আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভোটকেন্দ্রসহ যেকোনো স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর বা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ভোটকেন্দ্রসহ যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৯তম সভা শেষে সাংবাদিকদেন ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে ও মাঠ পর্যায়ে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও প্রচার-প্রচারণাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থার গ্রহণের জন্য সভায় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে হয়। সাধারণ জনগণসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সহযোগিতা এবং নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, রাস্তাঘাট বন্ধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার করাসহ অধিক সক্রিয় ও তৎপর থাকা এবং সব বাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য-উপাত্ত সমন্বয় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় শিগগিরই চূড়ান্ত চার্জশিট দেওয়া হবে। তিনি বলেন, সহযোগী সেজে ফ্যাসিস্টের এজেন্ট বা নাশকতাকারীরা যাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনুপ্রবেশ ঘটাতে না পারে, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক দোষারোপে নাশকতাকারীরা যাতে সুযোগ না নিতে পারে বা পার পেয়ে যেতে না পারে, সে বিষয়েও রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে।

 

 

 

 

মন্তব্য করুন