১৪ই মার্চ, ২০২৬

মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করতে গেলেই সাংবাদিক পরিচয়দানকারী জীবনের বাধা

এস এম জহিরুল ইসলাম :

 

পল্লবীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সাহাজাদী। সম্প্রতি আটক হয়েছে সেনা ওপুলিশের যৌথ অভিযানে। এই সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমান

হিরোইন, গাজাসহ অবৈধ অস্ত্র। দীর্ঘদিন থেকেই পল্লবীদের মাদক সম্রাজ্ঞী হিসেবে পরিচিত এই শাহাজাদী। থানার একেবারে কাছে তার স্পট হওয়ার পরও, তাকে

আটক করা যায়নি দীর্ঘদিন। যদিও শাহাজাদী ছিল প্রকাশ্যে। সাহাজাদীকে আটক করতে না পারার কারণ হিসেবে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা

রক্ষাকারী বাহিনী যখনই সাহাজাদীর স্পটে হানা দিয়েছে, তখনই হাজির হয়েছে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী জীবন।

এই সময় জীবন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

কেন এসেছে, তাদের ওয়ারেন্ট আছে কিনা ইত্যাদী জানতে চাইতো। এভাবে কৌশলে দেরী করাতো।

এই সুযোগে সাহাজাদী তার মাদকগুলো সরিয়ে ফেলত।এর বিনিময়ে প্রতিদিন 3000 টাকা পেতো জীবন। শাহজাদির মাদকের সেলসম্যানদের পুলিশ আটক করলে তদবির বাণিজ্য করতো এই জীবন। হঠাৎ করেই শাহাজাদীর কিছু সেলসম্যান নিয়ে জীবন নিজেই শুরু করে মাদক ব্যবসা ।এর জের ধরেই শুরু হয় জীবন এবং শাহাজাদী দ্বন্দ্ব।বন্ধ করে দেয়া হয় জীবনকে দেওয়া টাকা   ।

কিছুদিন পর অভিযান চালানো হয়, গভীর রাতে শাহজাদীর মাদক স্পটে। এই সময় জীবন উপস্থিত না থাকার সুযোগে উদ্ধার হয়

বিপুল পরিমান মাদক দ্রব্য।

জীবন সব ক্ষেত্রেই ম্যানেজ মাষ্টার হিসেবে পরিচিত ছিল। সাহাজাদীর স্পটে

থেকে কাউকে আটক করলে, জীবন তাকে ছুটানোর জন্য থানায় তদবীরে যেত। এই বিষয়ে

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একজন উপপরিদর্শক জানায়, যখনই সাহাজাদীর স্পটে

অভিযান চালিয়েছি, তখনই উপস্থিত হয়েছে সাংবাদিক জীবন। তার বাধার কারণে

আমরা কখনো সফল হইনি। এবার গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করায় জীবন উপস্থিত

হতে পারেনি। এই সুযোগে আমরা সাহাজাদীকে বিপুল মাদকসহ আটক করি।

এই বিষয়ে জানতে পল্লবী থানার ওসির সাথে যোগাযোগ করা হলেও, নির্বাচনী

ব্যবস্থতার কারণে তাকে পাওয়া যায়নি।

 

মন্তব্য করুন