিল ভাই অথবা তাপস ভায়ের সাথে কথা বলবো তিনি বলেন আমার বালটা ছিড়ে দেখাইয়েন।হুমকি স্বরুপ মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন আমার নাম উপরের সকলে অবগত আছেন। আমার নামে যা মনে চায় কইরা দেখান। একই সাথে মুঠোফোনের তার সাথে একবার কথা বলার পরআর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।সত্য উদঘাটনের জন্য সাংবাদিক টিম মো ঃ সিরাজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করেন এবং তার একান্ত সাক্ষাৎকার নেন।তিনি অশ্রæসিক্ত অবস্থায় বলেন আমাকে মাটিতে শুইয়ে মেরে ফেলুন।ব্যাাংকের লোন আমি আর লোড নিতে পারছি না ।আমাকে প্রতিনিয়ত হুমকি প্রর্দশন করে তার বাহিনী ফেসবুকে আমাকে ফেলার হুমকি প্রদান করে ।আমি আমার টাকা উদ্ধারের জন্য কথা বললে আমার ৪৮ ইঞ্চি বুকের মধ্যে ৪৮ রাউন্ড গুলি করবে বলে হুমকি প্রদান করেন। আমার মেয়ে আপন ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তার সন্ত্রাস বাহিনী আমার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে জনসম্মুখে।এমতাবস্থায় আম আইন প্রশাষনের কাছে একটি সমাধানের জন্য গিয়েও সুস্ঠু সমাধান পাইনি। কিন্তু তিনি বলেন আইন সুঙ্খলা বাহিনী আমাকে মিয়ুচুয়ার হয়ে যাওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। তারা বলেন মোঃ কামরুল ইসলাম দলীয় যুবলীগ নেতা তার ব্যাপারে আপনি বসে মিমাংসা করে নিন। মোঃ কামরুল ইসলাম এমপি শাওন, তাপস এবং নিখিল ভাইয়ের দাপট দেখিয়ে তাকে ঢাকা থেকে উচ্ছেদ করবেন বলে জানান।

এক মূহূর্তের জন্য তার স্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি বলেন আমার স্বামী একজন সৎ ব্যাক্তি সংসার জীবনে কখনো কারো ১ টাকা খেতে দেখিনি তার অক্রান্ত পরিশ্রমে আমরা অনেক সুখি পরিবার ছিলাম। গত ২ বছরে আমাদের পরিবার সম্পূর্ন রুপে পথে নেমে আসে আমার ছোট মেয়ের গত ৬ মাসের স্কুলের বেতন পর্যন্ত আমি দিতে পারছি না। বসত বাড়ি জায়গা বিক্রি করে ব্যাংকের লোন পরিশোধ করার চেষ্টা করলে ও এখন আমি নিরুপায়। হয়তো কয়েকদিন পরে আমাদের সবাইকে রাস্তায় নামতে হবে। তাই তিনি প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আর্কষন করেন এবং একটি সুষ্ট সমাধান চান। তিনি প্রধান মন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন করেন তিনি তার সাথে স্বাক্ষাত করে এ ব্যাপারে তার দলীয় লোকের ব্যাপারে দৃষ্টান্ত মূলক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানান। দেশ নেত্রী আমাদের সকলের মা। আমি মায়ের কাছে বলতে চাই, যেই দল সুশৃঙ্খল সেই দলে একজন চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী দলীয় নেতা পরিচয় দিয়ে একের পর এক অপকর্ম করে দলের নাম বদনাম করে যাচ্ছে। তার ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহন করবেন বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই সকল বিষয় কামরুলের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি বলেন সিরাজের বিষয়ে আমি আপনাদের সাথে কথা বলব না।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com