বুধবার, ১২ মে ২০২১, ১১:৫৫ অপরাহ্ন

আছে কিস্তির জালা। সামাজিক দূরুত্ব মানছে না এনজিওর মাঠ কর্মিরা।

লকডাউনে বিপদে পড়েছে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বিভিন্ন এনজিওর থেকে লোন গ্রহীতারা। সারা বাংলারদেশে লকডাউন বাহিরে বের হতে পারছে না মানুষ। বের হলেই পড়তে হচ্ছে প্রশাসনের জেড়ার মুখে। ফলে বাড়িতেই থাকতে হচ্ছে বাধ্য হয়ে। মধ্যেবিত্ত ও নির্মআয়ের মানুষ যারা দিন আনে দিন খায়।তাদের মাথার উপর রয়েছে কিস্তির বোঝা। বাড়ি থেকে বের হতে না পাড়লে বা ব্যাবসা বানিজ্য না করতে পারলে কি ভাবে তারা কিস্তি পরিশোধ করবে। এই নিয়ে দিশে হারা হয়ে পড়েছে রাজৈরের মধ্য বিত্ত ও নির্মআয়ের মানুষ গুরো।

জানা জায়, মাদারীপুরের রাজৈরেরর বিভিন্ন এনজিও গুলো লকডাউন থাকা সত্ত্বেও কিস্তির কার্যক্রম চালু রেখেছে। এই লকডাউন এর মধ্যে যেখানে ঘর থেকে বের হওয়া নিশেধ সেখানে এনজিওর মাঠ কর্মিরা দাপিয়ে বেডাচ্ছে কিস্তির জন্য এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায়। সুধু তাই নয় এরা মানছে না সামাজিক দূরুত্বও এক জায়গায় সকলকে জমায়েত করে নিচ্ছে কিস্তি। এই লকডাউনের মধ্যে উপজেলার মজুমদার কান্দি গ্রামে দেখা যায় গ্রামীণ ব্যাংক, ব্রাক ব্যাংক, অংকুর, আশা ইসলামিয়া ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক গুলো, এই লকডাউনের মধ্যে কিস্তি সংগ্রহ করছে। আর এক জায়গায় জমায়েত করে কিস্তি নিচ্ছে। যেখানে কেউ মানছে না সামাজিক দূরত্ব বা কেউ ব্যবহার করছে না মাক্স। সরকারের কোন নীতি মানছে না এরা। যার ফলে করোনার সংক্রমণ সম্ভাবনা রয়েছে দ্বিগুণ। তবে কিছু ‍কিছু মানুষের আবার লোন প্রয়োজন। লোন না নিলে তারা বাতবে না বলেও অনেকে জানায়।

 

কিস্তি দিতে আসা ৩৫ বছরের এক নারী সদস্য জানা, আমার স্বামী ভ্যান চালায় কিন্তু বাহিরে গেলে পুলিশে তাদের পিটায়া। পুলিশ বাড়ির বাহির হতে দেয় না। এখন আমরা দিন আনি দিন খাই আমরা কিভাবে কিস্তির টাকা দিব। এটাতো আমাদের জন্য সমস্যা হয়ে যাচ্ছে।

 

খিস্তি দিতে আসা অপর ৪০ বছরের এক নারী জানান, আমরা কোথাও থেকে কোনো সাহায্য পাই নি । এখান তেকে কিস্তি উঠাবো সেই টাকা দিয়ে ভ্যান ঠিক করবো। তার পর স্বামী ভ্যান চালাতে পারলে বেচে থাকতে পারো।

 

মনোয়ারা বেগম জানান, সরকার লকডাউন দেছে কিন্তু খিস্তি চালু রাখছে যেখানে বাড়ির বাহিরে যাওয়া নিসেধ সেই খানে কি ভাবে কিস্তির টাকা যোগায়। আমাদের পুরুষ মানুষ। সরকার আমাদের গরিবের কতা ভাবে না।আমরা তো কোনো সাহায্যে পাইলাম না।আমরা কি গরিব না,আমরা কি ধনি।

 

এ ব্যাপারে অংঙ্কুরের রাজৈর ব্রান্সের ম্যানেজার জানায, আমাদের বন্ধ ঘোষণা করেনি তাই আমরা কিস্তির কার্যক্রম চালিয়ে রাখছি তবে আমরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কিস্তি নিচ্ছি । তবে কেউ যদি কিস্তি না দেয় সেক্ষেত্রে তাদের উপর আমরা জোর করছি না।

 

গ্রামীণ ব্যাংক এর রাজৈর শাখার ম্যানেজার জানায়, আমাদের বন্ধ ঘোষণা করেনি সরকার। তাই আমরা কিস্তি নিচ্ছি । আমাদের বন্ধ ঘোষণা করলে আমরা কিস্তি নিবো না।

 

এব্যাপারে রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান বলেন, অফিস আদালত সবই চালু আছে।তারা কিস্তি নিতে পারবে। তবে অবশ্যই স্বাস্থ্য বিভি মেনে নিতে হবে।

 

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com