রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৫:০৮ অপরাহ্ন

উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরের উদ্যোগ নির্বাচনী ইশতিহারে দেখতে চাই: সিপিডি

খবরের আলো রিপোর্ট :

 

 

২০১৯ সাল থেকে পরবর্তী ৫ বছরের জন্য যে সরকার নির্বাচিত হবে তারা দেশের অর্থনীতির কাঠামোগত রূপান্তরের মুহূর্তে ক্ষমতায় আসছে। কারণ এ সময়ে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হবে। আসন্ন নির্বাচনে যে রাজনৈতিক দল বা জোট ক্ষমতায় যাবে তারা স্বল্পোন্নত দেশের দায়িত্ব নেবে। মেয়াদ শেষ করবে উন্নয়নশীল দেশের সরকার হিসেবে। এজন্য দেশের এই অর্থনৈতিক কাঠামোগত রূপান্তর টেকসই করতে রাজনৈতিক দলগুলোর কি কি উদ্যোগ থাকবে আসন্ন নির্বাচনের ইশতিহারে তা স্পষ্ট থাকা উচিত।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের ‘দ্যা লিস্ট ডেভেলপমেন্ট কান্ট্রিস রিপোর্ট-২০১৮’ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এমন অভিমত তুলে ধরেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আঙ্কটাডের প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংস্থার সম্মানিত ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্ষ ও ড. মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্য রাখেন।এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থাটির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণই উন্নয়নের শেষ কথা নয়। উত্তরণে মসৃন, সুগম পথ সৃষ্টি করতে হবে। এর সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন। এর অর্থ হচ্ছে শিল্পের উৎপাদনশীলতা বাড়বে। প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। এজন্য দরকার সুশাসন। সুশাসন ছাড়া উৎপাদনশীল খাতগুলোতে সম্পদের পুনঃবণ্টন হবে না। আর এ সবের চালিকাশক্তি হচ্ছে উদ্যোক্তা।

তিনি বলেন, উদ্যোক্তা বিনিয়োগ করলে, মুনাফা বাড়ানোর আগ্রহ থাকলেই এ সব সম্ভব হবে। উদ্যোক্তাদের এ সব স্পৃহা সৃষ্টি করতে হলে দরকার প্রতিযোগিতাপূর্ণ অর্থনীতি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com