মুন্সী হাবিবুল্লাহ,শালিখা মাগুরাঃ
মাগুরার শালিখা উপজেলা সদর আড়পাড়া ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা থেকে বঞ্চিত উপজেলার হাজার হাজার অসহায় রোগী৷ সেবার পরিবর্তে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে মহিলা ও শিশু রোগীদের। বর্তমানে ডায়রিয়া, জ্বর ও সর্দি-কাশি রোগে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তাই চিকিৎসার জন্য অসহায় এসব রোগী আসে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র হাসপাতালে। সেখানে গিয়ে চিকিৎসার পরিবর্তে হতে হচ্ছে হয়রানি।
এসব ভুক্তভোগী রোগীকে সেখানে কর্তব্যরত একজন ভিজিটর প্রাথমিক চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে সরকারি কিছু ওষুধ হাতে ধরিয়ে দেয়। ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীদের এমন অভিযোগ নিত্য দিনের। রোগীর সঠিক চিকিৎসা এ হাসপাতালে না মিললেও রাজার হালে এখানে চাকরি করছেন কয়েকজন কর্মচারী।
শালিখা উপজেলা সদর আড়পাড়ার চুকিনগর কানুদার খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালটিতে কয়েকজ কর্মচারী পদায়ন থাকলেও বর্তমানে এই হাসপাতালে একজন ডাক্তারও নেই।
১০ শয্যা বিশিষ্ট এ হাসপাতালটি একজন ভিজিটর, (দায় নার্স অতিরিক্ত), অফিস সহায়ক ও ল্যাবটেকনিশিয়ান,ফারমাশিষ্ট মোট এই পাঁচ জন স্টাফ দিয়ে চালানো হচ্ছে অনেকটা জোড়াতালি দিয়ে। ফলে রোগীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ২০১৯ সালে হাসপাতালটি উদ্বোধন হলেও মূলত ডাক্তার,নার্স ও অন্যান্য স্টাফ স্বল্পতার কারণে ঠিকঠাকভাবে চলছেনা। এমন হলে আমরা সেবা পাব কিভাবে?
মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে বর্তমানে দায়িত্বরত ভিজিটর আরিফা খাতুন জানান, ডাক্তার না থাকায় আমি প্রতিদিন বেশ কিছু রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা ও সরকারি কিছু ওষুধ দিচ্ছি। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ এনামুল হক বলেন, প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্দিষ্ট কোন ডাঃ এর পদায়ন নাই৷ পর্যায় ক্রমে জনবল সংকট কুমে যাবে এবং বিভিন্ন পোষ্টে নিয়োগ চলমান আছে৷
উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসিনা মমতাজ জানান, আড়পাড়াতে ১০ সজ্জা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে৷ সেখানে একজন ডাক্তার না থাকায় চিকিৎসাসেবা যথেষ্ট ব্যাহত হচ্ছে ৷ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আমি বিষয়টি তুলে ধরবো এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব৷





