
রিপোর্ট :- আলী আসরাফ লিটন
রাজধানীর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত প্রাঙ্গণে বিচারপ্রার্থীদের সহায়তার জন্য ‘আইনগত তথ্য ও সেবা ডেস্ক’ থাকলেও এর কার্যকারিতা ও সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সেবাপ্রার্থীরা। অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সময়মতো তথ্য না পাওয়ায় প্রতিদিন অনেক মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
আদালতে আসা অনেক বিচারপ্রার্থী জানান, তথ্যসেবা কেন্দ্র থাকলেও সেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য, মামলা–সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা কিংবা কার্যকর সহায়তা সব সময় পাওয়া যায় না। ফলে নতুন বা সাধারণ মানুষকে আদালতের বিভিন্ন শাখা খুঁজে বের করতে, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে কিংবা আইনি প্রক্রিয়া বুঝতে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয়। অনেকেই দালালচক্রের খপ্পরেও পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

আইন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আদালত প্রাঙ্গণে তথ্যসেবা কেন্দ্রকে আরও কার্যকর করা গেলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে সঠিক তথ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত হলে দালালনির্ভরতা কমবে এবং বিচারপ্রার্থীরা সহজে আইনি সেবা পাবেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যাঁরা আর্থিকভাবে অসচ্ছল, তাঁরা সরকারি লিগ্যাল এইড বা আইনগত সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে বিনামূল্যে আইনজীবীর সহায়তা নিতে পারেন। এ ছাড়া জটিল ফৌজদারি বিষয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
আইনি বা সরকারি তথ্যের জন্য ৩৩৩ এবং জরুরি সেবার জন্য ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, আদালতের তথ্যসেবা কেন্দ্রকে জনবান্ধব ও কার্যকর করতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত জনবল, প্রশিক্ষিত তথ্যকর্মী এবং সেবার মান নিয়মিত তদারকি। এতে সাধারণ বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে এবং বিচারপ্রাপ্তির পথ আরও সহজ হবে।




