শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-দপ্তর সম্পাদক হলেন এইচএম সাইফুল ইসলাম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা কায়েসের ঈদ উপহার মাধবপুরে সরকারী নগদ অর্থ সহায়তা পাচ্ছে ৩২৮৬৪ পরিবার শ্রীপুরে রুবেলের ছেল মেয়েদের দায়িত্ব নিলেন ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন অনন্ত ময়মনসিংহের ভালুকায় অটোর-চাকায় ওড়না জড়িয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু মাধবপুরে সরকারিভাবে বোরো ধান সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন বিবাহ বহির্ভূত একাধিক সম্পর্ক ছিল হেফাজত নেতা জাকারিয়ার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাই গেলেন করোনা আক্রান্ত হাসি ঈদে তাদের ‘টোনাটুনির গল্প’ অভিনেতার সঙ্গে প্রেম, বিয়ে করছেন ব্যবসায়ীকে

রূপনগরে এক রাতেই সড়কে দোকানপাট বসিয়ে কোটি টাকা বানিজ্য-প্রশাসন নিরব

খবরের আলো :

মোঃ রাজু আহমেদ

সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ অভিযানের পর এক রাতেই সড়কে ফের দোকানপাট বসিয়ে কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে রূপনগর থানা আওয়ামীলীগের এক নেতা ও এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে।

জানাযায় রাজধনীর মিরপুর রূপনগর থানাধীন দুয়ারীপাড়া এলাকার লতিফ ভাওয়াল ওরপে লতিফ মোল্লা, পুলিশের সোর্স কাদের, চাঁদাবাজ-ছদ্মবেশী মাছ বিক্রেতা আওলাদ, এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সুজন  প্রভাবশালী এক কাউন্সিলের যোগ-সাজসে ফুটপাত ও সড়ক অবৈধভাবে দখল করে হাজার হাজার দোকান বসিয়ে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা দোকান প্রতি অগ্রিম (অফেরতযোগ্য) নিয়েছে বলে এলাকায় কানাঘুঁষা চলছে। এই সমালোচনা এলাকার চায়ের দোকানে, বাসের কাউন্টার সহ বিভিন্ন স্থানে সরব উঠেছে।

দুয়াড়ীপাড়া মোড় থেকে মোল্লা টাওয়ার পর্যন্ত  ফিতা মেপে গভির রাতে সড়কে দোকান বসিয়ে প্রতি দোকান থেকে এ চাঁদা তুলা হয়। ওই রাতে রূপনগরে লতিফ সহ তার সিন্ডিকেটের সদস্যদের মাঝে অন্যরকম আনন্দ উল্লাস ও মদ্যপান করে এলাকায় হৈচৈ চেচামেচি করে নিজেদের আওয়ামীলীগ নেতা দাবী করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, আওয়ামিলীগ নেতা লতিফ ভাওয়াল ওরপে লতিফ মোল্লা, রূপনগর থানার সোর্স কাদের, মাছ বিক্রেতা আওলাদ, দুয়ারীপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সুজন এরা একটি সিন্ডিকেট। এরা সবাই এখন কাউন্সিলরের পরিচয়ে চলে। থানা পুলিশ সব জেনেও নিশ্চুপ থাকে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ অভিযানকে বৃদ্ধা আঙ্গুলী দেখিয়ে ফুটপাত ও সড়ক দু’হাত করে মেপে দোকানপাট বসিয়ে এক রাতেই কোটি টাকা চাঁদা তুলে এলাকায় সমালোচনার ঝড় তুলেছেন। যা প্রকৃত আওয়ামীলীগের রাজনৈতিকবীদরা আলোচনা সমালোচনার সম্মুখীন হচ্ছেন। যারা দলের নাম ভাঙ্গিয়ে ও রূপনগর থানা পুলিশের সহযোগিতায় সাধারণ মানুষের চলাচলের  রাস্তায় দোকান বসিয়েছে তারা সরকারের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং আওয়ামিলীগ দলের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে বলে মনে করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসানউল্লাহ মাষ্টার।

একাধিক অভিযোগ রয়েছে, রূপনগর থানাধীন এলাকার সড়ক ও ফুটপাত দখল করে বিভিন্ন ধরনের ৯ থেকে ১০ হাজার দোকান বসিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখা টাকা চাঁদা তুলছে। দুয়ারীপাড়ার বাজার লতিফ গং নিয়ন্ত্রণ করে। দুয়ারীপাড়া বাদে রুপনগর থানাধীন এলাকার সকল ফুটপাত ও সড়ক নিয়ন্ত্রণ করেন রূপনগর থানার সোর্স কাদের। এলাকার চাঁদা কালেশন সোর্স কাদের যাতে অনায়াসে করতে পারে সেই জন্য তাকে একটা মোটরবাইক দেওয়া হয়। সোর্স কাদেরের নিরাপত্তার জন্য সিভিলে অনেক সময় পুলিশ সদস্য বাইকের পিছনেও দেখা যায়। পুরো থানা এলাকা সেই মোটর বাইক নিয়ে চাঁদা উঠায় ও দাপিয়ে বেড়ায়।

