সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
তামুলপুরে মুখ‍্যমন্ত্রী ডঃ হিমন্ত ১১শ ৫ জন প্রাক্তন ক‍্যাডারদের মাঝে ৪লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট সার্টিফিকেট বিতরণ করলেন। রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির শ্রেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান শেরপুরে শীত বাড়াতে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা          আম গাছে ঝুলছিল স্কুল ছাত্রীর লাশ অর্থ আত্মসাৎ অভিযোগে নায়িকা জ্যাকুলিন আটক চন্দনাইশের সাতবাড়ীয়া নির্বাচনে সাফাত বিন ছানাউল্লাহ্’র মনোনয়নপত্র সংগ্রহ মানবিক মেম্বার আলম হাওলাদারের সাথে ড্রিম লাইট’র সৌজন্য সাক্ষাৎ শেরপুরে সেবার মান নিশ্চিতকরণে নাগরিক কমিটির মতবিনিময় রাষ্ট্রদ্রোহী মামলায় অভিযুক্ত হলেন সাংবাদিক মৌলভীবাজারে “মেছো বাঘ” হত্যার দায়ে সাজা

৫১ মাদক মামলার কৌশলী আসামী শিপ্রা! পুলিশ আসলেই টয়লেটের গোপন দরজা দিয়ে পালাতেন তিনি

চুয়াডাঙ্গা শহরের মাদক সম্রাজ্ঞী শিপ্রা।

জনি আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা:

সমাজে মানুষ ভালো হলে তাকে সবাই ভালোই বলে থাকে। সুনামের কাজ করলে তাকে সুনামও করে মানুষ। কিন্তু এদিকে তার পুরোটাই উল্টো ঘটেছে ৬০ বছরের এক বৃদ্ধার বিরুদ্ধে।
তিনি জেলার আলোচিত ও শীর্ষ মাদক বিক্রেতা হলেও সুপরিচিত রয়েছে মাদক সেবীদের কাছে। তাদের কাছে সে একজন খুবই ভালো মানুষ। হাস্যকর হলে এটাই সত্য যে সকল মাদকসেবীদের কাছে তিনি খুবই জনপ্রিয়।
শিপ্রা বিগত ৩০ বছর যাবৎ গাঁজা ফেন্সিডিল, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসা চালিয়ে কতবার পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে তার কোন ঠিক নেই। তিনি শেষবার জেল খেটে বের হওয়ার পরও থামেনি তার মাদক ব্যবসা। কিন্তু অভিযান চালিয়ে তার কাছ থেকে কোন মদক না পেলেও বিভিন্ন মামলার ভিত্তিতে আজ বুধবার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলার বুদ্ধিমান পাড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
শিপ্রা চুয়াডাঙ্গা জেলার বুজরুকগড়গড়ি (শান্তিপাড়ার) এলাকার মৃত বাবুল রহমানের স্ত্রী।

টয়লেটের এই গোপন দরজা দিয়েই পালাতেন শিপ্রা।

চুয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, শিপ্রা চুয়াডাঙ্গা জেলার শীর্ষ নারী মাদক বিক্রেতা। তার বিরুদ্ধে ৫১টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চার মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজাও হয়েছে তার। শিপ্রার স্বামীও মাদক বিক্রি করতেন। স্বামী মারা গেছেন। তাদের সন্তান আলী হোসেন (৪০) বর্তমানে মাদক মামলায় ৩২ বছরের সাজা পেয়ে কারাভোগ করছেন।
শিপ্রা প্রথমে সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন পণ্য চোরাচালান করতেন। পরে মাদক পাচারে যুক্ত হন। ১৯৯১ সালে প্রথম তার নামে মামলা হয়। এরপর গত ৩০ বছরে ৫১টি মামলা হয় তার নামে। গ্রেফতার হন শতাধিকবার! বিভিন্ন মেয়াদে সাজাও হয় চার মামলায়।
পুরো পরিবারই মাদক কারবারে জড়িত!

শিপ্রার স্বামী বাবুল মারা যান ২০১৫ সালে। তিনি একাধিক মাদক মামলার আসামি ছিলেন। তার ছেলে আলী হোসেন পাঁচ মামলার আসামি। এর একটি মামলায় ৩২ বছরের জেল খাটছেন ২০১৫ সাল থেকে।
শিপ্রা ঘরের ভেতর ঢুকলেই তাকে আর গ্রেফতার করা যায় না! কারণ ঘরের টয়লেটে গোপন একটি দরজা বানিয়েছেন তিনি। পুলিশ এলেই সেই দরজা দিয়ে পালিয়ে যেতেন কৌশলী শিপ্রা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com