প্রসংশায় ভাসছেন সাংস্কৃতিক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী. প্রায় পাঁচ লক্ষ দর্শকের নৌকা বাইচ মেলায় খাজনামুক্ত ঘষনা।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মধুমতী নৌকা বাইচ মেলা আগামী ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের মেলাকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে প্রথমবারের মতো খাজনামুক্ত মেলা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা মেলাপ্রেমী মানুষের জন্য একটি আনন্দের খবর।

মাননীয় সাংস্কৃতিক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর এই উদ্যোগকে স্থানীয় ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেলবন্ধন তৈরির একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মেলা শুধু আনন্দ-উৎসবের আয়োজন নয়, এটি গ্রামীণ বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি ও মানুষের আত্মিক বন্ধনের এক অনন্য প্রতিচ্ছবি।

মধুমতী নদীকে ঘিরে এই নৌকা বাইচ মেলা দীর্ঘদিন ধরে মহম্মদপুরের মানুষের আবেগ ও ঐতিহ্যের অংশ। নৌকা বাইচের ছন্দ, ঢাকঢোলের শব্দ, লোকজ গান, গ্রামীণ পণ্যের সমাহার এবং নানা বয়সী মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ—সব মিলিয়ে এই মেলা হয়ে উঠতে পারে বাংলার হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার অন্যতম মাধ্যম।

সাংস্কৃতিক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মতো একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির উদ্যোগে স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকাশ ঘটলে নতুন প্রজন্ম নিজেদের শিকড় ও সংস্কৃতি সম্পর্কে আরও বেশি জানতে পারবে। একই সঙ্গে স্থানীয় শিল্পী, নৌকা বাইচের মাঝি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত মানুষের অংশগ্রহণের সুযোগও বাড়বে।
বিধায় মেলার আয়োজন আগামীতে আরো গতিশীল করতে সম্পুর্ন খাজনা মুক্ত মেলায় রুপান্তর করা হয়েছে।

মেলার মাধ্যমে শুধু বিনোদন নয়, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধের বার্তাও ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হতে পারে এই আয়োজন। গ্রামীণ সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছ�

মন্তব্য করুন