এক সময় দুয়ারিপাড়ার সড়কের বাজার নিয়ে সোর্স কাদের ও লতিফ মোল্লার মাঝে হট্টগোল বাধে চাঁদার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে। লতিফ হলো স্থানীয় এমপি ও কাউন্সিলরের লোক। অন্যদিকে সোর্স কাদের হলো রূপনগর থানার সোর্স। পরে অবশ্য স্থানীয় হেভিওয়েট নেতারা বসে তাদের দুজনকে মিলিয়ে দেয়।

একদিন সোর্স কাদের চাঁদা না পেয়ে ফুটপাতের এক দোকানদারকে মারধর করছে। স্থানীয় এক সাংবাদিক সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারনের চেষ্টা করলে ক্ষিপ্তহন কাদের। সাংবাদিক জানতে চায় আপনি কেন এই গরিব লোকটাকে মারছেন? রাগান্বিত হয়ে হুমকি দিয়ে সোর্স কাদের বলে ‘আমি রূপনগর থানার চাঁদাবাজ’ পারলে আমার কিছু কর।

কাদের আঙ্গুল উঁচু বুকের সিনা টান  করে বলে আমি রূপনগর থানার সীল মারা চাঁদাবাজ” এই শিকার উক্তি মুলুক জবান বন্দি ভিডিও “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ভাইরাল হয় এবং বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ ছাপা হলেও থানার বহুপুরোনো (অপারেশন) অফিসার মোকাম্মেল হক ও  রূপনগর থানার (ওসি) আবুল কালাম আজাদ কোনো ব্যবস্থাই নেননি। এই ঘটনার পর সোর্স কাদেরের অপরাধ কর্মকান্ড আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

এলাকাবাসী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, লতিফ ভাওয়াল ওরপে লতিফ মোল্লা আনবিক শক্তি প্রজেক্টে বসে এ বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। সেখানে একটি আওয়ামিলীগের কার্যালয় বানিয়েছেন। কার্যালয়ে পিছনে নামায় শতশত কাঁঠা সরকারি খাসজমি দখল করে বস্তি বানিয়ে ঘর করে ভাড়া দিয়েছেন।

এছাড়াও সেখানে অবৈধ অটোরিকশা তৈরির গ্যারেজ ও বস্তিতে ব্যবহার হয় রাস্ট্রীয় বহুমুল্যবান সম্পদ “গ্যাস “বিদ্যুৎ “পানি অবৈধভাবে সংযোগ দিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন গায়ে লাগিয়ে আওয়ামীলীগের সাইনবোর্ড।

এই সিন্ডিকেটের নাগাল ছুতে পারেনি এখন পর্যন্ত প্রশাসনের কেউ। এই লতিফ-ই এখন এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা। এলাকায় গড়েছেন বহুতল ভবন।

অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণকারীরা যদি অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়, তবে প্রতিবাদকারীদের নিরব দর্শক হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকেনা। কারণ অপরাধ নিয়ন্ত্রণকারীরাই তখন অপরাধী বনে যান। অটোরিকশা ও ফুটপাত ও সড়কের ক্ষেত্রে বেলায় ঘটছে সেটিই। সরকার প্রধানের পক্ষ থেকে প্রত্যক্ষ নির্দেশনা না এলে এই ‘মিউচুয়াল ক্রাইম’ বন্ধ হওয়ার কোনো আশা নেই— এমনটিই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেখা যায় দুয়ারীপাড়া মোড়ে সড়কে একাধিক বাসের কাউন্টার, দুয়ারীপাড়া মোড় থেকে ভোলাইয়া বস্তি পর্যন্ত  ওয়াসার মুল ফটকের সামনে একাধিক ভাঙ্গারী মালের দোকান। রূপনগর থানার বিভিন্ন বিভিন্ন  সড়ক ঘুরে চোখে পড়ে একই চিত্র।

অবৈধ যে সকল স্থানে লতিফের বানিজ্য চলে বেশির স্থানেই তার ফটো টানানো থাকে। দুয়ারীপাড়া মোড়েই চোখে পড়ে লতিফের বিশাল বড় ব্যানার।

