শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০১:০৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
নাটোরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩৭৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার  স্পেনের জাতীয় জাদুঘরে অভিবাসীদের আনন্দ উৎসব পরকীয়া করতে এসে ধরা খেল  প্রেমিক!  থানায় মামলা, প্রেমিক শ্রীঘরে! রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নারীদের গুরুত্ব নিয়ে ফেসবুকে আবেগময় পোস্ট করেন মামূনি খান (মনি)   ত্রিমোহনী সেতু প্রবেশ মুখে  গর্তের সৃষ্টি হয়েছে,  ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে নতুন সড়কের উদ্ভোদন করলেন নুরুল ইসলাম রাজা শরীয়তপুরে ২ হাজার ৭৩২ পিচ ইয়াবা সহ আটক মাদক ব্যবসায়ী ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের তালিকাভুক্ত কুখ্যাত ডাকাত ফারুক গ্রেপ্তার বড়াইগ্রামে ট্রাক-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ চালক নিহত উদাসীনতায় হিলিতে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ

মিরপুরের আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ এখন “মেন্টাল তুহিনে”র হাতে !

খবরের আলো :

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গত ১৬.মে মিরপুরে  শাহিনুদ্দিন  নামে এক ব্যক্তি কে নিজ সন্তানের সম্মুখে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে  সন্ত্রাসী সুমন বাহিনী কুপিয়ে হত্যা করে।

 এ হত্যায় জড়িত বেশ ক’জন ইতিমধ্যেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। এই হত্যার  এজহারভুক্ত আসামি মানিক গ্রেপ্তার হয়,পরে মনির ও গ্রেপ্তার হয়।  উভয়কে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে  গেলে  গোলাগুলিতে নিহত হয়। অল্প সময়ের মধ্যে হত্যার ষড়যন্ত্র কারী প্রধান আসামি এম এ আউয়াল (সাবেক) এমপি সহ আসামীদের’কে গ্রেফতার করায় এলাকা বাসি স্বস্তি প্রকাশ করেছে।এই হত্যা  জড়িত আসামিদের কে দ্রুত গ্রেফতার কড়ায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সাফল্য  বলে মনে করছে দেশবাসী।

মিরপুর জন্ম লগ্ন থেকেই চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী দের রাজত্ব চলে আসছে। কারন মিরপুর বেশিরভাগ মানুষ  বহিরাগত ও ননবেঙ্গলি।এই নলবেঙ্গলি মানুষগুলো অধিকাংশ পাকিস্তানের বংশোদ্ভূত, এ কারণে তারা বেশিরভাগ মানুষ উগ্র ও হিংস্র প্রকৃতির।

বর্তমানে মিরপুরে  সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি রাজত্ব কমেগেলেও  মোবাইল কল, চাঁদাবাজি,কনট্রাক কিলিং,গার্মেন্টস নিয়ন্ত্রণ,অবৈধ অটোরিকশা কার্ড বাণিজ্য, ফুটপাত নিয়ন্ত্রণ, বউ বাজার নিয়ন্ত্রণ, সহ মাদক স্পর্ট, জুয়ার স্পট, মিনিবাসের চাঁদা, জায়গা দখল সহ অবৈধ সকল কার্যক্রম অবাধে চলছে।

 অনুসন্ধানী তথ্যে উঠে এসেছে মিরপুরে শীর্ষসন্ত্রাসী সাথে স্থানীয়  ’মেন্টাল তুহিন’ তরুণ নেতা, আঁতাত করে গার্মেন্টসের ঝুট এক্সেসরিজ থেকে শুরু করে,অবৈধ অটোরিকশার বাণিজ্য,ও অটোরিকশা ব্যাটারি চার্জ, বউবাজার বসিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে চাঁদাবাজি, বিকেলে ফুটপাতে কাপড় বিক্রির,বাজার  বসিয়ে  চাঁদা তুলে  সব মিলে প্রতিমাসে প্রায় পল্লবী ও রুপনগর থানার এরিয়া হতে কয়েক কোটি টাকা বাণিজ্য হয়।

 দেশের বাহিরে থাকা শীর্ষসন্ত্রাসী ,রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসন এর অসাধু অফিসার, কথিত সাংবাদিক,ওয়ার্ড ভিত্তিক নেতা, প্রতিমাসের ৫  তারিখ হইতে ১০ তারিখ এরমধ্যে রেশিও অনুপাতে বন্টন করা হয়। কেউ কারো বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ। শুধুমাত্র বণ্টন  হেরফের হলে বা দিতে দেরি হলে সংঘাতের রূপ নেয়,চলে হত্যা মত পরিকল্পনা, দেওয়া হয় ভাড়াটে কিলারদের সন্ত্রাসী রাজত্ব কায়েম রাখার জন্য যা করার দরকার তখন করে থাকে।

 শীর্ষ সন্ত্রাসীরা প্রায় দুই দশকেরও বেশি বাইরে অবস্থান করায়, নতুন প্রজন্মের,কিশোর গ্যাং মোবাইল কল গ্যাং, নাম উঠে আসে।

