১৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫

গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেছেন

গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি-

গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ কামরুজ্জামান,মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ
পরিদর্শন করেছেন। ২২সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসক মুকসুদপুর উপজেলার ননিক্ষীর ইউনিয়ন পরিষদে পরিষদর্শন করেন।

জেলা প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আজিজুর রহমান। এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর ও ননিক্ষীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ রনি আহমেদ।

জেলা প্রশাসক ইউনিয়ন এর সার্বিক বিষয়ে খোঁজ খবর নেন। পাশাপাশি সরকারি বরাদ্দের তথ্য দেখেন। এ সময়ে ১৬ লনং ননীক্ষীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ রনি আহমেদ জেলা প্রশাসককে ইউনিয়নের ডিজিটালাইডস সফটওয়্যারে ইউনিয়ন পরিষদের টেলিভিশন মনিটরে দেখান।

যার মধ্য ইউনিয়নের সমস্ত নাগরিকের বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। রয়েছে বাৎসরিক হিসাব আয় ব্যয়সহ অসহায় হতদরিদ্র, প্রতিবন্ধী, বয়স্ক ভাতা,বিধবা ভাতা এবং নিত্যদিনের প্রতিটি নাগরিক সেবার তথ্যের বর্ননা এবং ইউনিয়নের নাগরিক সেবা ও নিরাপত্তার জন্য পুরো ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলোতে বসানো সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা মনিটরিং সেবার তথ্য।

এ সময় তিনি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর ঘুরে দেখেন এবং উপস্থিত চেয়ারম্যান, ইউ,পি সদস্যসহ সকলকে ধন্যবাদ জানান।পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য সেবার অগ্রগতির প্রশংসা করেন।

এ সময়ে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্নের জবাবে বর্তমান সরকারের প্রশংসা করে তিনি বলেন,বর্তমান সরকারের মেন্ডেড বাস্তবায়নের কাজ করে যাচ্ছি আমরা। খুব দ্রুত সময়ের মাঝে জেলাকে একটি সঠিক জায়গায় পৌঁছে নেওয়ার জন্য সকলের সহযোগিতা চান।

এ সময়ে স্থানীয় ভাবে তৈরি করা ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সফটওয়্যারের প্রশংসা করেন তিনি। পাশাপাশি দীর্ঘ দিনের জরাজীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি দ্রুত নির্মাণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও জানান।

এ সময় জেলা প্রশাসকের সাথে উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আজিজুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষানবিশ) সেবগাতুল্যাহ, উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রভাষ কুমার, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ কর্মী প্রমুখ।

মন্তব্য করুন