শরনখোলা(বাগেরহাট) প্রতিনিধি
উপকূলীয় মৎস্যজীবীদের ঝুঁকিপ্রবণতা,সামুদ্রিক আবাসস্থল সুরক্ষা এবং অনুসন্ধানী ও ইস্যুভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরির কৌশল নিয়ে সাংবাদিকদের জন্য দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায়।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ১০টায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উত্তরণ-এর উদ্যোগে উপজেলা মডেল মসজিদের অডিটোরিয়ামে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।কর্মশালায় উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্যজীবীদের ঝুঁকিপ্রবণতা, জীবন-জীবিকা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, সামুদ্রিক আবাসস্থল ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিদ্যমান সরকারি আইন ও নীতিমালা নিয়ে তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানী ও ইস্যুভিত্তিক সংবাদ প্রতিবেদন তৈরির বিভিন্ন কৌশল বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়।
প্রশিক্ষণে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপকূলীয় সিনিয়র সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম মন্টু। আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ফিসনেট কনসোর্টিয়ামের কো-অর্ডিনেটর অমিতাভ ব্যানার্জী, মিল অ্যান্ড সেফগার্ডিং সেক্রেটারিয়েট আতিকা আজরা অয়ন, ফিসনেট প্রজেক্টের অ্যাডভোকেসি অফিসার মিজানুর রহমান, মিল অফিসার মাকসুদুল ইসলাম এবং উত্তরণের শরণখোলা এরিয়া ম্যানেজার নাজমীন নাহার।
বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্যজীবীরা জলবায়ু পরিবর্তন, সামুদ্রিক দূষণ, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বাস্তুচ্যুতি ও অনিরাপদ মৎস্য আহরণের মতো নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব বিষয়ে গভীর অনুসন্ধান ও তথ্যনির্ভর প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করা সম্ভব।
কর্মশালায় শরণখোলা উপজেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মোট ২৫ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে সাংবাদিকতার নৈতিকতা, মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি এবং ইস্যুভিত্তিক প্রতিবেদনে প্রাসঙ্গিক আইন ও নীতিমালার যথাযথ ব্যবহার নিয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উত্তরণের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড ফিশনেট প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসার মো. মিজানুর রহমান।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উপকূলীয় জনপদের বাস্তব চিত্র আরও দায়িত্বশীল ও তথ্যসমৃদ্ধভাবে গণমাধ্যমে উঠে আসবে।