অনুসন্ধানে উঠে আসে ”মেন্টাল তুহিন “ মিরপুর পল্লবী আন্ডারওয়ার্ল্ডের  সব রকমের  অপরাধমূলক  কর্মকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পূর্বে  মাস্টারমাইন্ড মূল হোতাদের সঙ্গে ’মেন্টাল তুহিনের’ সঙ্গে একবার হলেও বৈঠক হয়ে থাকে।এরপর বাস্তবায়ন হয়।মেন্টাল তুহিন ধরাছোঁয়ার বাইরে  থেকেই যায়।

মেন্টাল তুহিনের,ব্যাপারে প্রশাসন নিশ্চুপ কেন? পল্লবী থানার  একজন অফিসার নাম প্রকাশ না করার শর্তে  তিনি খবরের আলোর প্রতিবেদককে জানান মেন্টাল তুহিন এর ব্যাপারে পূর্বে পল্লবী থানা, পুলিশ ’মেন্টাল তুহিন’কে  তার অপকর্মের জন্য  তাকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টাও করে ব্যর্থ হয়। তাতে সে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তৎকালীন পল্লবী থানার সেকেন্ড অফিসার  এস,আই,কামরুল হাসান (উজ্জল) কে  ব্ল্যাকমেইলিং করে এসআইকে বদলিসহ হয়রানি করা হয়।

 ’মেন্টাল তুহিনের’  সকল অপরাধ  গোয়েন্দা সংস্থার ছায়া  তদন্তের  জন্য এলাকাবাসী দাবি জানান।  এলাকার জনগণ মনে করে   তার  সকল  কুকর্ম বন্ধ করতে পারলে সাইনুদ্দিন এর মত  ছেলে অকালেই  মৃত্যুবরণ  করতে হত না।

মেন্টাল তুহিনের’দাপটের সম্মুখে  সাহস করে  কেহ পদক্ষেপ নিতে ইচ্ছে থাকলেও বিশেষ একটি মহলের চাপে তা সম্ভব হয়না, কারণ মেন্টাল তুহিনের হাত এত লম্বা তার কথায়  সরকারদলীয় এমপি,আওয়ামী লীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগের হেভিওয়েট নেতা,সহ ওয়ার্ড কাউন্সিলর, সুমন বাহিনী, আড্ডু বাহিনী, কিশোর গ্যাং, মোবাইল কল গ্যাং, যুব দলের ক্যাডার মোঃ জহির ওরফে  পিচ্চি জহির, সাদ্দাম হোসেন (,ইয়াবা ব্যবসায়ী) যুবদলের ক্যাডার, সহ  বাংলাদেশের  জাতীয়  পত্রিকার বড় বড় মাপের সাংবাদিক,  তড়িত্গতিতে তার অপকর্মের ওপর  চাদর দিয়ে  ঢেকে দেন।

 মিরপুরে পল্লবীতে বসবাসরত এক ভোক্তভোগী নাম:নাসিমা আক্তার,প্লট নং-৯ রোড নং-৫  সেকশন নং-১১ নান্নু মার্কেট, মিরপুর পল্লবী ঢাকা-১২১৬ ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন তার নিজ নামে ক্রয় করা সম্পত্তি,সাদ্দাম হোসেন (,ইয়াবা ব্যবসায়ী) দখল করার পাঁয়তারা করে আসছে।এই সাদ্দাম হোসেন ‘মেন্টাল তুহিন’ এর রাইট হ্যান্ড,বিএনপি’র সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর ছত্রছায়ায় ও যুবদলের ক্যাডারদের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবার ব্যবসা করে আসছে।

 সাদ্দাম ও তার সহযোগীরা   প্লট দখল করার  কন্ট্রাক্ট  দেন ”মেন্টাল তুহিনকে” বিনিময় পাবে ৪০,০০,০০০/= (চল্লিশ লক্ষ) টাকা ”মেন্টাল তুহিন।

 তৎকালীন ডিবির অফিসার এসি, ফজলুর রহমানের, চৌকস ভূমিকার কারণে মেন্টাল তুহিন, প্লটটি দখল  করতে ব্যর্থ হয়।

বেশ কিছুদিন পূর্বে পল্লবী থানা, পুলিশ ম্যানেজ করে দিলেও গোয়েন্দা ডিবি পুলিশ ম্যানেজ করতে অক্ষম হন মেন্টাল তুহিন, ডিবি পুলিশ  ৬০০, শত ইয়াবা সহ সাদ্দাম হোসেন’কে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।যার মামলা নং-৩৯  সাদ্দাম কে সেই সময় ”মেন্টাল তুহিন” গ্রেফতার থেকে বাঁচাতে পারেনি বলে  সাদ্দাম কে  পরবর্তীতে পুষিয়ে দেবেন  বলে জানান।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, ”মেন্টাল তুহিন “পল্লবী,রূপনগর, কাফরুল,ভাষানটেক থানা, নিয়ন্ত্রণ করছে ”মেন্টাল তুহিন।