ফুটপাত ও সড়ক থেকে দোকান ভেদে চাঁদা উঠানো হয়:  মাছ দোকান ২০০ টাকা, মুরগীর দোকান ২০০ টাকা, চটপটি দোকান ২০০ টাকা, শালসার দোকান ২০০ টাকা, টোং দোকান ১০০  টাকা, সবজি দোকাব ১০০ টাকা ও ভ্যানগাড়ী থেকে ৫০ টাকা। অন্যদিকে ময়লা কামাল ও লুৎফর নামে এরা প্রতি দোকান থেকে সরকারী সম্পদ অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ও পানি দিয়ে প্রতি দোকান থেকে ৩০ থেকে ৫০ টাকা চাঁদা নেয়।

রূপনগর থানা এলাকার সকল ফুটপাত ও সড়কের অলিগলিতে বাজার বসানো, খাল পাড়ে কেরামবোর্ড খেলার নামে  জুয়াসহ সকল অবৈধ স্থাপনায় কাদের সিন্ডিকেটের সাইন ছাড়া কোনো কিছু করা সম্ভব নয়।

মাছ বিক্রেতা আওলাদ বলেন, আমি টাকা উঠাইনি টাকা কাদের উঠায়। অভিযোগ আছে রাতে সড়কে ফিতা দিয়ে ফুট মেপে দোকানের পজিশন বিক্রির টাকা উঠায়ে ভাগবাটোয়ারা তো আপনি করেছেন? এমন প্রশ্নে: আওলাদ বলেন, আমি জানিনা কাদের বলতে পারবে। যারা আমার নামে বলছে তারা মিথ্যা বলেছে। আমি এই বাজারের সেক্রেটারি ছিলাম তাই আমার বিপক্ষের লোকজন এগুলো ছড়াইতেছে।

এ বিষয়ে জানতে কাদের এর ব্যবহারিক মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোনের ওপাশ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

রূপনগর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদকে আট-মাস ধরে কাদের সিন্ডিকেটের সকল অপকর্মের তথ্য দিলেও তিনি কোনরুপ ব্যবস্থা নিতে পারেননি। শুধু আশ্বাসের বুলি শুনিয়েছেন অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দা ও গণমাধ্যম কর্মীদের।

স্থানীয় বাসিন্দা মনির মোল্লা বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা ও নব কাউন্সিলের নির্দেশে দুয়ারীপাড়ায় এলাকায় গরিব মানুষের রক্ত চুষে খায় লতিফ মোল্লা। তিনি আরও বলেন বিএনপি নেতা হাই মোল্লা, মাদক ব্যবসায়ী সুজন, থানার সোর্স কাদের,  মাছ বিক্রেতা আওলাদ এরাই সকল কিছুর মুলহোতা। মনির মোল্লা আরও বলেন, আওয়ামীলীগের নাম বিক্রি করে যারা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। দলের লেভাস পরে লতিফ ও বিএনপি অঙ্গসংগঠনের পদধারী নেতা হাই মোল্লা কিছুদিন ধরে নব আওয়ামিলীগ সেজেছে চাঁদাবাজি করে রাতারাতি  অঢেল সম্পত্তির মালিক বনে গেছে।

আওয়ামীলীগ নেতা লতিফ  মোল্লা চাঁদাবাজির সাথে জড়িত না দাবী করে এই প্রতিবেদককে বলেন, আমি তো কাদের কে কতবার মারতে গেছি চাঁদা তুলে বলে। আমি তাদের বলেছি, তোরা যা মন চায় তাই কর কিন্তু আমার নাম কস ক্যান। আমি সড়ক ও ফুটপাতের টাকা এখন খাইনা, আল্লাহ’র রহমতে আমি ভালো আছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, কাদের সিন্ডিকেটের সাথে টিভি চ্যানলের এক ক্রাইম রিপোর্টার আছে। ২০টি দোকান তারও রয়েছে সড়কে। ওসির সাথে তার খুব সুসম্পর্ক রয়েছে।

দুয়ারীপাড়া ফুটপাতের দোকান্দার কালাম বলেন , আমি এক হাত জায়গা বহু কষ্টে পেয়েছি ৫ হাজার টাকা দিয়ে। আমি দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে দোকান করি এখানে। কান্না জনিত কন্ঠে ওই দোকানদার বলেন, আওলাদ কয় তুমি আমাদের দলের লোক না! তুমি বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন মোল্লার লোক তাই তোমাকে এক হাত দিলাম, বেশি কথা কইলে এই এক হাতও দিবোনা। প্রতিটি দোকান থেকে তারা ১০, ১৫, ২০ হাজার টাকা নিয়ে সড়কে দোকানের পজিশন বিক্রি করছে।

