নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মাশরুম অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও ঔষধি গুণসম্পন্ন খাবার। বেকার সমস্যার সমাধান এবং আয়ের উৎস হিসেবে গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা রাখছে মাশরুম চাষ। ইউটিউব দেখে স্বল্প পুঁজিতে মাশরুম চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন খুলনার অনেক তরুণ।
বাংলাদেশের আবহাওয়ায় মানানসই এবং চাষপদ্ধতি সহজ বলে এদেশে অয়েস্টার, মিল্কি, প্যাডি স্ট্র জাতীয় মাশরুম খামারিদের কাছে বেশি জনপ্রিয়। বছরে মাত্র এক লাখ টাকা খরচে চার পাঁচ গুণ বেশি আয় করা সম্ভব। তবে খুলনা অঞ্চলে উৎপাদন অনুযায়ী বাজার না পাওয়ায়, ক্ষতির মুখে পড়ছেন বেশিরভাগ উদ্যোক্তা।
খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো.জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এ বছর কৃষি বিভাগ থেকে খুলনা জেলার ফুলতলা, ডুমুরিয়া, বটিয়াঘাটা, দীঘলিয়া ও রূপসা উপজেলার ১৮ জন কৃষককে স্পন সরবরাহ করা হয়েছে। এই কৃষকদের খামারে সপ্তাহে গড়ে প্রায় ২০০ কেজি মাশরুম উৎপাদন হয়।
মাশরুম উৎপাদনে বিশেষ করে গ্রীন মোল্ট, ব্লাক মোল্ট পোকার আক্রমণে ফলন কম হয়। তাই পোকা নিধনে নানা পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাশরুমের চাহিদা বাড়লেও খুলনায় এর বাজার গড়ে ওঠেনি। উদ্যোক্তারা মনে করছেন, এখনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মাশরুম চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন খুলনার খামারিরা।



