বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন

শ্রীপুরে মাষ্টারপ্ল্যানের বিদ্যুতে মিটার প্রতি ১৫ হাজার টাকা দিতেই হবে

খবরের আলো :

আনোয়ার হোসেন শ্রীপুর গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সেই ৩৫ জনের ঘরে বিদ্যুতের জন্য যারা ২ বছর আগে দশ হাজার করে টাকা দিয়েছিলেন তারা পাঁচ হাজার টাকা ও যারা পাঁচ হাজার করে টাকা দিয়েছিলেন তাদের আরও দশ হাজার টাকা করে দিতে হবে। ২৩ নভেম্বর শুক্রবার দুপুরে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে এসব বলেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন (পিউর)।
বিদ্যুৎ সংযোগ প্রার্থী উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামের নজর আলীর পুত্র  মতিউর রহমান (৩৫), মৃত কাজীম উদ্দিনের পুত্র মাসুদ রানা (৩৮) ও আব্দুল বাতেন এর পুত্র আতাউর জানান, ২১/১২/২০১৮ ইং তারিখের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ সম্পন্ন করে বাকী টাকা অর্থাৎ আরও ২ বছর আগের চুক্তিমতো ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে অভিযুক্ত এরশাদুল ইসলাম কে। যারা আগে ১০ হাজার দিয়েছে তারা দেবেন ৫ হাজার ও যারা ইতিপূর্বে ৫ হাজার দিয়েছেন তারা দেবেন ১০ হাজার টাকা। আর বর্তমানে বিদ্যুৎ সংযোগের পূর্ব পর্যন্ত যত খরচ হবে তা দেবেন ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন (পিউর)। ইউপি সদস্য থানা থেকে অভিযোগ তুলে নেয়ার কথা বললে আমরা রাজি হইনি, বিদ্যুৎ সংযোগের পরই অভিযোগ তোলা হবে।
উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ দেয়ার কথা বলে অবৈধভাবে সাড়ে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ২ বছর পর থানায় অভিযোগ করলে কান খাড়া হয় কথিত দালালদের। তারা সরকারি কাজকে পুঁজি করে বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ সম্পন্ন হলে বাকী ৫ হাজার টাকা নেয়ার জন্য গ্রাম্য সালিশি বৈঠকে উপস্থাপন করেন। অসহায় গ্রাহকদের মধ্য থেকে একটা বড় অংশ রাজি হলেও যাঁরা বিরোধিতা করেছে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দেয় কথিত দালালরা।
শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহমান ৪ দিন আগে ২ দিন সময় দিয়েছিলেন অভিযুক্ত এরশাদুল ইসলাম কে, এবং বলেছিলেন ২ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ না দিলে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রার্থীদের আইনি সহায়তা দেয়া হবে। আইনি সহায়তা কতটুকু দেয়া হয়েছে জানার জন্য উনার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখিত বিষয়ে জানার জন্য জয়নাল আবেদীন (পিউর) ও অভিযুক্ত এরশাদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও কোনও প্রকার সাড়া পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার বিল্লাল হোসেন বলেছিলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন (পিউর) এর সাথে কথা বলে আমি এ কাজ শুরু করেছি। এটা এরশাদুল ইসলামের চুক্তি করা কাজ নয়, সরকারি ভাবে মাষ্টাপ্ল্যানের কাজ এটা। এখানে এরশাদুল ইসলাম ওরফে শফিকুল কোনও ভাবেই সম্পৃক্ত নয়। আমরা আমাদের গতিতে কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু ২৩ নভেম্বর ঠিকাদার বিল্লাল হোসেনের সাথে মুঠোফোনে কথা বলতে চাইলে তিনি ব্যস্ততা দেখি কল কেটে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখিত বিষয়ে জানার জন্য ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ মাওনা জোনাল অফিসের ডিজিএম  কামাল পাশা’র মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2018 Dailykhaboreralo.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com