দোকানদার আরও বলেন, প্রতিদিন ৫০ থেকে ২৫০ টাকা চাঁদা দিতে হয়  কাদের সিন্ডিকেটকে। না দিলে পুলিশ এসে দোকান তুলে দেয়। তিনি বলেন পুলিশের নাম করে সাপ্তাহে আবার ২০০ টাকা চাঁদা নেয় কাদের সিন্ডিকেট। ময়লা কামাল ও লুৎফর নেয় ৬০ টাকা। সরকারি বিদ্যুৎ ও পানির অবৈধ সংযোগ দিয়ে। পেটের দায়ে রাস্তায় দোকান করি চাঁদা নিলেও পরিবার নিয়ে তো বাঁচতে পারি।

পথচারী আলী আকবর বলেন আমি নিয়মিত অফিসে যাতায়াত করি ইস্টার্ন হাউজিংয়ে আমার বাসা। এক মাস আগেই সড়কের পাশে থাকা সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে সিটি কর্পোরেশন এরপর থেকে যানজট কমে গিয়েছিলো এখন আবার যা-তাই। শুনেছি প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশ মিলে দোকান বসিয়েছে আমরা জেনেও কিছু করতে পারিনা। জন প্রতিনিধি ও থানার পুলিশ যদি অপরাধের সাথে যুক্ত থাকে তাহলে সে এলাকায় বসবাস করাই দুষ্কর ও বিপদজনক বটে।

স্থানীয় বাসিন্দা বিএম ইনামুল হক বলেন, রূপনগরে প্রকাশ্যে চলে কেরাম বোর্ড খেলার নামে জুয়া, শতশত কেরাম ঘর তৈরি হয়েছে রুপনগর খাল পাড় জুড়ে। এ টাকার ভাগ থানা পর্যন্ত যায়। থানার ওসিকে বার বার বললেও  কোনো পদক্ষেপ নেয়না। ফুটপাত ও সড়কের বিষয়ে আর কি বলবো।

সড়কের দোকানদার মজিবর বলেন, সড়কে দোকান করি এমনিতেই অবৈধ, তারপরও যদি টাকা পয়সা না দেই তাহলে তো পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যাবে। টাকা নিলেও শান্তিতে রাস্তায় দোকান করতে পারি।

রূপনগর থানা কৃষকলীগের সভাপতি হাজী হারুন বলেন, কিছু দিন আগে সিটি কর্পোরেশনের নেতৃত্বে সড়ক ও ফুটপাত দখল মুক্ত হয়েছিলো স্থানীয় প্রভাবশালী ও কাদের সিন্ডিকেট আবারো সড়ক দখল করে চাঁদাবাজীতে মগ্ন রয়েছে। পুলিশ কি করে বুঝিনা ?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রূপনগর থানার এক পুলিশ বলেন, থানার মা’বাপ হলো ওসি” স্যার, ওসি স্যার যদি মনে করেন এই থানা  এলাকায় জুয়া চাঁদাবাজিসহ কোনো প্রকার অপরাধ চলবেনা তাহলে অপরাধীরা এলাকা ছেড়ে পালাবে। তিনি আরও বলেন, আমি পল্লবী থানায় থাকাকালীন সময়ে ওসি দাদন ফকির স্যারের কাজ দেখেছি, পল্লবীর রাস্তা ঘাটে দোকানপাট বসিয়ে চাঁদাবাজি করা তো দুরের কথা জুয়া মাদক ব্যবসায়ীরা সহ সকল ধরনের অপরাধীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে। থানার ওসি কঠোর হলেই অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

কাদের থানার নাম করে সড়কে চাঁদা তুলে জানতে চাইলে রূপনগর থানা ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, কাদেরনাম আমিও শুনেছি তাকে খুজে পাচ্ছি না। ওসি আরো বলেন, কোনো টাকা পয়সা আমি নেইনা, আমি আরো সড়কের দোকানপাট উচ্ছেদের জন্য কাউন্সিলর ও সিটি কর্পোরেশন বরাবর চিঠি দিয়েছি। কোন ভাবেই সড়কে দোকান বসতে দেওয়া যাবেনা।

দোকান বসিয়ে লাখ টাকা চাঁদাবাজির বিষয়ে জানতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পীর ব্যবহারিক মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত (১১ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় ডিএনসিসি অঞ্চল-২ এর একটি ভ্রাম্যমান আদালত মিরপুর ৬ নম্বরের আদর্শ স্কুল সংলগ্ন সড়ক ও ফুটপাতের শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে। পরে বেলা ১২ টার-দিকে রূপনগর দুয়াড়ীপাড়া সড়কের অবৈধ কাঁচা-বাজারটি উচ্ছে করে সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমান আদালত।

১০/২/২০২০ তারিখে ফের আবার সড়কে দোকান বসলে ২৮/১০/২০২০ তারিখে বুধবার, সকলে আবারো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে ঢাকা উত্তর  সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

১১ টি মামলা ও জরিপনা করেন অবৈধ দখলদারদের। এর কদিন পর রাতেই সড়ক আবারও দখল করে চাঁদাবাজি চলমান রয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com