হাবিব সরকার স্বাধীন:
ঢাকা এয়ারপোর্ট বিমান বন্দর কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাজাহান মিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন আয়োজন করা হয়। অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাজাহান মিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য নেতৃবৃন্দরা। আজ সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সামনে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা
শাজাহান মিয়ার মিথ্যা মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।
তারা আরো বলেন, শাজাহান মিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হওয়ায় তার নিজ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার পথে, প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে প্রায় ৩০০ লোক বেকার হয়ে পড়বে।
এতে অনেকেই পথে বসে যাবে।
জানাগেছে মো: শাহজাহান দীর্ঘ ৩০ বছর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সি এন্ড এফ এর ব্যবসা জড়িত। তিনি ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি বর্তমানে সিন্থিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এর স্বত্বাধিকারী। এছাড়া ঢাকা কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। ঢাকা কাস্টম এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন একটি অরাজনৈতিক ব্যবসায়ী সংগঠন। অথচ কিছু কতিপয় অসাধু লোক তাকে আওয়ামী লীগের নেতা বলে অপপ্রচার চালায়। শুধু তাই নয় অপ প্রচারকারীরা এই পদটি ব্যবহার করে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে।সর্বশেষ আশুলিয়া থানায় তাকে আওয়ামী লীগ নেতা বলে একটি মামলা আসামি করা হয়। সেখানে তাকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বলে অপপ্রচার চালানো হয়।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মোঃ শাজাহান বলেন আমি সম্পূর্ণ নিরপরাধ। আমাদের ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এ ধরনের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। তিনি আরো দাবি করেন আমি যদি আওয়ামী লীগ করি তাহলে আওয়ামী লীগ কেন আমার নামে ২০২২ সালে বিএনপি বলে থানা মামলা করে।
উল্লেখ্য গত ১৮/১১/২০২২ (মামলা নং ২৩) সিরাজগঞ্জ কামারখন্দ থানায় তৎকালীন আওয়ামী লীগ বাদী হয়ে বিএনপি নেতা কর্মীদের নামে একটি মামলা দায়ের করেন।সেখানে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার মোঃশাহজানকে বিএনপির নেতা বানিয়ে ১৭ নাম্বার আসামী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। তাই আমরা সার্বিক বিষয় নিয়েই আজকে মানব বন্ধনে দাঁড়িয়েছি যাতে নিরঅপরাধ কোন মানুষ মামলা হামলায় না পড়তে পারে। প্রধান উপদেষ্টার কাছে আমাদের একটাই দাবি আমাদের স্যার নিরঅপরাধ উনি কখনোই আওয়ামী লীগ করতেন না,বা তার সাথে জড়িত ছিলেন না শুধুমাত্র ব্যবসায়িক কোনদলের কারণেই আজ আমাদের স্যারকে আওয়ামী লীগ বানানো হচ্ছে। এসব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানাই আমরা।





