দেশের যে সাংবাদিকরা সরাসরি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং গণহত্যার সমর্থন করেছেন, তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
গত রোববার (১৩ অক্টোবর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আন্দোলনে আহতদের অনুদানের চেক হস্তান্তরের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
এসময় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যারা সরাসরি ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল, উস্কানিদাতা ছিল এবং গণহত্যার সমর্থন করেছে তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে। এর বাইরে অন্যায়ভাবে কারও বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা হলে, তা খতিয়ে দেখতে তথ্য মন্ত্রণালয়ে কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই এই উপদেষ্টার বক্তব্যর সাথে একমত পোষণ করেছেন। বেশিরভাগই বলেছেন, অচিরেই এসব সাংবাদিকদের আইনের আওতায় আনা দরকার। কারণ তাদের জন্যই দেশে অপকর্ম বেড়েছে। নয়তো অপকর্ম আরও কমতো।
মো. ফজলুল হক নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। ধন্যবাদ উপদেষ্টাকে।
মো. নূর হোসাইন নামে একজন লিখেছেন, সাংবাদিকরা সঠিক তথ্য প্রকাশ করেনি। এদের দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করা উচিত। কারণ তাদের কারণে দেশের মানুষ সত্য খবর জানতে পারেনি। গণহত্যা সমর্থনকারী সাংবাদিকদেরদের কঠিন শাস্তি হওয়া দরকার। তারাই সবচেয়ে বড় অপরাধী।
কেউ কেউ ফেসবুকে লিখেছেন, অনেক সাংবাদিক স্বৈরাচার হাসিনার পা চাটতেন। এমনকি তারা সে সময় সংবাদ সম্মেলেনে কোনো প্রশ্ন না করে শেখ হাসিনার প্রশংসা করে সাধারণ ছাত্রদের হত্যা করার ব্যাপারে উৎসাহ করতেন। তারা এখনও অধরা। অতি দ্রুত এসব ফ্যাসিস্ট সাংবাদিকদের আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি কার্যকর করুন।