
চলমান প্রতিবেদন — পর্ব (১)
এস এম জহিরুল ইসলাম :
সাংবাদিকতা একটি সম্মানজনক ও দায়িত্বশীল পেশা। তবে কিছু অসাধু ব্যক্তির অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে এ পেশার মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। রাজধানীর পল্লবী এলাকায় এক নামধারী সাংবাদিক এস এম জীবনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে মাদক ব্যবসা ও মাদক কারবারিদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, তিনি নাকি কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করতেন।
এমনকি বর্তমানে তিনি নিজেই মাদক বাণিজ্যের মূল হোতা হিসেবে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। মাঝে মধ্যেই প্রভাব খাটিয়ে এসব কার্যক্রম আড়াল করার চেষ্টা করা হতো বলেও স্থানীয়দের ভাষ্য। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সচেতন মহলের মতে,এ ধরনের কর্মকাণ্ড সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মাদক বিস্তারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। প্রকৃত সাংবাদিকদের অভিযোগ, কয়েকজন অসাধু ব্যক্তির জন্য পুরো পেশার সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতে ওই নামধারী সাংবাদিক মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট সাইনবোর্ড ব্যবহার করে একটি জাঁকজমকপূর্ণ অফিস পরিচালনা করতেন, যেখানে সন্দেহজনক বৈঠক অনুষ্ঠিত হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে কথিত সাংবাদিক এস এম জীবনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—সাংবাদিকতার পবিত্রতা রক্ষা এবং সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে যথাযথ অনুসন্ধান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এদিকে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, অভিযোগগুলো পুলিশের নজরে থাকলেও কেন দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।