
আইসিসির মুখপাত্র বলেন, স্বাধীন কোনো নিরাপত্তা প্রতিবেদনে যদি বড় ধরনের ঝুঁকির প্রমাণ না থাকে, তাহলে ম্যাচ স্থানান্তর করা সম্ভব নয়। এতে অন্য দল ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দর্শকদের জন্য বড় ধরনের লজিস্টিক ও সূচিগত জটিলতা তৈরি হবে। একই সঙ্গে এটি আইসিসির নিরপেক্ষতা, ন্যায্যতা ও শাসনব্যবস্থার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ খেলতে ভারতে না যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ যে আবেদন করেছিল, তা নাকচ করে দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা আইসিটি। এক বোর্ড সভায় ভোটের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জানালেও আইসিসি বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছে। খবর বিবিসি বাংলা।
তিনি আরো বলেন, এ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বিসিবি তাদের অবস্থানে অনড় ছিল এবং একজন বাংলাদেশী খেলোয়াড়ের ভারতের ঘরোয়া লিগে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়কে বিসিবি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বিষয়টির সঙ্গে টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোনো সম্পর্ক নেই।
আইসিসির ভাষ্য অনুযায়ী, ভেন্যু ও সূচি নির্ধারণ করা হয় নিরপেক্ষ নিরাপত্তা মূল্যায়ন, আয়োজক দেশের নিশ্চয়তা এবং টুর্নামেন্টের স্বীকৃত শর্তের ভিত্তিতে, যা ২০টি অংশগ্রহণকারী দেশের জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য।
মুখপাত্র আরো বলেন, স্বাধীন কোনো নিরাপত্তা প্রতিবেদনে যদি বড় ধরনের ঝুঁকির প্রমাণ না থাকে, তাহলে ম্যাচ স্থানান্তর করা সম্ভব নয়। এতে অন্য দল ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দর্শকদের জন্য বড় ধরনের লজিস্টিক ও সূচিগত জটিলতা তৈরি হবে। একই সঙ্গে এটি আইসিসির নিরপেক্ষতা, ন্যায্যতা ও শাসনব্যবস্থার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
আইসিসি জানিয়েছে, তারা সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করতে, অভিন্ন মানদণ্ড বজায় রাখতে এবং বিশ্ব ক্রিকেটের সামগ্রিক স্বার্থ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।