বাহিরে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গার্মেন্টসের  জুট পেমেন্ট, অবৈধ অটোরিকশা বাণিজ্য  পেমেন্ট, মামলা থেকে অব্যাহতি, বাংলাদেশের  স্বনামধন্য  জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার নাম ভাঙিয়ে  মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎকারী মূল হোতা  প্রশাসন ম্যানেজ  কারি  হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত মেন্টাল তুহিন।

 ”মেন্টাল তুহিনের”এর শক্তির উৎস  অনুসন্ধানে দেখা যায় বাংলাদেশ  আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবক লীগের  হেভিওয়েট নেতার খালাতো ভাই পরিচয় দিয়ে  অপরাধ সংগঠিত করে থাকে। এভাবেই হাটি হাটি পা- পা করে পরিচিতি লাভ করে। এরই মাঝে একজন স্বনামধন্য অনুসন্ধানী সিনিয়র রিপোর্টার এর সঙ্গে পরিচয় হয়।তাকে পুঁজি করে বিভিন্ন সময়  বিভিন্ন থানায় মোটা অংকের  টাকার বিনিময় অপরাধীদেরকে ছাড়িয়ে ও নিরীহ লোকদের কে পুলিশ দিয়ে হয়রানি, মিথ্যা মামলা তার পেশা।

সাংবাদিক যদি সত্য ঘটনা আড়াল করে অপরাধীদের অপরাধ করার উৎসাহিত করে তাহলে সেই সাংবাদিকও সন্ত্রাসীদের একজন। সাইনুদ্দিন হত্যার পরিকল্পনার সাথে যারাই যুক্ত সবাইকেই শাস্তি ভোগ করতে হবে। না হলে সন্ত্রাসী বাহিনী আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবে। সাইনুদ্দিন  হত্যার ১০ দিন আগ থেকে হত্যা কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া সুমন সহ অনেকরেই মিরপুর কালসী রোডে আলফালাহ ব্যাংক ও খাবার বিলাশ রেস্তোরাঁর আশপাশে গভির রাত পর্যন্ত বৈঠক করে বলে জানা যায়।সাইনুদ্দিন’কে এর আগেও কুপিয়েছে সুমন বাহিনী কিন্ত তাকে জানে মারতে পারেনি। পরে আওয়াল টাকা বাড়িয়ে দিয়ে সাইনুদ্দিনের আত্মীয়কে কিনে তার গুলাম বানিয়ে রাখে” কথায় আছে” বাড়ীর কুত্তা যদি

বেশি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে তাহলে চোর তো ঘরে ঢুকবেই।সাইনুদ্দিনের বেলায় ঘটেছে সেটি।

আওয়ালের টাকার কাছে মাথা নত করে সাইনুদ্দিনের আত্মীয় ও কাছের লোক গুলো হয়ে গেলো সুমন বাহিনীর সদস্য” সাইনুদ্দিন’কে হত্যা করায় আর কোনো বাঁধাই রইলো না সুমন বাহিনীর জন্য।

খুনের ৯দিন আগেও পল্লবী থানায় সুমন বাহিনীর বিরুদ্ধে ২৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলা করে মেজর মোস্তফা কামাল এরপরেও আসামীরা প্রকাশে ঘুরাফেরা করে। পুলিশের গাফিলতির কারনে সুমন বাহিনীরা এলাকায় আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। পরে মামলার তিনদিন পরে সুমন বাহিনীরা সাইনুদ্দিনের বাসায় জেয়ে হুকমি ধামকি দেয়।  ১১ তারিখে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে পল্লবী থানায় সন্ত্রাসী সুমন, পুতরা জহির, সহ মোট পাচজনকে আসামী করে জিডি করে শাহিন উদ্দিনের মা আকলিমা। ডিজি করেও বাচাতে পারেনি ছেলে সাইনুদ্দিন কে।

ফলে সাইনুদ্দিনের মৃত্যুতে কিছু দালাল কথিত হলুদ, সাংবাদিক ও নেতারা মোট ১০ কাঠা প্লট পাবে বলে জানা যায়।। র‌্যাব ডিবি যদি খুনের এক মাস আগের পিছনের সব ছায়া তদন্ত করে তাহলে বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল।

আলী নগরের জমি কার কার নামে বরাদ্দ ও কিভাবে এরা যুক্ত হলো র‌্যাব ও ডিবি চাইলে সব বের করতে পারবে। আর আগেও এই   মেন্টাল তুহিনের সন্ত্রাসীরা পল্লবীর  পলাশ নগর এলাকায় জমি দখল করতে গিয়ে রাতের আধারে বাড়ী ভাঙচুর করে। পরে

এলাকাবাসীরা ডাকাত ডাকাত করে চিল্লানি দিলে, তারা দৌড়ে পিছু হাটে এবং পল্লবী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলাও হয়।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com